Agaminews
Agaminews Banner

বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৩৬১


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২২ ১:০০ অপরাহ্ণ বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৩৬১

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বরিশাল বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬১ জন। এ সময়ে বরগুনা জেলায় আক্রান্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি সুস্থ হয়েছেন ৪৫ জন।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. হুমায়ন শাহীন খান জানান, জেলাভিত্তিক তথ্যে গেল ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল জেলায় সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছে ১৩৪ জন। এ পর্যন্ত জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ১৬৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১৮ হাজার ৩৫৬ জন। মোট মারা গেছেন ২৩০ জন।

পটুয়াখালীতে নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৪১ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৪৩৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ১২৭ জন। আর এ জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু না হলেও মোট মারা গেছে ১০৯ জন।

ভোলায় নতুন ৫০ জন শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ১১৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু না হলেও মোট মারা গেছেন ৯১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৭৭৭ জন।

পিরোজপুরে নতুন ৫৭ জন শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৬৬৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ২১৯ জন। অপরদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু না হলেও মোট মারা গেছেন ৮৩ জন।

এছাড়া বরগুনায় নতুন ২৯ জন শনাক্ত নিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮৩ জন। ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু নিয়ে মোট মারা গেছেন ৯৯ জন। এছাড়া এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪৭ জন।

ঝালকাঠিতে নতুন ৫০ জন শনাক্ত নিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮৩০ জন। জেলায় মোট মারা গেছেন ৬৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৫৬১ জন।

অপরদিকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের আইসোলেশনে নতুন করে কেউ ভর্তি হননি।

হাসপাতালে ১৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন। যার মধ্যে ৬ জনের করোনা পজিটিভ, ৮ জন আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় ১৯৮ নমুনা আরটি-পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করানো হয়েছে। এরমধ্যে ৭৫ জন পজিটিভ ও ১২৩ জন নেগেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ২০২০ সালের ৯ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। সেই থেকে ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভাগের ছয় জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৪৭ হাজার ২৯৮ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৮১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৪৪ হাজার ৮৮৭ জন।