Agaminews
Agaminews Banner

এবার মুখ খুললেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২১ ১:৪৭ অপরাহ্ণ এবার মুখ খুললেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র
বার্তা ডেস্ক ॥
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তিন দিন আগে আপনার ভাই সাহাদাত বাড়ির সামনে চকলেট বোমা কত গুলো রেখে একটা নাটক সাজিয়েছে। তাকে নাকি বোমা মেরে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। আপনার ভাই সাহাদাত এমন কেউ নয় যে তাকে বোমা মেরে মারতে হবে। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টায় ওবায়দুল কাদেরের ভাগ্নে মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু নিজের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, এখন আবার আপনার ভাইয়ের কর্মীরা এবং বাহির থেকে আনা সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণের কথা বলে একটা গুজব রটাচ্ছে। এটা কি হেড মাস্টার মোশারেফ সাহেবের বাড়ি, এটা কি ওবায়দুল কাদের সাহেবদের বাড়ি, নাকি এটা সন্ত্রাসীদের বাড়ি। মঞ্জু কাদের মির্জাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, কাকে হুমকি দিচ্ছেন। কোম্পানীগঞ্জকে শান্ত করতে হলে আপনাকে কোম্পানীগঞ্জ থেকে বিতাড়িত করতে হবে। কিসের শান্তির বার্তা দিচ্ছেন আপনি। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতাকর্মীর শরীরে এক ফোটা রক্ত থাকতে আপনার সাথে কোনও বৈঠক হবে না। আমাদের আর একটা কর্মীর গায়ে যদি আঘাত পড়ে আবদুল কাদের মির্জাকে পৌরসভা থেকে নিয়ে আসব। আমাদের ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়েন না। বহু ধৈর্য ধরছি আমরা, ভদ্রতা অনেক দেখিয়েছি। অনেক সম্মান দেখিয়েছি। সেতুমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি দেখতে দেখতে চার মাস দেখেছেন। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের দুইজন কর্মী জীবন দিয়েছে। আওয়ামী লীগের সভাপতি লাঞ্ছিত হয়েছে, সাধারণ সম্পাদক আজকে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তার দু’টি হাঁটু বিকল করে দেয়া হয়েছে। আপনি বসে বসে খেলা দেখছেন। কিসের খেলা দেখছেন। আপনি কি আমাদের ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছেন। সেতুমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, কোম্পানীগঞ্জে যে দু’টি হত্যাকা- হয়েছে আজ পর্যন্ত আপনি আপনার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি। তার মানে হচ্ছে এ হত্যার দায় আপনিও এড়াতে পারেন না। আপনার এসব ডুয়েল স্ট্যান্টবাজি বন্ধ করেন। এর দায় আপনি এড়াতে পারেন না। দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হলে আপনি পদত্যাগ করেন। কাদের মির্জার ছেলে শিবচরে ইলেকশন করতে গিয়ে সাংসদের গাড়ির স্টিকার লাগিয়ে ধরা পড়ে। পরে মন্ত্রী তাকে ফোন দিয়ে রক্ষা করে। ঘটনাটি কোম্পানীগঞ্জের মানুষ একটু জানতে চায়। নিজের ভাই এবং তার ছেলেকে সামলান। কোম্পানীগঞ্জের মানুষকে জিম্মি করে অর্থের পাহাড় গড়ে তুলেছে। একবার ভাইয়ের পক্ষে, একবার আওয়ামী লীগের পক্ষে। এসব করে কোম্পানীগঞ্জ ও নোয়াখালীর আওয়ামী লীগকে জাহান্নাম বানিয়েছেন।