খুঁজুন
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যেভাবে ভোট দেবেন এমপিরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যেভাবে ভোট দেবেন এমপিরা

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২০) আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা।

 

দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ব্যালট সংগ্রহ থেকে ভোট দেওয়া এবং ব্যালট বাক্সে জমা দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াই নির্ধারিত নিয়মে সম্পন্ন করতে হবে।

ভোট দিতে সংসদ সদস্যদের সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় থেকে সরবরাহ করা আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নাম ও বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত ব্যালট পেপার নিতে হবে।

ব্যালটের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে তা সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে।

এরপর ব্যালটের নির্ধারিত অংশে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট ফাঁকা স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে ভোট দিতে হবে। ভোট দেওয়া শেষে ব্যালট পেপার সংসদ কক্ষে রাখা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।

কোনো কারণে ব্যালট পেপার নষ্ট হয়ে গেলে সেটি ব্যালট বাক্সে দেওয়ার আগে নির্বাচনকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে হবে। নির্বাচনকর্তা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

ভোটগ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের বৈঠকে কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচার, বক্তব্য বা ভাষণ দেওয়া যাবে না। ভোট দেওয়ার সময় কোনো তাৎক্ষণিক সমস্যা হলে চিফ হুইপ ও বিরোধীদলের চিফ হুইপের শরণাপন্ন হতে হবে।

ব্যালট পেপারে যেখানে ভোটারের পূর্ণ স্বাক্ষরের কথা বলা হয়েছে, সেখানে সংসদ সদস্যদের পূর্ণ নাম লিখতে হবে। বিকাল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে।

এ সময় কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ ও বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে সেটির হিসাব করা হবে। এরপর প্রার্থীদের পাওয়া বৈধ ভোট গণনা করা হবে। সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘কাজ নেই সম্মানি নেই’ ভিত্তিতে নিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘কাজ নেই সম্মানি নেই’ ভিত্তিতে নিয়োগ

বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন ‘চিকিৎসক’ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে এ নিয়োগ দেওয়া হবে। ‘কাজ নেই সম্মানি নেই’ ভিত্তিতে এ নিয়োগে আবেদনের শেষ তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

চাকরির বিবরণ—

পদের নাম: চিকিৎসক (খণ্ডকালীন)

পদসংখ্যা: ১

বয়স

১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সর্বোচ্চ ৬২ বছর।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম এমবিবিএস ডিগ্রিধারী হতে হবে। বিএমডিসি কর্তৃক মেডিক্যাল প্র্যাকটিশনার হিসেবে রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত হতে হবে শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বেতন–ভাতা

দৈনিক ২ হাজার ৬০০ টাকা।

চুক্তির মেয়াদ

সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হবে এবং এ নিয়োগ যেকোনো পক্ষের ১৫ দিনের নোটিশে বা ১৫ দিনের সম্মানীর সমপরিমাণ অর্থ প্রদান বা সমর্পণ সাপেক্ষে বাতিল করা যাবে।

আবেদনের নিয়ম

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সরাসরি, ডাকযোগে বা ই-মেইলে আবেদনপত্র প্রেরণ করতে হবে।

আবেদনের ঠিকানা: পরিচালক (এইচআরডি-১), হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১. বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা-১০০০।

ই–মেইল: gm.hrd@bb.org.bd

আবেদনের শেষ তারিখ

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ভোলায় প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখায় স্বামীকে হত্যা, দ্বিতীয় স্ত্রীর ফাঁসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
ভোলায় প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখায় স্বামীকে হত্যা, দ্বিতীয় স্ত্রীর ফাঁসি

ভোলায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালত। 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনায়েত উল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন। 

উল্লেখ্য, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ও বসবাস করায় ক্ষিপ্ত হয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী নুরুন্নাহার বেগম ফরাদ হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ২০২১ সালের ২৩ অক্টোবর রাতে ফরহাদ হোসেন টিটবকে দ্বিতীয় স্ত্রী নুরুন্নাহার তার বাড়িতে ডেকে নেন। পরদিন সকালে আলীনগর ইউনিয়নের ওই বাড়ি থেকে ফরহাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। 

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার দৌড়ে থাকা তরুণ রাজনীতিবিদ সাইদ কে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার দৌড়ে থাকা তরুণ রাজনীতিবিদ সাইদ কে?

