খুঁজুন
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩

ভেনেজুয়েলা ছাড়তে মার্কিন নাগরিকদের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের, ভয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
ভেনেজুয়েলা ছাড়তে মার্কিন নাগরিকদের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের, ভয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর

ভেনেজুয়েলায় থাকা মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে দেশটি ছাড়তে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক করার এক সপ্তাহ পর এমন আহ্বান এল। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, সশস্ত্র আধা সামরিক গোষ্ঠীগুলো মার্কিন নাগরিকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে—এমন খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার জারি করা এক নিরাপত্তা সতর্কতায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, সরকারপন্থী মিলিশিয়া ‘কোলেক্তিভোস’-এর সশস্ত্র সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করছে এবং গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। যাত্রীদের মধ্যে কেউ মার্কিন নাগরিক বা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থক কি না, তা খুঁজে দেখাই এসব তল্লাশির উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে দপ্তরটি।

নিরাপত্তা সতর্কতায় আরও বলা হয়, ভেনেজুয়েলায় থাকা মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে এবং সড়কপথে চলাচলের সময় বিশেষভাবে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ভেনেজুয়েলা থেকে কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট আবার চালু হওয়ায় নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত সপ্তাহে নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ভবিষ্যতে তিনি ভেনেজুয়েলা সফর করতে চান। তিনি দাবি করেন, কারাকাসে প্রাণঘাতী রাতের অভিযানে ভেনিজুয়েলার নেতৃত্ব অপসারণের পর যুক্তরাষ্ট্র কার্যত দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটি ‘চালাচ্ছে’। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মনে হয়, কোনো এক সময় পরিস্থিতি নিরাপদ হবে।’

তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই সতর্কতায় স্পষ্ট হয়েছে, গত সপ্তাহান্তে বিশেষ বাহিনীর অভিযানে বহু মানুষ নিহত হওয়ার পরও ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি এখনো কতটা অস্থির ও ঝুঁকিপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের তেল কোম্পানিগুলোকে ‘সম্পূর্ণ নিরাপত্তা’ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং সেখানে শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশটির তেল খাতে বিশাল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা গেলে তা ‘স্বল্প সময়ের মধ্যে লাভজনক’ হবে এবং মার্কিন তেলের বাজারেও লাভবান হওয়া যাবে।

ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তেল কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের বলেন, ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগ করলে তারা ‘সম্পূর্ণ নিরাপত্তা’ পাবে। তিনি বলেছেন, কোম্পানিগুলো নিজেদের অর্থ—মোটামুটি ১০০ বিলিয়ন ডলার—বিনিয়োগ করবে, রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে নয় এবং কাজের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাদের সহযোগিতা করবে।

তবে অনেক তেল সংস্থা বিনিয়োগ বিষয়ে সরাসরি প্রতিশ্রুতি দেয়নি। একাধিক শীর্ষ নির্বাহী জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলা ‘বিনিয়োগে অনুপযোগী’ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং সেখানে দীর্ঘ যৌক্তিক ও আইনি সংস্কার না হলে বড় বিনিয়োগ কঠিন।

এদিকে মাদুরো সরকারের বিরোধীরা অনেকেই তাঁর আটক ও যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও সরকারের পক্ষে থাকা সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে এটিকে ‘ঔপনিবেশিক আগ্রাসন’ হিসেবে নিন্দা করছেন।

ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন নিরাপত্তা সতর্কতার জবাবে এক বিবৃতিতে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা ‘মনগড়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ঝুঁকি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই’ করা হয়েছে এবং দেশটি ‘সম্পূর্ণ শান্ত, স্থিতিশীল ও নিরাপদ’ অবস্থায় আছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, জনবসতি, যোগাযোগপথ, চেকপোস্টসহ সব নিরাপত্তাব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং রাজ্যের অস্ত্র ও নিরাপত্তা সরকারি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।