খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

ভেনেজুয়েলা ছাড়তে মার্কিন নাগরিকদের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের, ভয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
ভেনেজুয়েলা ছাড়তে মার্কিন নাগরিকদের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের, ভয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর

ভেনেজুয়েলায় থাকা মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে দেশটি ছাড়তে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক করার এক সপ্তাহ পর এমন আহ্বান এল। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, সশস্ত্র আধা সামরিক গোষ্ঠীগুলো মার্কিন নাগরিকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে—এমন খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার জারি করা এক নিরাপত্তা সতর্কতায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, সরকারপন্থী মিলিশিয়া ‘কোলেক্তিভোস’-এর সশস্ত্র সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করছে এবং গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। যাত্রীদের মধ্যে কেউ মার্কিন নাগরিক বা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থক কি না, তা খুঁজে দেখাই এসব তল্লাশির উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে দপ্তরটি।

নিরাপত্তা সতর্কতায় আরও বলা হয়, ভেনেজুয়েলায় থাকা মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে এবং সড়কপথে চলাচলের সময় বিশেষভাবে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ভেনেজুয়েলা থেকে কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট আবার চালু হওয়ায় নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত সপ্তাহে নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ভবিষ্যতে তিনি ভেনেজুয়েলা সফর করতে চান। তিনি দাবি করেন, কারাকাসে প্রাণঘাতী রাতের অভিযানে ভেনিজুয়েলার নেতৃত্ব অপসারণের পর যুক্তরাষ্ট্র কার্যত দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটি ‘চালাচ্ছে’। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মনে হয়, কোনো এক সময় পরিস্থিতি নিরাপদ হবে।’

তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই সতর্কতায় স্পষ্ট হয়েছে, গত সপ্তাহান্তে বিশেষ বাহিনীর অভিযানে বহু মানুষ নিহত হওয়ার পরও ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি এখনো কতটা অস্থির ও ঝুঁকিপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের তেল কোম্পানিগুলোকে ‘সম্পূর্ণ নিরাপত্তা’ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং সেখানে শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশটির তেল খাতে বিশাল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা গেলে তা ‘স্বল্প সময়ের মধ্যে লাভজনক’ হবে এবং মার্কিন তেলের বাজারেও লাভবান হওয়া যাবে।

ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তেল কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের বলেন, ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগ করলে তারা ‘সম্পূর্ণ নিরাপত্তা’ পাবে। তিনি বলেছেন, কোম্পানিগুলো নিজেদের অর্থ—মোটামুটি ১০০ বিলিয়ন ডলার—বিনিয়োগ করবে, রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে নয় এবং কাজের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাদের সহযোগিতা করবে।

তবে অনেক তেল সংস্থা বিনিয়োগ বিষয়ে সরাসরি প্রতিশ্রুতি দেয়নি। একাধিক শীর্ষ নির্বাহী জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলা ‘বিনিয়োগে অনুপযোগী’ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং সেখানে দীর্ঘ যৌক্তিক ও আইনি সংস্কার না হলে বড় বিনিয়োগ কঠিন।

এদিকে মাদুরো সরকারের বিরোধীরা অনেকেই তাঁর আটক ও যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও সরকারের পক্ষে থাকা সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে এটিকে ‘ঔপনিবেশিক আগ্রাসন’ হিসেবে নিন্দা করছেন।

ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন নিরাপত্তা সতর্কতার জবাবে এক বিবৃতিতে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা ‘মনগড়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ঝুঁকি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই’ করা হয়েছে এবং দেশটি ‘সম্পূর্ণ শান্ত, স্থিতিশীল ও নিরাপদ’ অবস্থায় আছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, জনবসতি, যোগাযোগপথ, চেকপোস্টসহ সব নিরাপত্তাব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং রাজ্যের অস্ত্র ও নিরাপত্তা সরকারি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ
ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

রানি বাহিনী তাদের সীমান্ত থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ফাদাভি।

ইরানের প্রেস টিভির বরাত দিয়ে আল-জাজিরা বলেছে, টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফাদাভি বলেছেন, ‘মার্কিনরা পালিয়ে গেছে এবং আমাদের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে সরে গেছে। তারা নিজেদের ইচ্ছায় সরে যায়নি; ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও আইআরজিসির স্থলবাহিনীর ক্ষমতার কারণেই তারা এটি করতে বাধ্য হয়েছে।

ফাদাভি আরও দাবি করেন, এই প্রথম পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি, ওমান সাগর এমনকি উত্তর ভারত মহাসাগরেও কোনো মার্কিন জাহাজ নেই। তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো আইআরজিসির হামলার শিকার হওয়ার ‘১০০ শতাংশ ঝুঁকিতে রয়েছে’।

ফাদাভির এই দাবি এমন সময়ে এল, যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোয় কঠোর নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ‘কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে’ জুলাই থেকে তারা ১২৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।