আমার কাজিনদের মতো আমারও মিশরে ট্যাক্সি ক্যাব ড্রাইভার হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ইতিহাসের দুর্ঘটনায় আমার বাবা (যুক্তরাষ্ট্রের) ডেট্রয়েটে অভিবাসী হয়ে আসেন আর আমি আমেরিকান হিসেবে পরিচিতি পাই।

আগস্টের শুরুতে মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে ডেমোক্র্যাটদের মনোনয়ন নিশ্চিত করার পর বিজয় ভাষণে সমর্থকদের সামনে এভাবেই নিজের পরিবারের অতীতের গল্প তুলে ধরেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে হঠাৎই আলোচনার জন্ম দেওয়া আবদুল এল সাইদ।

তাকে নিয়ে আলোচনা যে শুধু তার মিশরীয় অভিবাসী বাবা-মার সন্তান বা মুসলিম রাজনীতিবিদ হওয়ার কারণে, তা নয়।

সাবেক এই জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার রাজনৈতিক অঙ্গীকার, ইসরাইলবিরোধী অবস্থান এবং বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীতে আমেরিকান অর্থায়ন বন্ধের দাবি তাকে মিশিগানের ডেমোক্র্যাট মনোনয়ন প্রত্যাশী করার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তার নির্বাচনি প্রচারের মূল বক্তব্য ছিল, মানি আউট অব পলিটিক্স, মানি ইন ইওর পকেট, হেলথকেয়ার ফর অল – অর্থাৎ রাজনীতি থেকে অর্থকে সরিয়ে তা মানুষের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা।

একইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে সমালোচনা করে তিনি এমন ভোটারদের আকৃষ্ট করেছেন, যারা ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দুই বছরের কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ ।

পাশাপাশি ইসরাইলসহ যে কোনো দেশের সেনাবাহিনীতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নের বিরোধিতাও তাকে তার সমর্থকদের মধ্যে জনপ্রিয় করেছে। ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে অর্থ সহায়তা দেওয়াকে ‘আমাদের ট্যাক্স ডলারের নিকৃষ্টতম ব্যবহার’ বলে সমালোচনা করেছেন তিনি।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, মিশিগান রাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে তিনি নিজের দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সমর্থনই পাননি। যে কারণে তাকে বলা হচ্ছে ‘আউটসাইডার’, বা বহিরাগত।

বামপন্থি মতাদর্শের অনুসারী এল সাইদকে নির্বাচনে সমর্থন দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বার্নি স্যান্ডার্স, আলেক্সান্দ্রা ওসারিও-কর্টেজের মতো বামপন্থী ভাবধারার অনুসারী নেতারা।

 

আগস্টের শুরুতে মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে ডেমোক্র্যাটদের মনোনয়ন নিশ্চিত করার পর বিজয় ভাষণে সমর্থকদের সামনে এভাবেই নিজের পরিবারের অতীতের গল্প তুলে ধরেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে হঠাৎই আলোচনার জন্ম দেওয়া আবদুল এল সাইদ।

তাকে নিয়ে আলোচনা যে শুধু তার মিশরীয় অভিবাসী বাবা-মার সন্তান বা মুসলিম রাজনীতিবিদ হওয়ার কারণে, তা নয়।

সাবেক এই জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার রাজনৈতিক অঙ্গীকার, ইসরাইলবিরোধী অবস্থান এবং বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীতে আমেরিকান অর্থায়ন বন্ধের দাবি তাকে মিশিগানের ডেমোক্র্যাট মনোনয়ন প্রত্যাশী করার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তার নির্বাচনি প্রচারের মূল বক্তব্য ছিল, মানি আউট অব পলিটিক্স, মানি ইন ইওর পকেট, হেলথকেয়ার ফর অল – অর্থাৎ রাজনীতি থেকে অর্থকে সরিয়ে তা মানুষের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা।

একইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে সমালোচনা করে তিনি এমন ভোটারদের আকৃষ্ট করেছেন, যারা ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দুই বছরের কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ ।

পাশাপাশি ইসরাইলসহ যে কোনো দেশের সেনাবাহিনীতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নের বিরোধিতাও তাকে তার সমর্থকদের মধ্যে জনপ্রিয় করেছে। ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে অর্থ সহায়তা দেওয়াকে ‘আমাদের ট্যাক্স ডলারের নিকৃষ্টতম ব্যবহার’ বলে সমালোচনা করেছেন তিনি।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, মিশিগান রাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে তিনি নিজের দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সমর্থনই পাননি। যে কারণে তাকে বলা হচ্ছে ‘আউটসাইডার’, বা বহিরাগত।

বামপন্থি মতাদর্শের অনুসারী এল সাইদকে নির্বাচনে সমর্থন দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বার্নি স্যান্ডার্স, আলেক্সান্দ্রা ওসারিও-কর্টেজের মতো বামপন্থী ভাবধারার অনুসারী নেতারা।