খুঁজুন
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

রুপালি ইলিশের গল্পে জেলেদের শোকগাথা

চরফ্যাশন প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৯:১০ অপরাহ্ণ
রুপালি ইলিশের গল্পে জেলেদের শোকগাথা

নদী বা সাগরে রুপালি ইলিশ আহরণ শুধু অর্থনীতি আর স্বাদের গল্প নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য জেলে পরিবারের কান্না। মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা প্রায়ই ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের কবলে পড়ে নিখোঁজ বা নিহত হন। অভিযোগ আছে, নিষেধাজ্ঞা বা বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের সাগরে পাঠান মালিকরা। কিন্তু কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে খোঁজও নেন না। শাহে আলমের স্ত্রীর মতো বছরের পর বছর অপেক্ষায় থাকেন নিখোঁজের স্বজনরা। জানতে পারেন না প্রিয়জন বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন।

জেলে শাহে আলমের বাড়ি ভোলার চরফ্যাশনের নীলকমল ইউনিয়নে। ২০২৪ সালের ২৬ জুলাই সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। স্বামীর অনুপস্থিতিতে দুই মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন স্ত্রী নেকু। একটি মেয়ে বিয়ের উপযোগী, অপরজনের পড়ালেখা বন্ধ। হাঁস-মুরগি পালন আর অন্যের বাসায় কাজ করে কোনো রকমে সংসার চলছে। নেকু বলেন, মৎস্য অফিস থেকে একবার কিছু টাকা পেয়েছিলাম, ভাইয়েরাও সাহায্য করেছেন। কিন্তু আর কত সাহায্য করবেন? সরকার যেন আমাদের মতো পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ায়।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কবলে পড়ে ৭টি টলার ডুবে যায়। এরমধ্যে ‘নুসরাত’ ট্রলারের ২০ জন ‘শারমিন’র ৮ জন ‘এফবি তিন্নি’র ৬ জন ‘এফবি আম্মাজান’র ১১ জনসহ মোট ৭৮ জেলে নিখোঁজ হন। এরমধ্যে ভারতের কারাগার থেকে দুই দফায় ৩৬ জন জেলে উদ্ধার হন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪২ জন। তাদের বাড়ি চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলায়। একই ঝড়ে চরফ্যাশনের মায়া ব্রিজ এলাকার মনির মাঝির ট্রলারটি ২২ মাঝিমাল্লা নিয়ে ডুবে যায়। এরমধ্যে কাউকে এখনো পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ মনির মাঝির স্ত্রী নুসরাত বেগম বলেন, মালিকপক্ষ নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও তাদের সাগরে পাঠায়। এমনকি দুর্ঘটনার বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য হুমকি দিয়েছিল। সরকার বা মালিকপক্ষ নিখোঁজদের সন্ধানে কোনো তৎপরতা চালায়নি। অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটালেও কেউ খোঁজ নেয়নি।

মনির মাঝির ট্রলারে ছিলেন চর কলমি ইউনিয়নের নাংলা পাতা গ্রামের তৈয়ব, কবীর ও আবুল কাশেম। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর অনুপস্থিতিতে তাদের পরিবারেও নেমে এসেছে চরম দুদর্শা। আবুল কাশেমের ভাই মিজান বলেন, মালিকপক্ষের লোভের কারণে আমরা আজ নিঃস্ব। সাগরে গিয়ে প্রাণ গেলে বিচার বা সাহায্য কিছুই পাওয়া যায় না।

চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের তথ্য মতে, উপজেলায় প্রায় ৯০ হাজার জেলে রয়েছেন। এরমধ্যে নিবন্ধিত জেলে ৪৪ হাজার ২৮১ জন। এ অঞ্চলে প্রায় ১২ হাজার ট্রলার ও নৌকা রয়েছে। এছাড়া গভীর সমুদ্রগামী ৭ হাজার ট্রলার রয়েছে। ২০১৫ সালে ১১ জন, ২০১৬ সালে ১৯ জন, ২০১৭ সালে ৫ জন, ২০১৯ সালে ৪৮ জন, ২০২০ সালে ৯ জন, ২০২১ সালে ৯ জন, ২০২২ সালে ১২ জন, ২০২৩ সালে ৩৫ জন, ২০২৪ সালে ১১ জন জেলে নদী বা সাগরে নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ বা প্রাণ হারিয়েছেন।

জানা যায়, ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে নৌকা ডুবিতে প্রাণ হারানো জেলে পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। ২০১৯ থেকে ২০২১ এবং ২০২৩ ও ২০২৪ সালে নিখোঁজ জেলেদের পরিবারকেও অনুদান দেওয়া হয়েছে। তবে ২০১৮ ও ২০২২ সালে নৌকা ডুবিতে প্রাণ হারানো জেলেরা সরকারি অনুদান পাননি।

উপজেলা মৎস্য কার্যালয় আরও জানায়, নিহত জেলেরা চর মাদ্রাজ, আসলামপুর, মাদ্রাজ, জিন্নাগড়, আমিনাবাদ, আবুবকরপুর, আহম্মদপুর, ওসমানগঞ্জ, এওয়াজপুর, হাজারীগঞ্জ, জাহানপুর, রসলপুর, চর মনিকা, চর কুকরি মুকরি, চর পাতিলা, নজরুল নগর, মুজিব নগর, ঢালচর, নুরাবাদ, নীলকমল, আব্দুল্লাহপুর, চরকলমী এলাকার। এদের কারো লাশ পাওয়া গেলেও খোঁজ মেলেনি অনেকের। স্থানীয় ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি রফিক মাস্টার বলেন, শাহে আলম সাহসী ও অভিজ্ঞ জেলে ছিলেন। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের সময় মালিকরা তাকে মাছ ধরতে পাঠান।

সামরাজ মৎস্যঘাট জেলে সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, উপকূলীয় এলাকার ৯০ শতাংশ বাসিন্দা জেলে। তারা জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান।

চরফ্যাশন উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, নিখোঁজ বা নিহত জেলেদের পরিবারকে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি জেলে পরিবারকেও একই হারে অর্থ দেওয়া হবে।

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।