খুঁজুন
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯ কার্তিক, ১৪৩৩

৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই একাট্টা বরিশাল বিএনপি, সরোয়ারের পক্ষে মাঠে নেতাকর্মীরা

সৈয়দ বাবু :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই একাট্টা বরিশাল বিএনপি, সরোয়ারের পক্ষে মাঠে নেতাকর্মীরা

নানান জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চমক দেখালেন মুজিবুর রহমান সরোয়ার। দলীয় মনোনয়ন পেয়েই ৪৮ঘন্টার মধ্যে বরিশাল বিএনপির দীর্ঘ্য বছরের অভ্যান্তরীন কোন্দল ভেঙ্গে সকল নেতাকে একই ফ্রেমে বন্দি করলেন তিনি। যার ফলে বরিশাল বিএনপিতে নতুন করে প্রাণ ফিরেছে। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক দ্বন্দ্ব ও নেতৃত্বসংক্রান্ত কোন্দল কাটিয়ে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক মেয়র মুজিবুর রহমান সরোয়ার। তার মনোনয়নের পর বরিশাল বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভাজন অনেকটাই শিথিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতারা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, নেতৃত্ব বাছাইয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির “বারোমিটার” খ্যাত বরিশাল মহানগর বিএনপির রাজনীতিতে মুজিবুর রহমান সরোয়ার দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। ২০০২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে তিনি নগর উন্নয়নে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন, যার মধ্যে সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার ও শহরের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ ছিল উল্লেখযোগ্য।

রাজনীতির মাঠে সরোয়ার সবসময়ই সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বরিশাল সদর আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। সেই সময়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন তিনি। দলের সংকটকালেও তিনি কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন, যা তার প্রতি দলের আস্থাকে আরও দৃঢ় করেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মুজিবুর রহমান সরোয়ার বরিশালে নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন। গ্রেফতার, মামলা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যেও তিনি কর্মীদের মাঠে রাখার রেখেছেন। তার এই ধারাবাহিক সক্রিয়তার কারণেই কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডে তার নাম নিয়ে ঐকমত্য গড়ে ওঠে। বিদ্রোহের স্থলে ঐক্যের সুরে এক হয়েছেন বাকি সব মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। তৃণমূলের মতে ঐক্যের কঠিন পথটি পাড়ি দেয়ার মাঝি ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিগত সবকটি নির্বাচনেই – বিএনপিকে প্রতিদ্বন্দ্বি দলের চেয়ে নিজের দলের বিদ্রোহকে মোকাবেলা করতে হয়েছে বেশিরভাগ সময়। কখনও নাসিম বিশ্বাসের সাথে সরোয়ার, কখনও সরোয়ারের সাথে আহসান হাবিব কামাল বা এবায়েদুল হক চান। আর এবার ছিল পরিস্থিতি আরও সংকটজনক। বিএনপিতে মনোনয়ন চেয়ে বসলেন ৭জন।

কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, কেন্দ্রীয় সদস্য আবু নাসের মোঃ রহমতউল্লাহ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড, আবুল কালাম শাহীন, মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামন ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার, যুগ্ম আহবায়ক আফরোজা খানম নাসরিণ, বিএনপি নতো আলী হায়দার বাবুল। প্রথমে লিফলেট বিতরণ দিয়ে শুরু এরপর নগরীতে পোষ্টার ছেড়ে এদের অনেকে নিজের প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। আর রহমতউল্লাহতো ৬ মাস আগ থেকেই সভা সমাবেশ আগের নির্বাচনে এক প্রার্থীর পিছনে অনেক নেতা ছিলেন, তারা কমিটি রেজুলেশন নিয়ে ঢাকায় কেন্দ্রে হাজির হতেন। নেতার পক্ষে মনোনয়ন দাবি করতেন। এবার কোন নেতা কারো পক্ষে সমর্থন দেননি। সবাই নিজের মনোনয়ন নিয়ে দৌড়ঝাপ করেছেন। কোন্দল থামাতে এবার কঠোর হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বরিশাল বিএনপির কোন্দল নিরসনে তিনি প্রথমে দায়িত্ব দেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে। তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশিদের সাথে একাধিকবার বৈঠক করেন। এরপর তারেক রহমান নিজে উদ্যোগি হন। মনোনয়ন প্রত্যাসীদের কঠোর বার্তা দেন। সতর্ক করেন বিএনপি বিরোধী একাধিক শক্তির মাথাচাড়া দেয়ার বিষয়টি।

