Agaminews
Agaminews Banner

‘৩৩৩’ নম্বরে সরকারি ত্রাণ চেয়ে ৩ লাখ ফোন, মজা করেও দেন অনেকেই


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২১ ১২:২৩ অপরাহ্ণ ‘৩৩৩’ নম্বরে সরকারি ত্রাণ চেয়ে ৩ লাখ ফোন, মজা করেও দেন অনেকেই
বার্তা ডেস্ক ॥
করোনা মহামারীতে অসহায়কে সরকার খাদ্য সহায়তা দেবে এমন ঘোষণার পর জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩ তে খাদ্য কল দিয়েছে প্রায় ৩ লাখ মানুষ। যাদের অধিংকাংশই যাচাই বাছাইয়ে বাদ পড়েছে। জানা গেছে, গত ২৫ এপ্রিলের পর থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এসব কল আসে সংশ্লিষ্টরা জানায়, প্রকৃত খাদ্য সহায়তা প্রার্থীদের তথ্য মাঠ প্রশাসনে পাঠিয়ে বাড়ি বাড়ি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, ত্রাণ সহায়তা ছাড়াও সারাদিন বিভিন্ন কল আসতে থাকে। মজা করেও কল দেন অনেকে। এদের মধ্যে অনেকেই নানা ধরনের কথা বলে সময় নষ্ট করেন। এতে করে যারা প্রকৃত সমস্যা কিংবা প্রয়োজনে কল করেন, তাদেরকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হয়। বিশেষ করে ত্রাণের ঘোষণা আসার পর কলের সংখ্যা বেড়ে গেছে। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ১৪ই এপ্রিল থেকে জনসাধারণের কার্যাবলী ও চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। এ পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া এবং দুস্থ নাগরিকদের কাছে মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। এ ছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বরাদ্দকৃত ও পূর্বে মজুতকৃত অর্থ থেকে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল, ডাল, তেল, লবণ ও আলু বিতরণের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়। গত রবিবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, কোনো মধ্যবিত্ত পরিবার যদি খাদ্য সংকটে থাকেন তবে তিনি ৩৩৩ নম্বরে কল দিলে তার বাসায় খাবার পৌঁছে যাবে। জরুরি সাড়াদান কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পর স্থানীয় প্রশাসন গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২ হাজার ৫৭৭টি পরিবারের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে।  নাগরিকদের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন তথ্যসেবা প্রদানে ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩। ২০১৮ সালের ১২ই এপ্রিল থেকে চলতি ১৭ই এপ্রিল পর্যন্ত তিন বছরে ৩৩৩ নম্বরে প্রায় ৩ কোটি ফোনকল গ্রহণ করা হয়েছে। মোট ফোনকলের মধ্যে সামপ্রতিক সময়ে ৫০ লাখের বেশি কল এসেছে শুধু করোনা বিষয়ক। স্বেচ্ছাসেবী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন সেবা দেয়া হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ নাগরিককে। এছাড়া ২০২০ সালে করোনাকালীন সময়ে ত্রাণ সাহায্য চেয়ে কল এসেছে ১৮ লাখের বেশি।  যথাযথ পদক্ষেপের জন্য এসব তথ্য মাঠ প্রশাসনের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। অবশ্য এই সেবাটি গত বছরের ৩১শে অক্টোবর বন্ধ করে দেয়া হয় এবং এ বছর ২৫শে এপ্রিল পুনরায় চালু করা হয়।