খুঁজুন
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩

মেঘনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-স্কুল-মসজিদ, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি

ভোলা প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
মেঘনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-স্কুল-মসজিদ, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি

ষাটোর্ধ্ব শামসুন নাহার ও জাহানারা বেগম। দুই প্রতিবেশী। প্রায় তিন দশক ধরে সুখে-দুঃখে আছেন একে অপরের পাশে। কখনো ভাবেননি নদীতীরে একজনের শূন্য ভিটায় এভাবে পাশাপাশি বসতে হবে। মেঘনা নদীর ভয়াল ভাঙন কেড়ে নিয়েছে তাদের বসতভিটা, ঘর, আশ্রয় সবকিছু। এখন তারা পরিবারসহ খোলা আকাশের নিচে টং ঘরে মানবেতর জীবন পার করছেন। তারা কেউ জানেন না, এখন তাদের গন্তব্য কোথায়।

মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতবিক্ষত ভোলার সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝেরচর গ্রামের দৃশ্য এটি। এক সময়ের শস্যভাণ্ডারখ্যাত এই গ্রামটির চার-পঞ্চমাংশ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাকি অংশও রয়েছে হুমকির মুখে। ভয়াবহ ভাঙন অব্যাহত থাকায় যেকোনো সময় পুরো গ্রামটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে।

৯০ দশকে মেঘনার বুক চিরে জেগে ওঠা কাচিয়া ইউনিয়নের রামদেবপুর, মধুপুর ও টবগী গ্রামে আট মাস আগেও প্রায় ১০ হাজার মানুষের স্থায়ী বাস ছিল। এখন পর্যন্ত সেখানকার ৬টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের মধ্যে ৫টি মেঘনার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, হুমকির মুখে আছে রামদেবপুর-৪ নামের অবশিষ্ট প্রকল্পটি। নদীতে হারিয়ে গেছে একটি মাটির কিল্লা, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি মাদরাসা, তিনটি মসজিদ, একটি কমিউনিটি ক্লিনিক, শত শত বসতভিটা, বাজার, রাস্তাঘাট ও কয়েক কিলোমিটার এলাকার ফসলি জমি।

ভিটেমাটি হারিয়ে কেউ আশ্রয় নিচ্ছেন নদীতীরের টং ঘরে, কেউ গরুর ঘরের পাশে একচালা ঘরে কাটাচ্ছেন দিন। নদী ভাঙনে স্কুল ভবন হারিয়ে ১৭৯ নং উত্তর-পশ্চিম কাচিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস চলছে একটি পরিত্যক্ত সাইক্লোন শেল্টারে। কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে বসতবাড়ির ভেতরে গড়ে ওঠা অবশিষ্ট মাটির কিল্লায়। ভোলার মূল ভূখণ্ডের একটি অংশের নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার এক নির্মম বাস্তবতা এটি।

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, মাঝেরচরে আগে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার ভোটার ছিলেন। প্রতিটি সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ছিল ১১০-১৩০টি করে ঘর। প্রকল্পগুলো হলো বারইপুরা-১, রামদেবপুর-২, রামদেবপুর-৩, রামদেবপুর-৫ এবং নতুন রামদেবপুর-৩। সবই এখন স্মৃতি। চর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় এখন সবকিছু হারিয়ে যাচ্ছে নদীর জলে।

নদীতে ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে জীবনযাপন করছেন জেলে মো. কালু ও মেহের নিগার দম্পতি। ৩ ছেলে ও ২ মেয়েকে নিয়ে তারা বসবাস করতেন রামদেবপুর-২ নম্বর আশ্রয়ণ প্রকল্পে। মেহের নিগার বলেন, এক রাইতের মইধ্যে নদী ঘরবাড়ি সব ভাইঙ্গা লইয়া গেছে, কিছুই হরাইতে পারি নাই। আচ্ছুক্কা ঠুস ঠুস কইররা ঘর ভিটার মাটি চাকা ধইররা নদীতে পড়ছে। নদী আমাগো সব লইয়া গেছে।

আবার অন্যের ভিটায় আশ্রয় নেওয়া জেলে আবু তাহেরের স্ত্রী জাহানারা বেগম বলেন, স্যার, এই মেঘনা নদী আমাগো সব লইয়া গেছে। এহন খোলা আকাশের নিচে আছি। ঘর-দুয়ার হরাইতে পারি নাই। রাইতকা নদী ঝাঁপায় ঝাঁপায় সব ভাইঙ্গা লইয়া গেছে। টাকা পয়সা নাই, ঘরদুয়ার করতে পারি না।

জেলে মো. সেলিম বলেন, ঘরটা লইয়া ছিলাম, নদী ঘরের লগে আসার পর ভাইঙ্গা সরায়ে আনছি। এখন এইখানে টং পাইততা আছি। এদিকে-ঐদিকে কোনো ঢালকুল নাই, জায়গা জমি নাই, অনেক বিপদে আছি।

বারইপুর গ্রামের অবশিষ্ট সরকারি মাটির কিল্লার আশপাশে দেখা গেল অর্ধশতাধিক পরিবার টিনের টং ঘরে বসবাস করছে। এই আশ্রয় কেন্দ্রের দূরত্ব নদী থেকে মাত্র ১০০-১১০ মিটার। যেকোনো সময় বিলীন হতে পারে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সরকারি স্থাপনাও।

মাটির কিল্লার ভেতরে থাকা আকলিমা ও রাবেয়া বলেন, এইখানে ২০ পরিবার থাকার মতো জায়গাও নাই, তারপরও শ‘খানেক পরিবার আমরা এইখানে আছি। সন্তানদের নিয়ে থাকতে অনেক কষ্ট হয়। যাওয়ার কোনো জায়গা নাই।

কৃষক মো. স্বপন ও আবুল হাসেম বলেন, প্রতিবছর মাঝেরচরের জমিতে ক্যাপসিকামসহ নানা বিদেশি সবজির বাম্পার ফলন হতো। ভোলা ছাড়িয়ে বরিশাল ও ঢাকায় তা সরবরাহ করতেন। এখন চোখের সামনে সব ফসলি জমি নদীতে হারিয়ে গেছে। হাতে রয়েছে সামান্য জমি।

মো. বিল্লাল হোসেন ও মো. সালাউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, চর রক্ষায় কেউ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। মেঘনার পেটে গেছে ৫টি আশ্রয় প্রকল্প, একটি মাটির কিল্লা, ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি মাদরাসা, ৩টি মসজিদ, ১টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাজারো বসতঘর। পুরো চরই এখন বিলীনের পথে।

রামদেবপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মো. মাকসুদুর রহমান জিলাদার বলেন, এইখানের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসা ছিল আমাদের ক্লিনিক। দুঃখের সাথে বলতে হয়, নদী ভাঙনে ক্লিনিকটি বিলীন হয়ে গেছে। পরে অন্য একটি ঘরে স্বাস্থ্যসেবা চালালে সেটিও হারিয়ে যায়। এখন মাটির কিল্লার ভেতরে বসে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

দিশেহারা চরবাসীর এখন একটাই দাবি, অবশিষ্ট অংশ রক্ষায় দ্রুত জিওব্যাগ বা সিসি ব্লক বসানো হোক এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে সরকারি সহযোগিতা দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভোলা পানি উন্নয়ন বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন আরিফ বলেন, এখন বর্ষা মৌসুম চলছে, নদীর প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা অবগত আছি। মাঝেরচর পরিদর্শন করেছি এবং প্রকল্প গ্রহণের জন্য অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ করছি। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভাঙন প্রতিরোধ করা হবে।

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।