খুঁজুন
বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২

ভোলায় স্পিডবোটে বাড়তি ভাড়া আদায়, বিআইডব্লিউটিএর অভিযান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
ভোলায় স্পিডবোটে বাড়তি ভাড়া আদায়, বিআইডব্লিউটিএর অভিযান

ভোলা প্রতিনিধি : বরিশাল থেকে লঞ্চে করে ভোলায় নিয়মিত যাওয়া আসা করেন মো. তাওহীদ ও সুলতান আহম্মেদ। তাদের অভিযোগ, নৌপথে অসাধু স্পিডবোট মালিকরা যাত্রীদের জিম্মি করে দীর্ঘবছর ধরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেন। একই অভিযোগ যাত্রী আবুল কালাম ও ডা.মাহবুব আলমের।

তারা বলেন, অসাধু স্পিডবোট মালিকচক্র ও ইজারাদাররা সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে ভোলা-বরিশাল ও ভোলা-লাহার হাট নৌরুটে অস্বাভাবিক ভাড়া আদায় করছে।

যাত্রীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভোলায় এসব স্পিডবোট মালিক ও লঞ্চঘাটে ইজারাদারের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

জানা গেছে, ভোলা-বরিশাল ও ভোলা-লাহার হাট নৌপথে অসাধু স্পিডবোট মালিকরা যাত্রীদের জিম্মি করে দীর্ঘবছর ধরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতো। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ক্ষমতাকালে মনগড়া এসব ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে পারতেন না। এমনকি সরকারিভাবেও প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কিন্তু এসব চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এবার মাঠে নেমেছে সরকারি সংস্থাটি।

সরেজমিনে কথা হয় ভোলার ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে। তারা জানান, বিগত আওয়ামী স্বৈরশাসনামলে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকীবের কব্জায় ছিল সেখানকার লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটগুলো।

নকীবের একক আধিপত্য আর নির্দেশনায় ভোলা-বরিশাল, ভোলা-লাহারহাট নৌরুটে স্পিডবোটগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতো। তখন জোড়ের মুল্লুকে প্রতিবাদের কেউ ছিল না। কিন্তু পুরোনো সেই নৈরাজ্য আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এখন নতুন মোড়কে শুরু করেছে দুর্বৃত্তচক্র।

এমন পরিস্থিতিতে যাত্রী হয়রানি, অধিক ভাড়া আদায় এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিআইডব্লিউটিএ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করায় ভেদুরিয়া ঘাটের দুর্বৃত্তরা নড়েচড়ে বসেছে।

সম্প্রতি ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে অভিযান চালিয়ে নৌবাহিনী ইজারাদারের নিয়োজিত দুই চাঁদাবাজকে আটক করেছে বলেও জানান তারা। বিআইডব্লিউটিএর এমন উদ্যোগে তারা সন্তষ্টি প্রকাশ করেছেন।

ভোলার বিআইডব্লিউটিএ’র বন্দর কর্মকর্তা রিয়াদ হোসেন বাসসকে জানান, গত ২৮ এপ্রিল থেকে ভেদুরিয়া-বরিশাল নৌপথে সরকার নির্ধারিত স্পিডবোট ভাড়া জনপ্রতি ৩শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভেদুরিয়া-লাহারহাট নৌপথে একই গেজেট মূল্যে ১৫০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

আগে ইজারাদাররা (ভেদুরিয়া ঘাট) বার্নিং চার্জ সরকারি ৭৫ টাকার স্থলে ১৩ শ টাকা গ্রহণ করতো। কিন্তু সরকারের নির্ধারিত ভাড়া ঢালু হওয়ায় ৬শ টাকা গ্রহণ করছে তারা। এ পরিস্থিতিতে তারা তাদের ঘনিষ্ঠ স্পিডবোট মালিকদের ১/২ জন অতিরিক্ত যাত্রী বহনে উৎসাহিত করে। ফলে ৩ থেকে ৬ শ টাকা অতিরিক্ত অর্জিত হয়।

কিন্তু সার্ভে সনদে ৪০ হর্স পাওয়ার ইঞ্জিনের বোটে ৮ জন যাত্রী এবং ৫৫ হর্স পাওয়ার ইঞ্জিনের বোটে ১০ জন যাত্রী ধারণ ক্ষমতা থাকে। ইজারাদাররা ৪০ হর্স পাওয়ার ইঞ্জিনের বোটে ৯/১০জন যাত্রী নিয়ে যাতায়াত চালু করেন। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার শুরু করে।

