Agaminews
Agaminews Banner

মা-মেয়েসহ পরিবারের ৫ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০২১ ৫:৫৫ অপরাহ্ণ মা-মেয়েসহ পরিবারের ৫ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
বার্তা ডেস্ক ॥
মাদারীপুরের কালকিনিতে মা মেয়েসহ পরিবারের ৫ জনকে হত্যার চেষ্টায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় উপজেলার গোপালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো, ওই এলাকার মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে শাহে আলম শেখ, শাহে আলমের স্ত্রী হাওয়া বেগম এবং মেয়ে সাদিয়া খানম, সীমা বেগম ও সিমার জামাই রনি চকিদার, এদের মধ্যে গুরুতর সীমা বেগমকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্যান্যরা কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত সিমার মামা শহীদ সরদার জানান, দীর্ঘদিন ধরে শাহে আলমের পৈতৃক ওয়ারিশ সম্পত্তি নিয়ে শাহে আলম এর ছোট ভাই নূরে আলম ও তার পরিবারদের বিরোধ চলে আসছে। নূর-ই-আলম ও তার পরিবারের সহযোগীরা জোরপূর্বক শাহে আলমের সম্পত্তি জবর দখল করার চেষ্টা চালায়। এছাড়া প্রায় সময় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে নূরে আলম ও তার পরিবারের সহযোগীরা শাহে আলম ও তার পরিবারকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি সহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বিষয়টি নিয়ে শাহ আলম সমাধানের জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তা কোনো কাজে আসেনি। বরং নূর-ই-আলম ও তার সহযোগীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে বারবার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে শাহ আলমের জমি নিজের দাবি করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার দিন শাহ আলম ও তার পরিবার তাদের প্রয়োজনীয় কাজে নিজেদের জমি থেকে মাটি কাটে। এ সময় নূর-ই-আলম ও তাঁর সহযোগীরা ওই মাটিকাটা কাজ বন্ধ করে দেয়। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে একপর্যায়ে নুরে আলম ও তার ছেলে ইলিয়াস শেখ, মনির শেখ, মিলন সেখ, ইমন শেখ এবং তাদের সহযোগী জলিল, আলামিন, জিওল মাতাব্বর, নুরুল ইসলাম মাতব্বর, জলিল মাতাব্বর সহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে শাহে আলমের উপরে হামলা চালায়, তাকে বাঁচাতে শাহ আলমের স্ত্রী হাওয়া বেগম মেয়ে সাদিয়া বেগম সিমা বেগম ও সীমার জামাই রণী চকিদার আসলে তাদেরকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন নুরে আলম সহ অন্যান্য সহযোগীরা। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে আহতদের মধ্যে সিমা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সীমর মাথার উপরে মারাত্মক জখম হয়েছে। তবে অবস্থার অবনতি হলে যেকোনো সময় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
এ ব্যাপারে কালকিনি থানায় মামলার অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে আহত সূত্রে জানা যায়।