খুঁজুন
সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

বরগুনায় মুখ থুবড়ে পড়ে আছে ৩০ কোটি টাকার তিন প্রকল্প

বরগুনা প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
বরগুনায় মুখ থুবড়ে পড়ে আছে ৩০ কোটি টাকার তিন প্রকল্প

বরগুনা পৌরসভায় প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনটি প্রকল্প সাধারণ মানুষের কোনো কাজে আসছে না। রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ ব্যয়ে বাস্তবায়িত এসব প্রকল্পের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

তাদের অভিযোগ, অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণে প্রকল্পগুলো অচল হয়ে পড়েছে, ফলে সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে। তাই সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বরগুনা শহরের বর্জ্য সমস্যা নিরসনে সদর ইউনিয়নের পিটিআই এলাকায় প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বর্জ্য পরিশোধনাগার নির্মাণ করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী এখানে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে সার উৎপাদনের কথা থাকলেও উদ্বোধনের চার বছর পরও এটি চালু করা যায়নি। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে প্রকল্পটি অকার্যকর অবস্থায় পড়ে থাকায় বিপাকে পড়েছেন আশপাশের বাসিন্দারা। স্থানীয় অধিবাসী কালাম বলেন,

বর্জ্য পরিশোধনাগারের ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে পুরো এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়েছে। এখন ঘরে ঘরে শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এ থেকে আমরা পরিত্রাণ চাই।

অন্য বাসিন্দা সালেহ বলেন, ‘এখানে সার উৎপাদন করার কথা ছিল, কিন্তু তারা এখন পরিবেশ দূষণ করছে। এ কারণে হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য কেউ এগিয়ে আসছে না। আমরা অত্যন্ত দুর্বিষহ জীবনযাপন করছি এই বর্জ্য পরিশোধনাগারের কারণে।’

শহরের পানির সংকট নিরসনে প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি উঁচু জলাধার নির্মাণ করা হয়। এ দুটি জলাধারের ধারণক্ষমতা ২০ লাখ লিটার। কিন্তু নাগরিকদের অভিযোগ, প্রকল্পগুলো কেবল প্রদর্শনীর মতো দাঁড়িয়ে আছে, জনসেবায় কোনো সুফল মিলছে না।

ব্যাংক কলোনী এলাকার বাসিন্দা আল-আমিন বলেন, ‘আমাদের পানির সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করছে। যে পরিমাণ পানি আমাদের প্রয়োজন তা আমরা পাই না। পানির স্পিড কম থাকায় নামে মাত্র পানি পাচ্ছি। ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত উঁচু জলাধার থেকে কোনো সুফল আমরা পাইনি।’

কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, আমার বাসার সামনে একটি উঁচু জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে। বেশ কয়েকবার এটি চালুর চেষ্টা হলেও কার্যকর করা যায়নি। মূলত এটি একটি সম্পূর্ণ লস প্রজেক্ট। আমাদের জানানো হয়েছে, এটি আদৌ চালু করা সম্ভব নয়।

প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পৌর অডিটরিয়ামের কাজ ২০২০ সালের আগস্ট থেকে বন্ধ রয়েছে। পৌরসভার তথ্য অনুযায়ী, ভৌত কাঠামোর মাত্র ৫৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হলেও ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৬৮ শতাংশ বিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা হয়েছে। এ নিয়ে নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অসম্পূর্ণ ভবনে এখন অসামাজিক কার্যকলাপের পাশাপাশি মাদকসেবীদের আখড়া গড়ে উঠেছে।

চরকলনী এলাকার বাসিন্দা ছগির হোসেন টিটু বলেন, অর্ধনির্মিত কমপ্লেক্স ভবনটি অরক্ষিত থাকার কারণে মাদকসেবীদের আড্ডা বসছে। ভবনটি পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পুরোপুরি নির্মাণ শেষ করে চালুর কোনো উদ্যোগ নেই।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এসব প্রকল্প জনস্বার্থে নয়, বরং ব্যক্তিস্বার্থে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই না করেই প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অনিয়ম ও দুর্নীতি, ফলে প্রকল্পগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুরাদ খান বলেন, ‘সরকারি অর্থ অপচয়ের এই নজির প্রশাসনিক দুর্বলতার প্রতিফলন।’ বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মো. সালেহ বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম না হলে আজ জনগণ এর সুফল ভোগ করত।

জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি মনির হোসেন কামাল বলেন, ‘অপরিকল্পিত প্রকল্প ও লোপাটের দায় সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে। জড়িতদের আনতে হবে আইনের আওতায়।’

বরগুনার পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. নুরুল আমিন বলেন, ‘অপরিকল্পিত এই প্রকল্প তিনটি লুটপাটের কারণে এমন অবস্থায় পরিণত হয়েছে। বর্তমান পৌর কর্তৃপক্ষের বিষয়টি দুদকের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা উচিত এবং আইনগত পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

বরগুনা পৌরসভার প্রশাসক অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, ‘এই প্রকল্পের কোনো কাগজপত্র আমাদের কাছে নেই। প্রকল্পগুলো যে অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, সেটাও বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রকল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই এ বিষয়ে আমরা কোনো আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারছি না।’

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।