বন্দর কর্মকর্তা তাদের রুট পারমিটে কোনো ধরনের খরচা নেই মর্মে বার বার বিয়ষটি নিশ্চিত করলেও তারা তাদের অপকর্ম থেকে বিরত থাকছে না। ফলে বিআইডব্লিউটিএ এসব অন্যায় তৎপরতার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান ভোলা নৌ-বন্দরের এ কর্মকর্তা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভেদুরিয়া ঘাট ইজারাদার আব্দুর রহমান গংরা বার্নিং চার্জ ৭৫ টাকার স্থলে ৬শ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা গ্রহণ করে থাকে। আইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী এ বিষয়ে সোচ্চার হলে তারা ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বিষয়টি পুনরায় বন্দর কর্মকর্তার ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে।

এছাড়া ইজারাদার ঘাটে প্রবেশে সরকারি মূল্য ৫ টাকার স্থলে ১০ টাকা গ্রহণসহ হাতে বহনযোগ্য মালামাল থেকে যাত্রীপ্রতি ৫শ’ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত জোড়পূর্বক আদায় করে থাকেন।

সূত্র মতে, এই ইজারাদারের কাছ থেকে গত ২৭ জুলাই সরকার নির্ধারিত গাড়ী পার্কিং ইয়ার্ড ও অতিরিক্ত চার্জ গ্রহণ করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

বর্তমানে ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট ঘাটে ইজারাদার ও স্পিডবোট মালিকপক্ষ তাদের দাবি দাওয়া আদায়ে ভোলা-বরিশাল নৌরুটে গত ৪/৫ দিন ধরে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রেখেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ঘাট ইজারাদার আব্দুর রহমান ও সংশ্লিষ্ট স্পিডবোট মালিকরা জানিয়েছে, আমাদের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ মিথ্যা ও অবান্তর।

 

যুবদল নেতার ‘গরু চুরির’ কথা ফেসবুকে বলায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
যুবদল নেতার ‘গরু চুরির’ কথা ফেসবুকে বলায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা

মো. ইদ্রিস। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মো. ইদ্রিস (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তির লাশ থানায় নিয়ে আসে তার স্বজনরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের যুবদলের অফিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

মৃত ইদ্রিস দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।

অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় তরকারি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং কমেন্ট করেন। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন। বেশ কিছুদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে তাকে জহিরসহ তার সহযোগীরা ডেকে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসার পর বাসায় নেয়। পরে সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি তার কাছে মাফ চাইতে এসেছিল। তবে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি।

কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটি জাইকার মাধ্যমে মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। জাপানের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। জাপান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ট্রাফিক সেফটি নিয়ে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কয়েকটি উপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে তার নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব পালনের জন্য অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টটি গতবছর শেষ হয়েছে। আমরা পুলিশ ও ডিএমপি’র সঙ্গে আরও কাজ করতে আগ্রহী।

চলতি বছর হলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর পূর্তি হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীর নিকট বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, আমরা জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাপানি নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, জাপানের পক্ষ থেকে যে কোনো অনুরোধ আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব (পলিটিক্যাল) কমিনি কেন, প্রথম সচিব (ইকোনমিক) মজিদা উতারও প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ক্ষেপণাস্ত্রের একাংশ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলীয় শহর পেতাহ তিকভায় আঘাত হেনেছে।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে যে, ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে, যার ফলে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

 

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল ব্যাপক বিমান হামলা

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, ওই এলাকায় হিজবুল্লাহ নেতাদের এক বৈঠক লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই চালানো এই অভিযানে ভবনগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির ফুটেজে ওই এলাকা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে।

ইরানের চারটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে, দাবি জর্ডানের

ইরান থেকে ছোঁড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জর্ডান।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, জর্ডান এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেরুজালেম সংলগ্ন এলাকায় ইরানের চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ঠেকানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই প্রতিহত করা হয়। এসব ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ওমানের সালালাহ বন্দরের কাছে ড্রোন বিধ্বস্ত

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানের সালালাহ বন্দরের কাছে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে।

ওমানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দেশটির নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সালালাহ বন্দরের কাছে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। ধোফার গভর্নরেটে আরও দুটি ড্রোন আটকে দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

হামলার উদ্দেশে ইরান থেকে ওই ড্রোন পাঠানো হয়েছে কিনা, তা উল্লেখ করা হয়নি ওমানের ওই সংবাদমাধ্যমে।

গত শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে