খুঁজুন
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২ শ্রাবণ, ১৪৩৩

রাজনীতির উত্তাপ বাড়ছে বরিশালে

সৈয়দ বাবু
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
রাজনীতির উত্তাপ বাড়ছে বরিশালে
  • # ২১ আসনেই মনোনয়ন যুদ্ধ

  • # বিএনপিতে বিভাজন-গ্রুপিং

  • # সক্রিয় জামায়াত-ইসলামী আন্দোলন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গন এখন সরগরম। দলীয় মনোনয়ন নিয়ে প্রতিযোগিতা, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, এবং বিকল্প রাজনৈতিক জোটের তৎপরতায় দক্ষিণাঞ্চলের এই অঞ্চলজুড়ে তৈরি হয়েছে উত্তেজনাপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ। নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রতিযোগীতা আরো তীব্র হচ্ছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। প্রতিটি আসনেই দেখা যাচ্ছে তীব্র প্রতিযোগিতা।

একটি আসনে চার থেকে পাঁচজন করে মনোনয়ন প্রত্যাশী সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ২১টি আসনের বিপরিতে বিএনপির প্রায় সাড়ে ৩শ’ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছে। যেটা দলের জন্য অনেকটা সমস্যার সৃষ্টি করছে। ভোটারদের মনেও বিরুপ প্রতিক্রিয়া তৈরী হচ্ছে। বিশেষ করে বরিশাল-৩ আসনে হেভিওয়েট দুই নেতা সেলিনা রহমান ও জয়নুল আবেদীনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন আলোচনার কেন্দ্রে। এদিকে বরিশালের ৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশিদের সাথে আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় রাজধানীর গুলশানের কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

জানা গেছে, বরিশালের ২০টি আসন থেকে এবার ডাকা হয়েছে মোট ৬০ জন মনোনয়নপ্রত্যাশীকে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈঠক শেষে দক্ষিণাঞ্চলের আসনগুলোতে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দেওয়া শুরু হবে চলতি মাসের শেষ বা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে। দলের সূত্র জানায়, এ বৈঠকে উপস্থিত মনোনয়নপ্রত্যাশীদের আন্দোলনে ভূমিকা, সাংগঠনিক অবস্থান ও জনপ্রিয়তা যাচাই করে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল-৫ (সদর) থেকে যাচ্ছেন মজিবর রহমান সরোয়ার, আবু নাসের রহমতউল্লাহ, এবায়েদুল হক চাঁন ও মনিরুজ্জামান ফারুক। বরিশাল মহানগর বিএনপির ১নং যুগ্ম আহবায়ক আফরোজা খানম নাসরিন বলেন, “মনোনীত প্রার্থী ঘোষণার পর সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন, তবে আপাতত প্রতিটি গ্রুপ নিজ নিজ অবস্থান শক্ত করছে। অভ্যন্তরীণ কোন্দল কাটাতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছেন বিএনপির নেতারা। ইতোমধ্যে তারা একটি বৈঠকও করেছেন। বরিশাল মহানগর বিএনপিতে বিভাজন ও গ্রুপিং দীর্ঘদিনের। অনেক সময় একেক গ্রুপ আলাদা কর্মসূচি পালন করে, ফলে মাঠপর্যায়ে ঐক্যহীনতা স্পষ্ট হয়। সম্প্রতি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মহানগর বিএনপির নেতাদের আহ্বান জানানো হয় যে, দলীয় স্বার্থে অভ্যন্তরীণ বিভেদ ভুলে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার জন্য।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন শিকদার বলেন, বরিশালের বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে আছে। আমাদের লক্ষ্য একটাই দলের আদর্শ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে সফল করা। কিছু অভ্যন্তরীণ মতভেদ ছিল, কিন্তু আমরা তা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলেছি। এখন বরিশালের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত সবাই একই লক্ষ্যে কাজ করছে। জনগণ এখন পরিবর্তন চায়, বিএনপি সেই জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবেই মাঠে থাকবে। অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামী একক ভাবে বরিশাল রাজনীতির একটি বড় অংশ জুড়ে দখল করে রয়েছে। একই সাথে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি দল বরিশালের নির্বাচনী রাজনীতিতে শক্তিশালী ভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রায় সব আসনেই এসব দল প্রার্থীও চূড়ান্ত করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দলগুলোর তৎপরতা মূলধারার দলগুলোর ভোট সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। “বরিশালে ইসলামী রাজনীতির উপস্থিতি বিএনপির ভোটভাগে প্রভাব ফেলতে পারে, আবার কিছু আসনে ভোট সমন্বয়ের সম্ভাবনাও রয়েছে” বলে দাবী স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

এ বিষয়ে বাংলদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সহকারী সেক্রেটাররি ও বরিশাল ৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীর এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, “আমরা ন্যায়ের রাজনীতি করতে চাই, ক্ষমতার রাজনীতি নয়। বরিশালের মানুষ আজ পরিবর্তন চায় তারা সৎ, নীতিবান নেতৃত্বের অপেক্ষায় আছে। জনগণের পাশে থেকে আমি সবসময় কাজ করেছি, ইনশাআল্লাহ আগামীতেও করব। আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ গঠন করা যেখানে ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও ইসলামি মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে। ভোট যদি সুষ্ঠ হয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ বরিশালের মানুষ আমাদের সাথেই থাকবে। এদিকে, নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান (সিইসি) ও স্থানীয় কর্মকর্তারা সম্প্রতি বরিশালে এক বৈঠক করেছেন। বৈঠকে ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতি, প্রশাসনিক দায়িত্ব বণ্টন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, মাঠপর্যায়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আগাম নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিক সমাজও সামাজিক ইস্যুতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে ছাত্র-জনতা বরিশালে বিক্ষোভ করেছে। এই ধরনের আন্দোলন এখন রাজনৈতিক আলোচনার অংশ হয়ে উঠছে, যা নির্বাচনী প্রচারণাতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সব মিলিয়ে বরিশালের রাজনীতিতে এখন উপরোক্ত এই তিনটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব উপাদান মিলিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতি এখন আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। আগামী নির্বাচনে এখানকার ফলাফল রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

চরমোনাইয়ে ক্রয়কৃত জমি দখলের পায়তারা, বাধা দেয়ায় হামলা-ভাংচুর, গুরুতর আহত-১ 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
চরমোনাইয়ে ক্রয়কৃত জমি দখলের পায়তারা, বাধা দেয়ায় হামলা-ভাংচুর, গুরুতর আহত-১ 
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৬নং রাজারচর এলাকায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা-ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আমিনুল ইসলাম বিপ্লব নামের একজন গুরুতর আহত হয়ে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।  জানা  গেছে, আহত আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের পিতা মৃত: মকবুল হোসেন হাওলাদারের ৩০ বছর আগের ক্রয়কৃত সম্পদ দখলের চেষ্টা করে আসছে একই এলাকার ছত্তার মোল্লার ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম মোল্লা ও ওয়াহিদুল সহ আরও কয়েকজন। এ নিয়ে পূর্বে থেকেই একটি দ্বন্দ্ব চলে আসছে।
এর ধরাবাহিকতায় ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে একটি মামলা দায়ের করেন জমির মালিক আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। মামলা দায়ের করার কারণে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে প্রতিপক্ষ শহিদুল ইসলাম মোল্লা গং।  এ নিয়ে একাধিকবার শালিশ বৈঠকে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করা হলেও মিমাংসা হয়নি। গত ২১ জুলাই চরমোনাই বিশ্বাসের হাট বাজারে বিপ্লবের সাথে কথাকাটি হলে এক পর্যায়ে বিপ্লবের বাড়িতে গিয়ে হামলা ও তার মায়ের গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করে মোঃ শহিদুল ইসলাম মোল্লা ও ওয়াহিদুল সহ আরও কয়েকজন। খবর পেয়ে বাড়িতে গিয়ে এর প্রতিবাদ করলে বিপ্লবের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় বিপ্লবের উপর কিল ঘুষি ও তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঘরে নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে বিপ্লব গুরুত্বর আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
আহত বিপ্লব জানান, আমার বাড়ির কিছু লোকজন একত্রিত হয়ে আমার বাবার ক্রয়কৃত সম্পদ বহুদিন ধরে দখল করার চেষ্টা করে আসছে। এতে আমি বাধা দিলে বিভিন্ন সময় আমাকে গুরুতর জখম ও হত্যার হুমকি প্রদান করে। এ ঘটনায় আমি একটি মামলা দায়ের করি।  মামলার পরে আমাদের উপর পরবর্তীতে আবারও অতর্কিত হামলা চালিয়ে এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। তার সমস্ত প্রমাণ থানা এবং কোর্টে দেয়া আছে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে মীমাংসার জন্য গত ২১ জুলাই ধার্র্য করা হলে আসামী পক্ষ আমাদের নানাভাবে ভয় ভীতি দেখায় এবং হত্যার হুমকি প্রদান করে। এক পর্যায়ে বাজারে কথার কাটাকাটি হলে আসামিপক্ষ আমাদের বাড়িতে গিয়ে ঘর ভাঙচুর করার চেষ্টা করে এবং আমার মায়ের গায়ে হাত দেয়ার চেষ্টা করে।
খবর পেয়ে আমরা বাড়িতে গেলে তারা সকলে আমাদের উপর হামলা চালায় এবং আমার উপরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। বিপ্লব আরও জানায়, হামলাকারী শহীদুল ইসলাম মোল্লা ও ওয়াহিদুল ইসলাম মোল্লার নিক্ষেপ করা ইটে আমি আঘাতপ্রাপ্ত হই এবং বর্তমান চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে ভর্তি আছি। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি স্থানীয় প্রশাসন এবং স্থানীয় দায়িত্বশীলদের কাছে এ বিষয়ে সুষ্ঠু ও উপযুক্ত বিচারের জোর দাবি জানাই।

বেতাগীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
বেতাগীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন

বেতাগী প্রতিনিধি
‘উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগান ধারণ করে বরগুনার বেতাগীতে পালিত হয়েছে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬। উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে র‌্যালী, আলোচনা সভা, ঋণ ও বৃক্ষ বিতরণের মধ্য সোমবার (৬ জুলাই) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে দিবসটি পালিত হয়।

বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহ. সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জলিলুর রহমান খান নান্না, বিবিচিনি স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক একেএম ওয়াদুদ মিয়া, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম লাভলু, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন প্রমূখ।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হাসান আল বাসার। অনুষ্ঠানে অর্ধশত উপকারভোগীর মাঝে গাছের চারা ও ঋণ বিতরণ করা হয়।

বরিশালের নতুন ডিসি মামুন খন্দকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বরিশালের নতুন ডিসি মামুন খন্দকার

বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মামুন খন্দকার।  এর আগে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার (১ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি/পদায়ন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।