খুঁজুন
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

অবৈধভাবে মেইন লাইনের তার কেটে সংযোগ দিলো ওজোপাডিকো

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:১২ অপরাহ্ণ
অবৈধভাবে মেইন লাইনের তার কেটে সংযোগ দিলো ওজোপাডিকো

বরিশালে ওজোপাডিকো’র বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মেইন লাইনের তার কেটে সংযোগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (বিক্রয় ও বিতরণ) বিভাগ-২ এর একজন ইলেকট্রিশিয়ানের সহযোগিতায় মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে দুই পুলের মাঝ থেকে মূল তার কেটে সংযোগ দেওয়া হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবী দুটি বৈদ্যুতিক খুটি গেড়ে কে বা কারা অবৈধভাবে এই চোরা সংযোগ দিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল নগরীর শফির গ্যারেজ সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষক মনিরুল ইসলাম হাওলাদারের দ্বিতল ভবনে অবৈধ সংযোগের উদ্দেশ্যে পরপর দুটি বিদ্যুৎ খুঁটি বসানো হয়েছে। পরে বিদ্যুতের মূল লাইনের কাভার (প্লাস্টিক) তার কেটে সেই ভবনে সংযোগ নেওয়া হয়। শিক্ষক মনিরুল ইসলাম বলেন আমি আবেদন করে বৈদ্যুতিক সংযোগটি এনেছি। অনিয়ম দুর্নীতি করলে হয়তো তারা করেছে।

গত সোমবার (৬ অক্টোবর) ইলেকট্রিশিয়ান মো. রেজাউল করিম ওই সংযোগ দেন। পরে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মঞ্জুরুল ইসলাম সেটি বিচ্ছিন্ন করলেও কোনো আইনি ব্যবস্থা নেননি।

অভিযোগ রয়েছে, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সুব্রত মালাকারের মাধ্যমে পরবর্তীতে রেজাউল করিম সংযোগটি পুনরায় চালু করেন। জানা যায়, শিক্ষক মনিরুল ইসলামের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে রেজাউল করিমের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য। দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত না থেকেও বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার রিডিং ও মেইনটেন্যান্সসহ নানা কাজে জড়িত। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরও দিচ্ছেন না ঠিকমতো। বরং নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়িয়ে মক্কেল সংগ্রহ করে নিয়মবহির্ভূতভাবে সংযোগ দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

৫ আগস্টের পর তাকে বদলি করা হলেও তদবিরের মাধ্যমে তিনি পুনরায় বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র–২ এ যোগ দেন। তারা এই অনিয়মে সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন শ্যালক অন্তর। শ্যালকের নিয়োগের বৈধতা নেই ঐ দপ্তরে। এরপরও দ্বাপিয়ে বেড়াচ্ছে পুরো নগরী।

ইলেকট্রিশিয়ান রেজাউল করিম ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মালাকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই। তারা এ ঘটনার সাথে জড়িত নন।

ওজোপাডিকোর বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র–২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, “রেজাউল করিম লাইনের কাজ করেন। তার নিয়মিত হাজিরা আছে কি না সেটা নিয়ে আপনার (সাংবাদিক) মাথা ব্যথা কেন? জনবল সংকট থাকায় তাকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। দুই পুলের মাঝ দিয়ে অবৈধ সংযোগ স্থাপনের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এটি চোরা লাইন। যারা এটি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “সুব্রত মালাকার ও রেজাউল করিম এই ঘটনায় জড়িত নয়। তবে যদি তদন্তে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে ওজোপাডিকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জাকিরুজ্জামান বলেন, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় বিদ্যুৎ বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে অবৈধ সংযোগ দিয়ে আসছেন। এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, আর ভোক্তারা ঝুঁকিপূর্ণ সংযোগের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন।

 

 

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।