Agaminews
Agaminews Banner

দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২২ ২:২০ অপরাহ্ণ দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক:

করোনা সংক্রমণ বাড়ায় আগামী দুই সপ্তাহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এদিন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্কুল, কলেজ ও সমপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছি না, সে কারণে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে। এরইমধ্যে ঢাকা শহরের হাসপাতালের শয্যা প্রায় এক তৃতীয়াংশ পূর্ণ হয়ে গেছে। এভাবে সংক্রমণ বাড়লে ঢাকার সব হাসপাতালেও স্থান সংকুলান হবে না।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, আমরা স্কুল কলেজ খুলে দিয়েছিলাম, দেশের সমস্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চলমান রেখেছিলাম। আমরা এখন লক্ষ্য করেছি স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী আক্রান্ত হচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের আক্রান্ত হওয়াটা আশঙ্কাজনক। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তার সম্মতি সাপেক্ষে আমরা স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী দুই সপ্তাহ স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটি বন্ধ থাকবে। যেন আমাদের ছেলে মেয়ে আক্রান্ত না হয়। দুই সপ্তাহ পর পরিস্থিতি দেখে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সংক্রমণ কমানোর জন্য আমরা আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। বিভিন্ন সামাজিক রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অনেক মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে। সেই কারণে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোনো অনুষ্ঠানে একশোর বেশি লোক অংশগ্রহণ করতে পারবে না। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেকের টিকার সনদ এবং করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকতে হব। যেকোনো ধরনের যানবাহনেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে যেতে হলেও টিকা কার্ড এবং করোনা টেস্ট রিপোর্ট থাকতে হবে। এটা বইমেলার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বইমেলা কিভাবে পরিচালিত হবে তারও একটি নির্দেশনা রয়েছে। অর্ধেক জনবল দিয়ে অফিস আদালত পরিচালনা করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটার নির্দেশনাও শিগগিরই দেওয়া হবে।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলমসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনান্য কর্মকর্তারা।