খুঁজুন
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলায় বিপিএল নিয়ে শংঙ্কা

৬৫ কোটিতেও প্রাণ ফিরছে না বরিশাল বিভাগীয় স্টেডিয়ামের

সৈয়দ বাবু ॥
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
৬৫ কোটিতেও প্রাণ ফিরছে না বরিশাল বিভাগীয় স্টেডিয়ামের

বরিশালের ক্রীড়া প্রেমীদের দীর্ঘদিনের গর্ব ছিল বিভাগীয় কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামটি। একসময় এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ও যুব ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। কিন্তু বর্তমানে মাঠের চিত্র একেবারে উল্টো। মাঠে গর্ত, ভাঙা গ্যালারি, অকেজো ফ্লাডলাইট আর নষ্ট স্কোরবোর্ড। নির্মানের পর থেকে বড় কোন খেলার আসর বসেনি এ স্টেডিয়ামটিতে। ২০১৯ সালের ২৬ অক্টোবর বরিশাল স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ বনাম শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ চারদিনীয় ম্যাচে অনুষ্ঠিত হয়। এ ম্যাচের মাধ্যমে স্টেডিয়ামটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পা রাখে (অনুর্ধ্ব-১৯ আন্তর্জাতিক)।

তথ্য মতে, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় বরিশাল বিভাগীয় স্টেডিয়াম উন্নয়নে ৪৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন হয়। এর আওতায় মাঠ সংস্কার, গ্যালারি, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ড্রেসিংরুম, ইনডোর জিমনেশিয়াম ও নতুন টাওয়ার স্থাপনের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু কাজ শুরু হওয়ার পর কয়েকটি ধাপে থেমে যায়। এর পরে সর্বশেষ ২০২৪ সালের মে মাসে পুনরায় ঘোষণা আসে নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রায় ৬০ কোটি টাকায় স্টেডিয়ামের ইনডোর ও আউটডোর সুবিধা আধুনিকীকরণ করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এখনো অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ চলছে ধীর গতিতে। বরিশাল ক্রিড়া সংস্থার দাবী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় বরিশাল বিভাগীয় স্টেডিয়াম উন্নয়নের জন্য যে সকল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তার মধ্যে মেসার্স কহিনুর নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজ অত্যন্ত ধীর গতির হওয়ায় আগামী বিপিএলের আসর বরিশাল স্টেডিয়ামে বসবে কিনা তা নিয়ে শংঙ্কায় আছে।

১৯৬৬ সালে নগরীর বান্দ রোড সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই স্টেডিয়ামটি দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া অবকাঠামো। প্রায় ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন মাঠে আছে দুইটি ড্রেসিং রুম, প্রেস বক্স, প্রশাসনিক ভবন ও নিরাপত্তা ফটক। ২০০৬ সালে এটি প্রথম আধুনিকায়ন করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নতুন করে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়। সরকারি নথি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে প্রায় ৪৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে মাঠের গ্যালারি, ভবন ও পিচ সংস্কার করা হয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৫ কোটি টাকার ইনডোর ও আউটডোর উন্নয়ন প্রকল্প যুক্ত হয়। সর্বমোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৫ কোটি টাকার মতো, তবে মাঠের অবস্থা এখনো মানহীন।

বরিশাল জেলা ক্রিড়া কর্মকর্তা ও বরিশাল জেলা ক্রিড়া সংস্থার সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম শুভ বলেন, এত টাকা ব্যয় হলেও মাঠের আউটফিল্ডে এখনো পানি জমে থাকে। ফ্লাডলাইটের কাজ অসম্পূর্ণ, টয়লেট ও পানীয় জলের অভাব, দর্শকদের ভোগান্তি। প্রতিটি কাজে ধীরগতি ও পরিকল্পনার ঘাটতি আছে। বরিশাল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “ফুটবল ফেডারেশন বরিশাল কয়েকবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ আয়োজনের আগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু মাঠের মান না থাকায় তারা সরে গেছে। এটা আমাদের জন্য বড় হতাশা।

পিচ ও আউটফিল্ড জাতীয় মানের নিচে। পিচের বলের বাউন্স অনিয়মিত, আর ড্রেনেজে সমস্যা থাকায় বর্ষাকালে মাঠ অচল হয়ে যায়। এই অবস্থায় জাতীয় পর্যায়ের খেলা আয়োজন সম্ভব নয় বলে অভিযোগ করেন বরিশালের কয়েকজন ক্রিকেটার। তারা আরও বলেন, ফ্লাডলাইট, ড্রেনেজ ও ঘাসের মান ঠিক না করলে বিসিবি কোনো বড় ম্যাচ এখানে আয়োজন করবে না। স্থানীয় ফুটবল খেলোয়াড় সোহান রহমান বলেন, আমরা অনুশীলনে যাই, কিন্তু মাঠে পানি জমে থাকে। কখনো কখনো বল কাদা মাটিতে আটকে যায়। এটা খেলোয়াড়দের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

নিয়মিত খেলা দেখতে আসা দর্শক নাসির উদ্দিন বলেন, গ্যালারি ভাঙা, টয়লেট অপরিষ্কার হওয়ার কারনে পরিবার নিয়ে মাঠে আসার মতো পরিবেশ নেই। অথচ এটি বরিশালের গর্ব হতে পারত। বরিশাল বিভাগীয় স্টেডিয়াম দক্ষিণাঞ্চলের ক্রীড়া উন্নয়নের প্রতীক হতে পারত। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে অনিয়ম, ধীরগতি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেই মাঠ এখন পরিত্যক্ত প্রায়।

৬৫ কোটি টাকার কাজ শেষ হলেও মাঠ প্রাণ ফিরে পাবে কিনা? এটাই এখন বরিশালের ক্রীড়াপ্রেমীদের বড় আক্ষেপ।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়েছিল দুই নবজাতকের লাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়েছিল দুই নবজাতকের লাশ

বরিশাল নগরের ময়লার স্তূপ থেকে দুই নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তাদের একজন ছেলে ও অন্যজন মেয়ে। 

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে নগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বগুড়া রোডের গফুর সড়কের বিপরীতে নতুন বাজার ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন ময়লার স্তূপ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী জাকির হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো ময়লা পরিষ্কার করছিলাম। হঠাৎ দুটি প্লাস্টিকের বাটি চোখে পড়ে। কাছে গিয়ে দেখি, ভেতরে দুটি নবজাতক শিশু রয়েছে। তখন স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানাই। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নতুন বাজার ও এর আশপাশে একাধিক বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের ধারণা, কোনো একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা-আবর্জনার সঙ্গে নবজাতক দুটির লাশ ওই স্থানে এসে থাকতে পারে।

কোতোয়ালী থানার ওসি আল মামুন ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সময় পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় টহলে ছিল। থানা থেকে বিষয়টি জানানোর পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতি দেখে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে খবর দেওয়া হয়। পরে নবজাতক দুটির লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।

নবজাতক দুটির পরিচয় এবং কীভাবে তাদের লাশ ময়লার স্তূপে এলো- তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।