খুঁজুন
শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২

পিরোজপুরের নদীগুলোতে নেই ইলিশ

পিরোজপুর প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরের নদীগুলোতে নেই ইলিশ

ভরা মৌসুমেও পিরোজপুরের নদীগুলোতে দেখা মিলছে না ইলিশের, হতাশায় দিন কাটছে জেলেদের। জেলেরা বলছেন, ঝাটকা ও অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরার কারণে ইলিশ শূন্য হয়ে পড়েছে নদীগুলো। সঠিকভাবে যদি জাটকা রক্ষা করা না যায় আগামীতে ইলিশের ঐতিহ্য হারাবে এই জেলা।

পিরোজপুরের প্রধান বড় নদী কালীগঙ্গা, কচা, বলেশ্বর আর সন্ধ্যা দূর থেকে দেখলে মনে হবে সারি সারি নৌকা নিয়ে জেলেরা ইলিশ আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন, ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে কচা ও কালীগঙ্গার সুস্বাদু ইলিশ কিন্তু জেলেদের কাছে গেলেই ফুটে উঠে বাস্তব চিত্র।

দুই-তিন দিন ধরে জেলেরা জাল ফেললেও দেখা মিলছে না প্রত্যাশিত ইলিশের। মাঝেমধ্যে দু-একটা ইলিশের দেখা মিললেও আকারে খুবই ছোট হওয়ায় জেলেদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। জীবিকা নির্বাহের জন্য কাঙ্ক্ষিত ইলিশের আশায় জাল ফেললেও হতাশা নিয়েই বাড়ি ফেরেন জেলেরা। দক্ষিণের জেলা পিরোজপুরে কচা, কালীগঙ্গা, বলেশ্বর, সন্ধ্যাসহ বেশ কয়েকটি নদী রয়েছে।

বছর কয়েক আগেও এই নদীগুলোতেই ধরা পড়ত ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ কিন্তু বর্তমানে জেলেদের জালে দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের। সম্প্রতি পিরোজপুরের কালীগঙ্গা ও কচা নদীর মোহনায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলেরা ইলিশ আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন, কিন্তু দীর্ঘ সময় জাল ফেলে ইলিশের আশায় নির্দিষ্ট সময় পরে জাল উঠালেও দেখা পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের।

কয়েকজন জেলের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরে এভাবেই জাল ফেলছেন জেলেরা কিন্তু তাদের জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। হতাশায় দিন কাটছে তাদের।

এদিকে দু-একজন কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে বলেন, পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। তার ওপরে আছে আবার এনজিওর কিস্তির চাপ। কিছু জেলেরা অবৈধভাবে মাছ ধরায় নদীতে এখন ইলিশ কমে গিয়েছে। তবে মৎস্য কর্তৃপক্ষ যদি সঠিক উদ্যোগ নেয় তাহলে আবার নদীতে মাছ পাওয়া যাবে। পিরোজপুরের ইলিশের বাজার খ্যাত বেকুটিয়া সেতুর দুই প্রান্তে বিকেল হলেই বসে ইলিশের বাজার।

পিরোজপুরের স্থানীয়রাসহ খুলনা-বরিশালগামী যাত্রীরা ইলিশের বাজার দেখে লোভ সামলাতে না পেরে ক্রয় করে থাকেন ইলিশ। বর্তমানে পিরোজপুরের নদীগুলো ইলিশশূন্য হওয়ার কারণে এ বাজারেও দেখা মেলে না ইলিশের। ক্রেতারা ইলিশ কিনতে এসে প্রায়ই ফিরে যান শূন্য হাতে। এই বাজারে কিছু ইলিশ পাওয়া গেলেও দাম আকাশচুম্বী। ১ থেকে দেড় কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হয় ২৬০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩২০০ টাকা পর্যন্ত। ৫০০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় ১৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ২৪০০ টাকা পর্যন্ত। যা কিনা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। নদীতে পর্যাপ্ত ইলিশ না থাকায় এবং অতিরিক্ত দামের কারণে ইলিশের স্বাদ নিতে পারছে না এ জেলার মানুষেরা। সঠিকভাবে জাটকা সংরক্ষণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং ইলিশের অতিরিক্ত দাম নেওয়ার কারণ খতিয়ে দেখার দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা বলছে, অবৈধ জাল এবং জাটকা মাছ ধরার কারণে ইলিশ শূন্য হয়ে পড়েছে এ জেলার নদীগুলো। জেলা মৎস্য বিভাগ ইলিশ সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়ে থাকে তা যথেষ্ট নয়। কয়েক বছর আগেও যে পরিমাণ মাছ জালে ধরা পড়তো এখন তার দেখা মিলে না। সারাদিন জাল ফেলেও দেখা মিলছে না ইলিশের। বাজারে কিছু ইলিশ পাওয়া গেলেও দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়-ক্ষমতার বাইরে। শুধু দামের কারণেই এই জেলার অধিকাংশ মানুষ ইলিশের স্বাদ থেকে দূরে রয়েছে।

