rocket
domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init
action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/dailyajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 6114মৌসুমের শুরুতে বাজারে তরমুজ উঠলেও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে তরমুজের দাম। ফলে ক্রেতা সংকটে ভুগছে পিরোজপুরের তরমুজ ব্যবসায়ীরা। এবার তরমুজের ব্যবসা করছেন না অনেক মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীরা।
রোববার দুপুরে পিরোজপুর সদর উপজেলা বাজারে ঘুরে দেখা যায়, তরমুজের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় নেই। দোকানে অলস সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা। রমজানের শুরু থেকেই তরমুজের দাম কিছুটা বেশি হওয়ায় ক্রেতাদের তরমুজ কেনার আগ্রহ কম দেখা গেছে। বাজারে কেজিতে তরমুজ বিক্রি না হলেও আকৃতি ভেদে চড়া দাম হাঁকা হচ্ছে। ফলে এতো টাকায় তরমুজ নিতে চাচ্ছেন না ক্রেতারা।
তরমুজ ব্যবসায়ী প্রসেনজিৎ বলেন, বর্তমানে তরমুজের ক্রেতা অনেক কম। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি করলেও আগ্রহ কম। দোকানে পর্যাপ্ত তরমুজ থাকলেও তা বিক্রি করতে পারছি না। ছোট আকারের ১টি তরমুজ ১৫০ টাকা, মাঝারি আকারের তরমুজ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং বড় আকারের প্রতি পিস তরমুজ ৪৫০ টাকা থেকে ৫০০-৫৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। ছোট বড় মিলিয়ে গড়ে প্রতি পিস তরমুজ ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় কিনতে হচ্ছে আমাদের।
ফল ব্যবসায়ী রহিম বলেন, আমরা এখনকার ব্যবসায়ীরা আড়ত থেকে পাইকারি দরে তরমুজ কিনি। কিন্তু এবার আড়ত থেকে বেশি দামে তরমুজ কিনতে হচ্ছে। সেখান থেকে ছোট বড় মিলিয়ে প্রতি পিস তরমুজ ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে কিনে আনতে হচ্ছে। তাই দামও বেশি চাওয়া হচ্ছে। দাম শুনেই ক্রেতারা চলে যাচ্ছেন। বাজারে তরমুজের বাড়তি দামে একেবারে ক্রেতা নেই এবার তরমুজের।
তরমুজ কিনতে আসা ক্রেতা মো. মনির চৌধুরী বলেন, তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। ঠান্ডা ফল হওয়ায় রমজানে এর বেশ চাহিদা রয়েছে। তবে এবার তরমুজের দাম অনেক বেশি যদিও বাজারের দোকানগুলোতে পিস আকারে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কিন্তু দাম অনেক বেশি। তাই ইচ্ছে থাকলেও তরমুজ কিনতে পারছি না।
ক্রেতা মেহেদী হাসান বলেন, একটা বড় আকারের তরমুজ কিনতে গেলে ৪৫০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা লাগে। একজন নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে তরমুজ কেনা এখন স্বপ্নের মতো হয়ে গেছে। তরমুজের দাম ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে হলে ভালো হয়।
পিরোজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, পিরোজপুরে তরমুজের আবাদ তুলনামূলক কম হয়। তবুও এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি তরমুজ আবাদ হয়েছে। এবার আমাদের তরমুজের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১২০ হেক্টর জমিতে। সেখানে ১৪০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। মূলত তরমুজের প্রধান মৌসুম হচ্ছে এপ্রিল থেকে মে মাস। মৌসুমের আগে যেসব কৃষক তরমুজ তুলতে পেরেছেন তারা ভালো দাম পাচ্ছেন।