Agaminews
Agaminews Banner
জামিন পেলেন সাবেক মেয়র কামাল

জামিন পেলেন সাবেক মেয়র কামাল

অনলাইন ডেস্ক  ‍॥  দুর্নীতি মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব কামালকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি মোহাম্মদ সেলিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার তাকে জামিন দেয়। এর ফলে আহসান হাবিবের কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী। আদালতে আহসান হাবিবের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী। দুদকের পক্ষে ছিলেন একেএম ফারহান। দুর্নীতির মামলায় গত বছরের নভেম্বরে আহসান হাবিবসহ ৫ জনকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন বরিশালের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মহসিনুল হক। ওই রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হচ্ছেন বরিশাল পৌরসভার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইসহাক, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী খান মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার ও নগরীর কালিবাড়ী রোড এলাকার জাকির হোসেন। তাদের বিরুদ্ধে ২০০০ সালের ১১ অক্টোবর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন তৎকালীন জেলা দুর্নীতি দমন কর্মকর্তা আবদুল বাছেত। এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে গত বছর রায় দেয় বিচারিক আদালত।

অর্থকষ্টে পড়েই মহামারীর মধ্যে শুটিং করেছেন শ্রুতি!

অর্থকষ্টে পড়েই মহামারীর মধ্যে শুটিং করেছেন শ্রুতি!

বার্তা ডেস্ক ॥ ভারতের মহামারী করোনাভাইরাস পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কোথাও কোথাও লকডাউনও আরোপ করা হচ্ছে। এর মধ্যেও শুটিং করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রুতি হাসান। তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ কমল হাসান ও অভিনেত্রী সারিকার সন্তান শ্রুতি। ৩৫ বছর বয়সী শ্রুতি আর্থিকভাবে স্বাধীনভাবে চলতে চান। এক দশক ধরে বাবা-মা থেকে আলাদা হয়ে নিজের বাড়িতে থাকছেন এ অভিনেত্রী। করোনা মহামারীর আগেই বাড়ি কিনেছিলেন তিনি। শ্রুতিকে সম্প্রতি দেখা গেছে 'উকিল সাব' ছবিতে। 'বাহুবলী' খ্যাত প্রভাসের সঙ্গে 'সালার' ছবিতেও দেখা যাবে শ্রুতিকে। তিনি বলেন, আমার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। আমার বাবা কিংবা মা আমাকে সাহায্য করছে না। নিজের খরচ নিজেকেই বহন করতে হয়। শুটিংয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। আমার ঘরে থাকার মতো অবস্থা থাকলে ঘরেই থাকতাম। করোনার মধ্যে শুটিং করা কঠিন জানিয়ে শ্রুতি বলেন, মাস্ক ছাড়া শুটিং সেটে থাকা আতঙ্কের। আমি মিথ্যা বলবো না। আমাদের শুটিংয়ে যেতে হয়েছে কারণ সবার মতো আমারও আর্থিক সীমাবদ্ধতা আছে। মহামারী শেষ হওয়া পর্যন্ত আমি লুকিয়ে থাকতে পারি না।

এক ক্লিকে বিভাগের সব খবর