কচা নদীতে ইলিশ ধরতে আসা মহারাজ হাওলাদার বলেন, আগে আমরা অনেক মাছ পেতাম, কয়েক বছর হলো আগের মতো মাছ পাই না। মাছ না পাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে বাধা জাল, চরগড়া, কারেন্ট জালসহ বিভিন্ন অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরার কারণে বর্তমানে ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, সারাদিন জাল বেয়ে মাছ না পেয়ে বাড়ি ফিরতে হয়। প্রায়ই পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। এর উপরে আবার এনজিওর কিস্তি। ঘর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া এখন কোনো উপায় নেই। জাটকা সংরক্ষণে সরকার কঠিন পদক্ষেপ না নিলে এই নদীতে আর মাছ হবে না।

পিরোজপুরের বেকুটিয়া ইলিশ বাজারে ইলিশ কিনতে এসেছেন সাজ্জাদুর রহমান তিনি বলেন, ভেবেছিলাম এবছর ভালো ইলিশ পাওয়া যাবে এবং দামটা নাগালের মধ্যেই থাকবে কিন্তু সেরকমটা হয়নি। একে তো ইলিশ বাজারে কম তার উপরে গত বছরের তুলনায় দাম অনেক বেশি। গত বছর যে মাছ ১০০০ টাকায় কিনেছি এবছর একই ওজনের মাছ কেজি প্রতি ৬ থেকে ৭০০ টাকা বেশি। যা সাধারণ মানুষের কয় ক্ষমতার বাইরে।

বেকুটিয়া ইলিশ বাজারের ইলিশ বিক্রেতা আলামিন ইসলাম বলেন, ভরা মৌসুমেও জেলেরা ইলিশ পাচ্ছে না। যাও দু একটি ওঠে আকারে ছোট। মাঝেমধ্যে কয়েকটি মাছ পাওয়া যায় তাও তো সামান্য। গতবছর এই সময়ে যে পরিমাণ মাছ দেখেছি এ বছর তা দেখছি না। তাই দামটাও একটু বেশি।

পিরোজপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জীব সন্নামত বলেন, পূর্বে পিরোজপুরের নদনদীগুলোতে নাব্যতা সংকট ছিল না, এ কারণে পর্যাপ্ত ইলিশের দেখা মিলতো। বর্তমানে নদীগুলোতে নাব্যতা সংকট ডুবোচর দেখা দিয়েছে এ কারণেই ইলিশের দেখা মিলছে না নদীগুলোতে। তবে জেলা মৎস্য বিভাগ ডুবোচরগুলোর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। ড্রেজিং এর এর মাধ্যমে নাব্যতা সংকট দূর হলে আবারও দেখা মিলবে ইলিশের। এছাড়াও বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে জাটকা সংরক্ষণ ও অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরা নির্মূল কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

যুবদল নেতার ‘গরু চুরির’ কথা ফেসবুকে বলায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
যুবদল নেতার ‘গরু চুরির’ কথা ফেসবুকে বলায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা

মো. ইদ্রিস। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মো. ইদ্রিস (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তির লাশ থানায় নিয়ে আসে তার স্বজনরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের যুবদলের অফিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

মৃত ইদ্রিস দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।

অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় তরকারি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং কমেন্ট করেন। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন। বেশ কিছুদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে তাকে জহিরসহ তার সহযোগীরা ডেকে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসার পর বাসায় নেয়। পরে সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি তার কাছে মাফ চাইতে এসেছিল। তবে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি।

কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটি জাইকার মাধ্যমে মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। জাপানের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। জাপান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ট্রাফিক সেফটি নিয়ে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কয়েকটি উপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে তার নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব পালনের জন্য অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টটি গতবছর শেষ হয়েছে। আমরা পুলিশ ও ডিএমপি’র সঙ্গে আরও কাজ করতে আগ্রহী।

চলতি বছর হলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর পূর্তি হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীর নিকট বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, আমরা জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাপানি নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, জাপানের পক্ষ থেকে যে কোনো অনুরোধ আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব (পলিটিক্যাল) কমিনি কেন, প্রথম সচিব (ইকোনমিক) মজিদা উতারও প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ক্ষেপণাস্ত্রের একাংশ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলীয় শহর পেতাহ তিকভায় আঘাত হেনেছে।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে যে, ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে, যার ফলে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

 

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল ব্যাপক বিমান হামলা

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, ওই এলাকায় হিজবুল্লাহ নেতাদের এক বৈঠক লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই চালানো এই অভিযানে ভবনগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির ফুটেজে ওই এলাকা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে।

ইরানের চারটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে, দাবি জর্ডানের

ইরান থেকে ছোঁড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জর্ডান।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, জর্ডান এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেরুজালেম সংলগ্ন এলাকায় ইরানের চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ঠেকানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই প্রতিহত করা হয়। এসব ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ওমানের সালালাহ বন্দরের কাছে ড্রোন বিধ্বস্ত

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানের সালালাহ বন্দরের কাছে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে।

ওমানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দেশটির নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সালালাহ বন্দরের কাছে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। ধোফার গভর্নরেটে আরও দুটি ড্রোন আটকে দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

হামলার উদ্দেশে ইরান থেকে ওই ড্রোন পাঠানো হয়েছে কিনা, তা উল্লেখ করা হয়নি ওমানের ওই সংবাদমাধ্যমে।

গত শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে