খুঁজুন
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

পিরোজপুরের নদীগুলোতে নেই ইলিশ

পিরোজপুর প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরের নদীগুলোতে নেই ইলিশ

ভরা মৌসুমেও পিরোজপুরের নদীগুলোতে দেখা মিলছে না ইলিশের, হতাশায় দিন কাটছে জেলেদের। জেলেরা বলছেন, ঝাটকা ও অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরার কারণে ইলিশ শূন্য হয়ে পড়েছে নদীগুলো। সঠিকভাবে যদি জাটকা রক্ষা করা না যায় আগামীতে ইলিশের ঐতিহ্য হারাবে এই জেলা।

পিরোজপুরের প্রধান বড় নদী কালীগঙ্গা, কচা, বলেশ্বর আর সন্ধ্যা দূর থেকে দেখলে মনে হবে সারি সারি নৌকা নিয়ে জেলেরা ইলিশ আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন, ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে কচা ও কালীগঙ্গার সুস্বাদু ইলিশ কিন্তু জেলেদের কাছে গেলেই ফুটে উঠে বাস্তব চিত্র।

দুই-তিন দিন ধরে জেলেরা জাল ফেললেও দেখা মিলছে না প্রত্যাশিত ইলিশের। মাঝেমধ্যে দু-একটা ইলিশের দেখা মিললেও আকারে খুবই ছোট হওয়ায় জেলেদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। জীবিকা নির্বাহের জন্য কাঙ্ক্ষিত ইলিশের আশায় জাল ফেললেও হতাশা নিয়েই বাড়ি ফেরেন জেলেরা। দক্ষিণের জেলা পিরোজপুরে কচা, কালীগঙ্গা, বলেশ্বর, সন্ধ্যাসহ বেশ কয়েকটি নদী রয়েছে।

বছর কয়েক আগেও এই নদীগুলোতেই ধরা পড়ত ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ কিন্তু বর্তমানে জেলেদের জালে দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের। সম্প্রতি পিরোজপুরের কালীগঙ্গা ও কচা নদীর মোহনায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলেরা ইলিশ আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন, কিন্তু দীর্ঘ সময় জাল ফেলে ইলিশের আশায় নির্দিষ্ট সময় পরে জাল উঠালেও দেখা পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের।

কয়েকজন জেলের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরে এভাবেই জাল ফেলছেন জেলেরা কিন্তু তাদের জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। হতাশায় দিন কাটছে তাদের।

এদিকে দু-একজন কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে বলেন, পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। তার ওপরে আছে আবার এনজিওর কিস্তির চাপ। কিছু জেলেরা অবৈধভাবে মাছ ধরায় নদীতে এখন ইলিশ কমে গিয়েছে। তবে মৎস্য কর্তৃপক্ষ যদি সঠিক উদ্যোগ নেয় তাহলে আবার নদীতে মাছ পাওয়া যাবে। পিরোজপুরের ইলিশের বাজার খ্যাত বেকুটিয়া সেতুর দুই প্রান্তে বিকেল হলেই বসে ইলিশের বাজার।

