খুঁজুন
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

বিসিসি’র উচ্ছেদ অভিযানে পাল্টে যাচ্ছে নগরীর চিত্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ৭:১২ অপরাহ্ণ
বিসিসি’র উচ্ছেদ অভিযানে পাল্টে যাচ্ছে নগরীর চিত্র

কাজী রাফি ॥ বরিশাল সিটি করপোরেশনের একের পর এক উচ্ছেদ অভিযানে পাল্টে যাচ্ছে নগরীর চিত্র। উদ্ধার হয়েছে খাল, সড়ক ও ফুটপাত। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণ হয়েছে অনেকাংশে। বিসিসি’র এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নগরবাসী। পাশাপাশি প্রতিনিয়ত অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবী জানান তারা।

জানা গেছে, বরিশাল সিটি করপেরশেনের প্রশাসক হিসেবে রায়হান কাওসারকে নিয়োগ দেয়ার পর থেকে কঠোর হস্থে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তার নির্দেশনায় এমন দুঃসাহসিক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। কোন কোন উচ্ছেদ অভিযানে প্রশাসক রায়হান কাওসার নিয়েই নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে উদ্ধার হয়েছে নগরীর গুরুত্বপূর্ন খাল, সড়ক ও ফুটপাত। এছাড়া দখলমুক্ত হয়েছে সিটি করপোরেশনের জমি। উচ্ছেদ অভিযান প্রসঙ্গে বিসিসি’র প্রশাসক রায়হান কাওসারের বক্তব্য, “এটি কোনো এককালীন অভিযান নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমেটিক ক্লিনজিং ক্যাম্পেইন।”

এর আগে স্কুল-কলেজের সামনের ফুটপাতসহ নগরীর বিভিন্ন ব্যস্ততম এলাকার ফুটপাত ছিলো হকারদের দখলে। জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা ও ড্রেন দখল করে গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন দোকান-পাট সহ বসতবাড়ির সীমানা প্রাচীর ও স্থাপনা। উচ্ছেদ অভিযানে দখলমুক্ত করা হয় সে সকল রাস্তা ও ড্রেন। ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় চলাচলে স্বস্তি ফিরেছে। ফলে হ্রাস পেয়েছে জলাবদ্ধতা এবং কমেছে মশার উপদ্রব। এছাড়া নগরীর প্রধান সড়কগুলেতে কমেছে যানজট।

বিসিসি সূত্র জানায়, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে ফুটপাত ও ড্রেন পরিস্কার, মশার বিস্তার রোধে নগরীর কাশিপুর চৌমাথা থেকে বিল্লবাড়ি সড়ক (মাজার) পর্যন্ত খালের পাশের ২৫/৩০ টি স্টল, মড়ক খোলার পোল থেকে লাকুটিয়া খালের পাশের অবৈধ স্থাপনা, লাদেন সড়কের অবৈধ স্থাপনা, শের-ই বাংলা সড়ক ও জিয়া সড়কের খালের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা, পরেশ সাগর মাঠ, সদর গার্লস্ স্কুলের সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বরিশাল সিটি করপোরেশন।

নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, খাল সংরক্ষণে কংক্রিট বাউন্ডারি ওয়াল তৈরী করতে হবে, স্মার্ট ফুটপাত নির্মাণ প্রকল্পে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে, প্রতি মাসে ‘মাসিক ক্লিন সিটি ডে’ পালন করতে হবে। এছাড়া দখল রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি বলে মনে করেন তারা।”

এদিকে কঠোর উচ্ছেদ অভিযানে নগরীতে স্বস্তি ফিরলেও জীবিকা সংকটে পরেছে ফুটপাত ও সড়কের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযানে শতশত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। আজ তারা বেকার। তাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করার দাবী জানান তারা।
এ ব্যাপারে বরিশাল সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ শাখার প্রধান স্বপন কুমার দাস বলেন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, জলাবদ্ধতা ও মশার বিস্তার রোধে ড্রেন এবং খালের দুপাশে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিসিসি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা আহমান উদ্দিন রোমেল বলেন, উচ্ছেদ অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রশাসকের নির্দেশে অবৈধভাবে ফুটপাত, খাল ও সড়ক দখলকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান চলবে।

 

ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ
ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

রানি বাহিনী তাদের সীমান্ত থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ফাদাভি।

ইরানের প্রেস টিভির বরাত দিয়ে আল-জাজিরা বলেছে, টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফাদাভি বলেছেন, ‘মার্কিনরা পালিয়ে গেছে এবং আমাদের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে সরে গেছে। তারা নিজেদের ইচ্ছায় সরে যায়নি; ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও আইআরজিসির স্থলবাহিনীর ক্ষমতার কারণেই তারা এটি করতে বাধ্য হয়েছে।

ফাদাভি আরও দাবি করেন, এই প্রথম পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি, ওমান সাগর এমনকি উত্তর ভারত মহাসাগরেও কোনো মার্কিন জাহাজ নেই। তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো আইআরজিসির হামলার শিকার হওয়ার ‘১০০ শতাংশ ঝুঁকিতে রয়েছে’।

ফাদাভির এই দাবি এমন সময়ে এল, যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোয় কঠোর নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ‘কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে’ জুলাই থেকে তারা ১২৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।