খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

বিশ্রাম চেয়েছিলেন ট্রাম্প, প্রত্যাখ্যান ইরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
বিশ্রাম চেয়েছিলেন ট্রাম্প, প্রত্যাখ্যান ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ৩৯ দিন ধরে ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন চালাচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকেই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে কড়া জবাব দিয়ে যাচ্ছে তেহরানও। ধীরে ধীরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়েপড়া এই সংঘাত বন্ধে মধ্যস্ততা করছে পাকিস্তান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘বুঝিয়ে’ ইসলামাবাদ মধ্যস্ততাকারী হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবরও বের হয়েছে।

ট্রাম্পের আগ্রহে পাকিস্তান আলোচনার আয়োজন করায় শুরু থেকেই যুদ্ধবিরতি ও সংঘাত বন্ধের প্রস্তাবগুলো যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করে আসছে। আর দফায় দফায় সেগুলো প্রত্যাখ্যান করছে তেহরান। গত ৫ এপ্রিল ইরানের আকাশে একে একে দুটি মার্কিন শক্তিশালী বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর দেশটির কাছে নতুন করে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায় আলোচনাকারী পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশর। এতে ৪৫ দিনের ‘নিস্তার’ বা বিরতি চাওয়া হয়েছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের একান্ত চাওয়া ছিল বলে প্রস্তাবটি ছুড়ে ফেলে দিয়েছে ইরান।

 

৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের

সোমবার (৬ এপ্রিল) ইরান ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তারা যুদ্ধের স্থায়ী অবসান চায়। এদিকে ট্রাম্প বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু থেকে পুরো ইসলামী প্রজাতন্ত্র পর্যন্ত তার হুমকি বিস্তৃত করেছেন এবং তার চরমপত্রের সময়সীমাও ঘনিয়ে এসেছে।

হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘পুরো দেশটাকে (ইরান) এক রাতেই নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া যেতে পারে, আর সেই রাতটা হতে পারে আগামীকাল রাত (মঙ্গলবার)।’

তিনি ইরানকে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য মঙ্গলবার রাত ৮টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার অথবা বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক হামলার মুখোমুখি হওয়ার হুমকি ইরানের বিরুদ্ধে বাড়িয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, প্রথম দিনের পর আজ (সোমবার) সবচেয়ে বেশি সংখ্যক হামলা চালানো হবে। আগামীকাল আজকের চেয়েও বেশি।

ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা বাড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ উঠবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, মোটেই না।’

ইরানিরা কেন চাইবে তিনি এই হুমকি কার্যকর করুন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নাগরিকরা ‘স্বাধীনতার জন্য কষ্ট সহ্য করতেও প্রস্তুত।’

ইসরাইল ইরানের অভ্যন্তরীণ জ্বালানির বৃহত্তম উৎস একটি প্রধান গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালিয়ে চাপ বাড়িয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, তেহরান তার ১০-দফা জবাব দিয়েছে পাকিস্তানের মাধ্যমে, যা একটি প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ। এই জবাবে পুনর্গঠন ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কায়রোতে ইরানের কূটনৈতিক মিশনের প্রধান মোজতবা ফেরদৌসি পুর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) বলেন, ‘আমরা কেবল তখনই যুদ্ধের অবসান মেনে নেব, যখন আমাদের ওপর আর হামলা হবে না, এমন নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, আলোচনার আগের পর্বগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র দুবার ইসলামিক প্রজাতন্ত্রে বোমা হামলা চালানোর পর ইরান আর ট্রাম্প প্রশাসনকে বিশ্বাস করে না।

সূত্র: এপি।

ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ
ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

রানি বাহিনী তাদের সীমান্ত থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ফাদাভি।

ইরানের প্রেস টিভির বরাত দিয়ে আল-জাজিরা বলেছে, টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফাদাভি বলেছেন, ‘মার্কিনরা পালিয়ে গেছে এবং আমাদের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে সরে গেছে। তারা নিজেদের ইচ্ছায় সরে যায়নি; ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও আইআরজিসির স্থলবাহিনীর ক্ষমতার কারণেই তারা এটি করতে বাধ্য হয়েছে।

ফাদাভি আরও দাবি করেন, এই প্রথম পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি, ওমান সাগর এমনকি উত্তর ভারত মহাসাগরেও কোনো মার্কিন জাহাজ নেই। তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো আইআরজিসির হামলার শিকার হওয়ার ‘১০০ শতাংশ ঝুঁকিতে রয়েছে’।

ফাদাভির এই দাবি এমন সময়ে এল, যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোয় কঠোর নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ‘কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে’ জুলাই থেকে তারা ১২৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।