পিরোজপুরের স্থানীয়রাসহ খুলনা-বরিশালগামী যাত্রীরা ইলিশের বাজার দেখে লোভ সামলাতে না পেরে ক্রয় করে থাকেন ইলিশ। বর্তমানে পিরোজপুরের নদীগুলো ইলিশশূন্য হওয়ার কারণে এ বাজারেও দেখা মেলে না ইলিশের। ক্রেতারা ইলিশ কিনতে এসে প্রায়ই ফিরে যান শূন্য হাতে। এই বাজারে কিছু ইলিশ পাওয়া গেলেও দাম আকাশচুম্বী। ১ থেকে দেড় কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হয় ২৬০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩২০০ টাকা পর্যন্ত। ৫০০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় ১৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ২৪০০ টাকা পর্যন্ত। যা কিনা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। নদীতে পর্যাপ্ত ইলিশ না থাকায় এবং অতিরিক্ত দামের কারণে ইলিশের স্বাদ নিতে পারছে না এ জেলার মানুষেরা। সঠিকভাবে জাটকা সংরক্ষণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং ইলিশের অতিরিক্ত দাম নেওয়ার কারণ খতিয়ে দেখার দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা বলছে, অবৈধ জাল এবং জাটকা মাছ ধরার কারণে ইলিশ শূন্য হয়ে পড়েছে এ জেলার নদীগুলো। জেলা মৎস্য বিভাগ ইলিশ সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়ে থাকে তা যথেষ্ট নয়। কয়েক বছর আগেও যে পরিমাণ মাছ জালে ধরা পড়তো এখন তার দেখা মিলে না। সারাদিন জাল ফেলেও দেখা মিলছে না ইলিশের। বাজারে কিছু ইলিশ পাওয়া গেলেও দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়-ক্ষমতার বাইরে। শুধু দামের কারণেই এই জেলার অধিকাংশ মানুষ ইলিশের স্বাদ থেকে দূরে রয়েছে।

কচা নদীতে ইলিশ ধরতে আসা মহারাজ হাওলাদার বলেন, আগে আমরা অনেক মাছ পেতাম, কয়েক বছর হলো আগের মতো মাছ পাই না। মাছ না পাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে বাধা জাল, চরগড়া, কারেন্ট জালসহ বিভিন্ন অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরার কারণে বর্তমানে ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, সারাদিন জাল বেয়ে মাছ না পেয়ে বাড়ি ফিরতে হয়। প্রায়ই পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। এর উপরে আবার এনজিওর কিস্তি। ঘর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া এখন কোনো উপায় নেই। জাটকা সংরক্ষণে সরকার কঠিন পদক্ষেপ না নিলে এই নদীতে আর মাছ হবে না।

পিরোজপুরের বেকুটিয়া ইলিশ বাজারে ইলিশ কিনতে এসেছেন সাজ্জাদুর রহমান তিনি বলেন, ভেবেছিলাম এবছর ভালো ইলিশ পাওয়া যাবে এবং দামটা নাগালের মধ্যেই থাকবে কিন্তু সেরকমটা হয়নি। একে তো ইলিশ বাজারে কম তার উপরে গত বছরের তুলনায় দাম অনেক বেশি। গত বছর যে মাছ ১০০০ টাকায় কিনেছি এবছর একই ওজনের মাছ কেজি প্রতি ৬ থেকে ৭০০ টাকা বেশি। যা সাধারণ মানুষের কয় ক্ষমতার বাইরে।

বেকুটিয়া ইলিশ বাজারের ইলিশ বিক্রেতা আলামিন ইসলাম বলেন, ভরা মৌসুমেও জেলেরা ইলিশ পাচ্ছে না। যাও দু একটি ওঠে আকারে ছোট। মাঝেমধ্যে কয়েকটি মাছ পাওয়া যায় তাও তো সামান্য। গতবছর এই সময়ে যে পরিমাণ মাছ দেখেছি এ বছর তা দেখছি না। তাই দামটাও একটু বেশি।

পিরোজপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জীব সন্নামত বলেন, পূর্বে পিরোজপুরের নদনদীগুলোতে নাব্যতা সংকট ছিল না, এ কারণে পর্যাপ্ত ইলিশের দেখা মিলতো। বর্তমানে নদীগুলোতে নাব্যতা সংকট ডুবোচর দেখা দিয়েছে এ কারণেই ইলিশের দেখা মিলছে না নদীগুলোতে। তবে জেলা মৎস্য বিভাগ ডুবোচরগুলোর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। ড্রেজিং এর এর মাধ্যমে নাব্যতা সংকট দূর হলে আবারও দেখা মিলবে ইলিশের। এছাড়াও বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে জাটকা সংরক্ষণ ও অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরা নির্মূল কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।