Agaminews
Agaminews Banner

মঠবাড়িয়ায় বলেশ^রে নিষিদ্ধ কারেন্ট ও বাধাজালের ছড়াছড়ি ॥ প্রশাসন নিরব!


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: মে ১১, ২০২১ ৪:২৭ অপরাহ্ণ মঠবাড়িয়ায় বলেশ^রে নিষিদ্ধ কারেন্ট ও বাধাজালের ছড়াছড়ি ॥ প্রশাসন নিরব!

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি ॥
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বলেশ^র নদে সরকারের নিষিদ্ধ কারেন্ট ও বাধাজালের ছড়াছড়ি। একটি অসাধু মহল প্রশাসনকে মাশোহারা দিয়ে নদের বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রকারের বাধাজাল ও কারেন্ট জাল পেতে জাটকা ইলিশ, ডিম ওয়ালা গলদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পোণা মাছ নিধন করে আসছে। এ ব্যাপারে প্রশাসন রহস্যজনক ভাবে নিরব রয়েছে। সরজমিনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় জেলেদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপকুলীয় মঠবাড়িয়া উপজেলার বলেশ^র নদী ৫টি ইউনিয়ন দিয়ে প্রবাহিত। এই ইউনিয়নের বলেশ^র নদ তীরবর্তী খেতাচিড়া, জলাঘাট, ভাইজোড়া, সাংরাইল, বড়মাছুয়া, কাটাখাল, পুরানখাল, তুলাতলা, লোদের খাল, ছোটমাছুয়া নামক স্থানে কতিপয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অসাধু জেলেরা সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্টজাল, বেডজাল, চরগড়াসহ বিভিন্ন নামের বাধাজাল দিয়ে অবাদে মাছ নিধন করে আসছে। এতে প্রতিদিন ইলিশের জাটকা, পাঙ্গাসের ছোট পোণা, ডিমওয়ালা গলদা, রেণু, তপসী, পোয়ামাছ বিভিন্ন প্রজাতির পোণা মাছ নিধন করছে। অভিযোগ রয়েছে, অসাধু জেলেরা ছোট পোণা মাছ ধরে বিক্রি করতে না পেরে মাটির গর্তে পুতে রাখে এবং নদীতে ফেলে দেয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নিষিদ্ধ জাল পাতার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা বলেশ^রে নিয়মিত অভিযান চালাই। আমাদের পাশাপাশি কোষ্টগার্ডও অবৈধ জাল পাতার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল বারী বলেন, খুব শীঘ্রই তার নেতৃত্বে বলেশ^র নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং স্থানীয় জেলেদের নিয়ে সচেতনতা মূলক সভা করার কথা জানান।