খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাংলাদেশ ব্যাংকের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সঞ্চয়পত্রের টাকা আত্মসাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সঞ্চয়পত্রের টাকা আত্মসাৎ

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের এনএসসি সিস্টেম জালিয়াতি করে অর্থ তুলে নিয়েছে একটি চক্র। অন্যের সঞ্চয়পত্র মেয়াদপূর্তির আগেই ভাঙিয়ে ওই চক্র নিজ ব্যাংক হিসাবে টাকা স্থানান্তর করেছে। সব মিলিয়ে ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। এভাবে আরও প্রায় ৫০ লাখ টাকা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে তা আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয় থেকে কেনা সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে এই জালিয়াতি ধরা পড়েছে। মতিঝিল কার্যালয়ের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেই এই সঞ্চয়পত্র জালিয়াতি হয় বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার মতিঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী আজ বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, যাঁদের হিসাবে অর্থ গেছে এবং যাঁরা জালিয়াতিতে জড়িত, তাঁদের চিহ্নিত করে মামলা করা হবে। সঞ্চয়পত্রের সিস্টেম যাঁরা পরিচালনা করেন, তাঁদের কারও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এই জালিয়াতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। এ নিয়ে মতিঝিল থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কীভাবে এই জালিয়াতি

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো গ্রাহক সঞ্চয়পত্র কেনার সময় যে ব্যাংক হিসাবের তথ্য দেবেন, সেই হিসাবেই সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও আসল টাকা দেওয়া হয়। এ ছাড়া যে অফিস থেকে সঞ্চয়পত্র কেনা হয়, কোনো তথ্য পরিবর্তন, সুদ বা আসল নেওয়ার জন্য অবশ্যই সেই অফিসে আবেদন করতে হয়। আবেদন পাওয়ার পর গ্রাহকের দেওয়া মোবাইল নম্বরে একটি ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) যায়। উপস্থিত গ্রাহক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মীকে তৎক্ষণাৎ সেই ওটিপি দেখানোর পর তা ব্যবহার করে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে তথ্য পরিবর্তন করা হয়। তবে সব ক্ষেত্রে সার্ভারে ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট বা প্রমাণ থাকে।

তবে দেড় বছর ধরে অনেক ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে ব্যর্থ হচ্ছেন গ্রাহকেরা। এসব ব্যাংকে প্রবাসী আয় বা সঞ্চয়পত্রের টাকা এলেও গ্রাহকেরা উত্তোলন করতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংক পরিবর্তনের আবেদন করছেন অনেকে। গ্রাহকের সমস্যা বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানগুলোর দিক থেকে ব্যাংক পরিবর্তন করে দেওয়া হচ্ছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়েই কেউ জালিয়াতির ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

 

যা ঘটেছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয় থেকে গত বৃহস্পতিবার ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কেনেন এক ব্যক্তি। তাঁর ব্যাংক হিসাবটি আছে অগ্রণী ব্যাংকের জাতীয় প্রেসক্লাব শাখায়। চার দিনের মাথায় গত সোমবার এই সঞ্চয়পত্র ভাঙানো হয় এবং টাকা নেওয়া হয় এনআরবিসি ব্যাংকের দিনাজপুর উপশাখার অন্য এক ব্যক্তির হিসাবে। ওই টাকা জমা হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যে ব্যাংকটির রাজধানীর শ্যামলী শাখা থেকে তুলে নেওয়া হয়।

একই প্রক্রিয়ায় একই দিনে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ৩০ লাখ ও এনআরবি ব্যাংকের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ভাঙিয়ে টাকা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এলে তা আটকে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক তিনটি ঘটনায় সঞ্চয়পত্র ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেছে। গ্রাহকেরা জানিয়েছেন, তাঁরা সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর জন্য আবেদন করেননি। ফলে তাঁদের মোবাইল ফোনে কোনো ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ডও (ওটিপি) যায়নি। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের যে তিন কর্মকর্তার কাছে সঞ্চয়পত্র বিক্রির পাসওয়ার্ড ছিল, তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নতুন করে অন্য তিনজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেই এই জালিয়াতি করা হয়েছে। ফলে যাঁদের কাছে পাসওয়ার্ড ছিল, তাঁরা নজরদারিতে আছেন। এ ছাড়া বাইরের আরও কারও সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্ট পর্যন্ত ব্যাংকসহ অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের তিন লাখ ৪০ হাজার ৭১ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র আছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারি-বেসরকারি সব বাণিজ্যিক ব্যাংক, সঞ্চয় অধিদপ্তর ও পোস্ট অফিস মিলে প্রায় ১২ হাজার শাখা থেকে এসব সঞ্চয়পত্র কেনা ও ভাঙানো হয়।

এনআরবিসি ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তৌহিদুল আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ঘটনার পর আমরা ডিএমডির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি। সেই কমিটি কাজ শুরু করেছে। এরপরই বিস্তারিত জানা যাবে।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়েছিল দুই নবজাতকের লাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়েছিল দুই নবজাতকের লাশ

বরিশাল নগরের ময়লার স্তূপ থেকে দুই নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তাদের একজন ছেলে ও অন্যজন মেয়ে। 

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে নগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বগুড়া রোডের গফুর সড়কের বিপরীতে নতুন বাজার ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন ময়লার স্তূপ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী জাকির হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো ময়লা পরিষ্কার করছিলাম। হঠাৎ দুটি প্লাস্টিকের বাটি চোখে পড়ে। কাছে গিয়ে দেখি, ভেতরে দুটি নবজাতক শিশু রয়েছে। তখন স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানাই। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নতুন বাজার ও এর আশপাশে একাধিক বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের ধারণা, কোনো একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা-আবর্জনার সঙ্গে নবজাতক দুটির লাশ ওই স্থানে এসে থাকতে পারে।

কোতোয়ালী থানার ওসি আল মামুন ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সময় পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় টহলে ছিল। থানা থেকে বিষয়টি জানানোর পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতি দেখে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে খবর দেওয়া হয়। পরে নবজাতক দুটির লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।

নবজাতক দুটির পরিচয় এবং কীভাবে তাদের লাশ ময়লার স্তূপে এলো- তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।