Agaminews
Agaminews Banner

ফরিদপুরে প্রতারক চক্রের ৫ জন আটক; ২৭৩টি সিমকার্ড উদ্ধার


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: এপ্রিল ২০, ২০২১ ২:১৮ অপরাহ্ণ ফরিদপুরে প্রতারক চক্রের ৫ জন আটক; ২৭৩টি সিমকার্ড উদ্ধার
বার্তা ডেস্ক ॥
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার রায়নগর গ্রামে অভিযান চালিয়ে বিকাশ প্রতারক চক্রের সক্রিয় ৫ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ফেনসিডিল, ল্যাপটপ, ২৭৩টি সিমকার্ড ও ২৯ হাজার ৫শ টাকা জব্দ করেছে। র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রতারক চক্র বিকাশের নাম ব্যবহার করে প্রতারনার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। এমন অভিযোগের ভিক্তিতে র‌্যাবের অনুসন্ধানী টিম সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারে রায়নগর গ্রামে একটি প্রতারক চক্র মানুষকে ঠকিয়ে লাখ লাখ টাকা আদায় করছে। র‌্যাব ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মো. খোরশেদ আলম ও স্কোয়াড কমান্ডার মাহিদুল হাসানের নেতৃত্বে মঙ্গলবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ফারুক মাতুব্বর (৩৫), সুমন হোসেন (২৮), আনোয়ার হোসেন (২১), শফিকুল ইসলাম (২৩) ও সজিব মাতুব্বরকে (১৯) আটক করে। এ সময় আটককৃত প্রতারক চক্রের সদস্যেদের হেফাজতে থাকা ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১২ বোতল ফেনসিডিল এবং বিকাশ প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত ১৫টি মোবাইল ফোনসহ ২৭৩ টি সীমকার্ড, ১ টি ল্যাপটপ এবং বিকাশ প্রতারনার ২৯ হাজার ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা বিকাশ প্রতারনার মাধ্যমে জনসাধারনের নিকট থেকে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে স্বীকার করে। র‌্যাব সূত্র জানায়, বিকাশ প্রতারক চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন দুর্নীতি পরায়ণ মোবাইল সিম বিক্রেতার সাথে পরস্পর যোগসাজস করে ভুয়া নামে সিম কার্ড রেজিস্ট্রেশন ও উক্ত সিমকার্ড ব্যবহার করে অসাধু ডিএসআর (বিকাশ এ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বিকাশ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োগকৃত এজেন্ট) গণের মাধ্যমে ভুয়া বিকাশ এ্যাকাউন্ট খোলে। প্রতারক চক্রের সদস্যরা দুর্নীতিপরায়ণ ডিএসআর গণের নিকট থেকে অর্থের বিনিময়ে বিকাশ এজেন্টদের লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করে ভুয়া রেজিস্ট্রেশনকৃত মোবাইল সিমকার্ড ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সহজ সরল সাধারণ জনগনের নিকট নিজেকে বিকাশ হেড অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ফোন করে কৌশলে তাদের বিকাশ পিন কোড জেনে নেয় এবং স্মার্ট ফোনে বিকাশ এ্যাপস্ ব্যবহার করে সাধারণ লোকজনের বিকাশ এ্যাকাউন্ট হতে প্রতারনার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয়। এভাবে তারা প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতো। আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।