খুঁজুন
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

লবণাক্ত জমি থেকে ‘সবজি রাজ্য’, সওদাগরপাড়ায় এখন কৃষির বিপ্লব

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৩২ অপরাহ্ণ
লবণাক্ত জমি থেকে ‘সবজি রাজ্য’, সওদাগরপাড়ায় এখন কৃষির বিপ্লব

স্টাফ রিপোর্টার : বরগুনার তালতলী উপজেলার সওদাগরপাড়া গ্রাম একসময় ছিল চরম লবণাক্ততার শিকার। নদী ও সাগরের সংস্পর্শে থাকা পাঁচ হাজার একরের বেশি জমিতে বছরে কেবল আমন ধানই হতো, বাকি সময় জমিগুলো পড়ে থাকতো অনাবাদি। কিন্তু আজ সেই ছবিটা বদলে গেছে। এখন ২৭৫ একর জমিতে বছরজুড়ে হয় সবজি চাষ। একে ঘিরে বদলে গেছে এলাকার কৃষি, জীবিকা ও অর্থনীতি। জন্ম নিচ্ছে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনাও।

‘কান্দি পদ্ধতি’ বদলে দিল সব
এই কৃষি বিপ্লবের নেপথ্যে আছেন গ্রামেরই একজন কৃষক, শাহাদাত হোসেন মাতুব্বর। তিনি উদ্ভাবন করেন বিশেষ এক চাষপদ্ধতি, যার স্থানীয় নাম ‘কান্দি’।

এই পদ্ধতিতে জমির চারপাশের মাটি কেটে মাঝখানে উঁচু বেড তৈরি করা হয়। এতে লবণাক্ততা কমে, আর বৃষ্টির পানি জমে সেচের কাজে লাগে। শাহাদাতের ভাষায়, বেড সমতল থেকে সাড়ে তিন ফুট উঁচু, তাই লবণ ছড়াতে পারে না। এখন বোরো ধানও হয়।

এই পদ্ধতির মাধ্যমে বর্তমানে শতাধিক কৃষক বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন। ধান ছাড়াও হচ্ছে পেঁপে, কলা, বেগুন, লাউ, সূর্যমুখীসহ বিভিন্ন সবজি ও ফলের চাষ।

ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে কৃষিতে সফল রাসেল
গ্রামেরই আরেক তরুণ ইমরান হোসেন রাসেল নিজের জীবনে বড় ঝুঁকি নিয়ে সফল হয়েছেন কৃষিতে। এক সময় ব্যাংকে চাকরি করতেন, পরে তৈরি পোশাক সরবরাহ ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসায় বড় ক্ষতির পর ফিরে আসেন নিজ গ্রামে।

পারিবারিক ২৪ একর জমিতে শুরু করেন মাছ ও সবজি চাষ। এখন তার বাৎসরিক আয় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা। রাসেল বলেন, পুকুরপাড়ের অব্যবহৃত জমিতে সবজি চাষ করছি। এটি সাপ্তাহিক আয়েও সাহায্য করছে। শাহাদাত হোসেনের সহযোগিতায় আরো আধুনিকভাবে কৃষিকে এগিয়ে নিচ্ছেন তিনি।

গ্রামে ফিরছে মানুষ, বাড়ছে আয়
শুধু রাসেল নন, অনেকেই শহর ছেড়ে ফিরছেন গ্রামে। যেমন, সামসুল হক যিনি ১০ বছর আগে কাজের সন্ধানে গিয়েছিলেন চট্টগ্রামে। এখন গ্রামে ফিরে বছরে প্রায় ছয় লাখ টাকা আয় করছেন সবজি চাষ থেকে। কলেজছাত্র বায়েজিদ লেখাপড়ার পাশাপাশি আড়াই বিঘা জমিতে সবজি চাষ করছেন। বছরে আয় করছেন চার লাখ টাকা। নারীরাও যুক্ত হচ্ছেন চাষাবাদে। ফলে শুধু কৃষিই নয়, পুরো গ্রামে তৈরি হচ্ছে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ। স্থানীয় কৃষক মিজান পঞ্চায়েত বলেন, আগে বিকল্প কাজের জন্য শহরে যেতাম, এখন আর যেতে হয় না। গ্রামের মধ্যেই বছরে চার-পাঁচ লাখ টাকা আয় করছি।

কৃষি ও পর্যটনের সমন্বয়
তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মো. ইলিয়াস জানান, বর্তমানে সওদাগরপাড়ায় ২৭৫ একর জমিতে কান্দি পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন হচ্ছে। প্রায় ২০০ কৃষক এই কাজে যুক্ত। বছরে প্রায় ১০০ মণ সবজি উৎপাদিত হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় আট কোটি টাকা। এলাকার এই সাফল্য পর্যটনেরও দরজা খুলে দিচ্ছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, শহর থেকে মানুষ আসছে খেত দেখতে, ছবি তুলছে, সন্তানদের প্রকৃতির কাছে নিয়ে আসছে। কৃষক টুটুল মিয়া বলেন, শহরের মানুষ আসছে, খেত ঘুরছে। চাই এটার প্রসার হোক।

জল তরণী পর্যটন সংস্থার পরিচালক আরিফুর রহমান বলেন, ‘এটা এক ধরনের অ্যাগ্রো-ট্যুরিজম। উপকূলের লোনা জমিতে কৃষি ও পর্যটনের সংযোগ এখনো নতুন বিষয়। কিন্তু এটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে চাইলে এখনই প্রয়োজন স্থানীয় সরকার ও জেলা পর্যটন বিভাগের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। গেস্ট হাউস, নৌকা ভ্রমণ, পর্যটক সুবিধা থাকলে এটি জেলাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।