আজকের বার্তা
আজকের বার্তা

লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত-আহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দাবিতে স্মারকলিপি


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩০, ২০২১ ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত-আহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দাবিতে স্মারকলিপি

নিউজ ডেস্ক:

লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহত-আহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণসহ ১১ দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটি।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে বরগুনা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনের সভাপতি এডভোকেট মো. আনিসুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কামাল।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বরগুনার এমপি, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকেও স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।
১১ দফা দাবিগুলো হল, মর্মান্তিক লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত, আহত ও নিখোঁজ পরিবারকে সরকারিভাবে সহায়তা করতে হবে। লঞ্চ মালিকের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে নিহত, আহত ও নিখোঁজ পরিবারকে দিতে হবে। অভিযান-১০ লঞ্চের মালিকসহ অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন করা যাবে না। প্রত্যেক যাত্রীর নিরাপত্তায় লাইফ জ্যাকেট ও বয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

আধুনিক অগ্নিনির্বাপক প্রযুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেক লঞ্চে দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সনদধারী কর্মী নিশ্চিত করতে হবে। ফিটনেস বিহীন লঞ্চ চালানো যাবে না। ভুয়া ফিটনেস প্রদানকারী কর্মকর্তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে ও দায়িত্বে অবহেলায় দুর্ঘটনা ঘটলে লঞ্চ মালিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ-র কর্মকর্তাকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া বন্ধ করতে হবে। সিঙ্গেল কেবিনে ১৩০০ টাকা, ডাবল কেবিনে ২৫০০ টাকা এবং ডেকের যাত্রীদের কাছ থেকে ৪০০ টাকা টাকার বেশি ভাড়া নেয়া যাবে না। কেবিন বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে।

বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি এডভোকেট আনিসুর রহমান বলেন, যারা লঞ্চের ভুয়া ফিটনেস সার্টিফিকেট দেয়, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। সেই সাথে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মচারী দিয়ে লঞ্চ চালানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কামাল, দায়িত্বে অবহেলা করে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের হত্যা করেছে। অনেক পরিবার কর্মক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা হারিয়ে ফেলেছে। এসব পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের সহায়তা করতে হবে।