এরপরই আস্তে আস্তে কোন্দল স্তমিত হতে থাকে। প্রথমে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার ঘোষণা দেন- তিনি প্রার্থী নন। কেন্দ্র যাকে মনোণযন দেবে তার পক্ষেই কাজ করবেন। অন্য সবাই ঘোষণা না দিলেও নিশ্চুপ হয়ে যান। সোমবার রাতে যখন প্রত্যাশিতভাবেই চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য মজিবর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয় তখর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ্যাড. আবুল কালাম শাহীন, কেন্দ্রীয় সদস্য আবু নাসের মোঃ রহমতউল্লাহ সরোয়ারকে অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে বিবৃতি দেন। মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদকও তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে প্রেস রিলিজ দেন। জেলা ও মহানগর শ্রমিকদলও সরোয়ারের মনোনয়নকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। ফলে বরিশাল বিএনপিতে যে কোন্দলের আশংকা করা হচ্ছিল তা হয়নি।

বরিশাল বিএনপি এখন মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে রয়েছে বলে স্পষ্ট হয়েছে। তৃণমূল কর্মীরা রাত থেকেই নেমে পরেছেন সরোয়ার পক্ষে। বিএনপি তেদা মহানগরের সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবির বলেন, বরিশাল-৫ আসনটি এবার অনেক গুরুত্বপুর্ন। ইসলামী আন্দোলনের মূল ঘাটি এখানে। সেই সাথে জামায়াতে ইসলামীর শক্ত প্রার্থী রয়েছে। এর ঐক্য হলে এ আসটিতে জোড় লড়াই হবে। সেক্ষেত্রে এখানে নতুন প্রার্থী দিলে আসনটি হারাতে হতে পারত। সরোয়ারই এ আসনের এজন অভিজ্ঞ এবং সর্বজন সমাদৃত প্রার্থী বলে তিনি মনে করেন। বিএনপি নেতা আনেয়ারুল হক তারিন বলেন, দীর্ঘ চারবারের সংসদ সদস্য, মেয়র, জেলামন্ত্রী হিসবে সরোয়ারের নিজশ্ব একটা বড সমর্থক গোষ্টি আছে। এর সাথে যদি জেলা ও মহানগর বিএনপি নিঃস্বার্থভাবে সরোয়ারের পাশে থাকে তবে বিএনপির জয় এবারও নিশ্চিত। দলীয় নেতারা বলছেন, সরোয়ারের নেতৃত্বে এখন বরিশাল বিএনপি নতুন উদ্যমে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনী সভা, কর্মী বৈঠক ও যোগাযোগ জোরদারের কাজ শুরু হয়েছে। একজন তৃণমূল নেতা বলেন, “সরোয়ার ভাইয়ের নেতৃত্বে আমরা আবার সংগঠিত হচ্ছি। অনেকদিন পর বরিশালে বিএনপির মধ্যে ঐক্যের সুর বেজেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতিতে বরিশালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভৌগোলিক অবস্থান ও ভোটার কাঠামোর কারণে বরিশালকে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির “বারোমিটার” বলা হয়। এখানকার ভোটের প্রবণতা প্রায়ই আশপাশের জেলা ও পুরো অঞ্চলের নির্বাচনী হাওয়াকে প্রভাবিত করে। ঐতিহাসিকভাবে বরিশাল বিএনপির একটি শক্ত ঘাঁটি ছিল। ফলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বরিশালের ফলাফলকে রাজনৈতিক দলগুলো কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, মুজিবুর রহমান সরোয়ার একজন অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে বরিশাল বিএনপিকে পুনরায় মাঠে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবেন।

তবে স্থানীয় নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিরোধ সম্পূর্ণ মিটিয়ে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখা এখন তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ
ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

রানি বাহিনী তাদের সীমান্ত থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ফাদাভি।

ইরানের প্রেস টিভির বরাত দিয়ে আল-জাজিরা বলেছে, টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফাদাভি বলেছেন, ‘মার্কিনরা পালিয়ে গেছে এবং আমাদের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে সরে গেছে। তারা নিজেদের ইচ্ছায় সরে যায়নি; ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও আইআরজিসির স্থলবাহিনীর ক্ষমতার কারণেই তারা এটি করতে বাধ্য হয়েছে।

ফাদাভি আরও দাবি করেন, এই প্রথম পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি, ওমান সাগর এমনকি উত্তর ভারত মহাসাগরেও কোনো মার্কিন জাহাজ নেই। তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো আইআরজিসির হামলার শিকার হওয়ার ‘১০০ শতাংশ ঝুঁকিতে রয়েছে’।

ফাদাভির এই দাবি এমন সময়ে এল, যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোয় কঠোর নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ‘কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে’ জুলাই থেকে তারা ১২৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।