খুঁজুন
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

বরগুনার ১৬ শিক্ষক-কর্মচারীর মাদ্রাসায় ১৫ শিক্ষার্থী

আমতলী প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
বরগুনার ১৬ শিক্ষক-কর্মচারীর মাদ্রাসায় ১৫ শিক্ষার্থী

বরগুনার আমতলী উপজেলার উত্তর কালামপুর হাতেমিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৬ জন শিক্ষক-কর্মচারীর বিপরীতে মাত্র ১৫ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই ১৫ জন শিক্ষার্থীর পেছনে সরকার বছরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসা কমিটি, শিক্ষক ও স্থানীয় দ্বন্দ্বের কারণে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব হুমকির মুখে।

জানা গেছে, আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের উত্তর পূর্ব কলাগাছিয়া গ্রামে উত্তর কালামপুর হাতেমিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি নানা অনিয়মের মধ্যে দিয়ে চলছে। দীর্ঘদিনের কমিটি-শিক্ষক ও স্থানীয়দের দ্বন্দ্ব, কমিটির অযাচিত হস্তক্ষেপ এবং নানা অনিয়মের কারণে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। গত বছর ওই মাদ্রাসা থেকে ৩৭ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করলেও পাশ করেছে মাত্র ৭ জন। ২০২৬ সালে দাখিল পরীক্ষায় ৩৬ জন অংশ গ্রহণের কথা থাকলেও মাদ্রাসায় আসছে মাত্র দুইজন। এছাড়া ইবতেদায়ী শাখায় শিক্ষার্থী নেই বললেই চলে। কাগজে কলমে মাদ্রাসায় ইবতেদায়ী শাখাসহ তিন শতাধিক শিক্ষার্থী দেখানো হলেও বাস্তবে রয়েছে মাত্র ১৫ জন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, ২০-২৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী কোন সময়ই উপস্থিত হয় না। তারা অভিযোগ করেন, আগের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল তার ভাইকে আব্দুল জলিলকে নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগ দিয়েছেন এবং আব্দুল জলিল শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন ও শিক্ষকদের চেয়ারে বসে থাকেন, যেন তিনিই শিক্ষক।

মঙ্গলবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বেলা সাড়ে ১১টায় মাদ্রাসায় চারটি শ্রেণীকক্ষে মাত্র ১৫ জন শিক্ষার্থী পাঠদান করছে। এর মধ্যে দশম শ্রেণীতে ২ জন, নবম শ্রেণীতে দুইজন এবং অন্য দুই ক্লাসে ১১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। নৈশ প্রহরী আব্দুল জলিল মাদ্রাসায় এসে শিক্ষকদের চেয়ারে বসে আছেন। সুপার (ভারপ্রাপ্ত) কামরুজ্জামান কবির মাদ্রাসায় আসেননি। তিনি দাফতরিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেলেও, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তিনি মাসের অধিকাংশ সময় ঢাকায় থাকেন এবং মাঝে মাঝে এসে খাতায় স্বাক্ষর করেন।

মাদ্রাসার সহ-সুপার মাওলানা ফারুক হোসেন বৃষ্টির কারণে শিক্ষার্থী কম আসার দাবি করে বলেন, “বৃষ্টি ছাড়া বেশি শিক্ষার্থী আসে।” তিনি মাদ্রাসায় কোনো অনিয়ম নেই বলেও দাবি করেন।

তবে মাদ্রাসার সাবেক সুপার মাওলানা আব্দুল হাই বলেন, “অনিয়মের ভরপুর ওই মাদ্রাসা। সুপার (ভারপ্রাপ্ত) কামরুজ্জামান কবির ভুয়া নিয়োগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “সে সব সময় ঢাকায় থাকেন। মাসে দুইএকবার মাদ্রাসায় এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে চলে যায়। যত অনিয়মের মূলে ভারপ্রাপ্ত সুপার কামরুজ্জামান কবির।”

মাদ্রাসা সুপার মো. কামরুজ্জামান কবির অনিয়মের কথা অস্বীকার করে বলেন, “আমি দাফতরিক কাজে ঢাকায় আছি। বর্ষার মৌসুমে শিক্ষার্থী কিছুটা কম আসে।” তিনি আরও বলেন, “এলাকায় পরপর তিনটি মাদ্রাসা থাকার কারণে শিক্ষার্থী কিছুটা কম।”

আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিয়াদ হাসান বলেন, “মাদ্রাসার অনিয়মের বিষয়ে আমি জেনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রোকনুজ্জামান খাঁন বলেন, “১৫ জন শিক্ষার্থী দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।