খুঁজুন
সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

বরগুনায় ঝুঁকিপূর্ণ ৩৫৭ লোহার সেতু, এক বছরে সেতু ধসে ৯ জনের মৃত্যু

বরগুনা প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
বরগুনায় ঝুঁকিপূর্ণ ৩৫৭ লোহার সেতু, এক বছরে সেতু ধসে ৯ জনের মৃত্যু

‘নড়বড়ে পোল দিয়া যহন স্কুলে যাই আর আই, তহন খুব ডর লাগে। পোলে ওডলেই সব লইয়া কাঁপতে থাকে, আতঙ্কে পোল পার হই। মাঝেমধ্যে মায় আর বাবায় পার কইরা দিয়া যায়। যহন হেরা থাহে না, তহন মনে হয় এই বুঝি খালে পইড় যামু। অনেক দিন ডরে স্কুলেও যাই না।’ চোখে-মুখে আতঙ্ক নিয়ে কথাগুলো বলছিল বরগুনার বামনা উপজেলার হোগলপাতি গ্রামের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আসমা আক্তার। প্রতিদিন তাকে ঝুঁকিপূর্ণ একটি সেতু পার হয়ে পাশের পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিয়ারখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসা করতে হয়।

সরেজমিনে হোগলপাতি গ্রামে দেখা গেছে, গ্রামটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে হলতা নদী। নদীটি বামনা ও মঠবাড়িয়া উপজেলাকে বিভক্ত করেছে। একসময় প্রমত্তা হলতা এখন একটি সরু খাল। এর ওপর রয়েছে প্রায় ৩০ বছরের পুরোনো একটি লোহার সেতু। সেতুটির লোহার বিম নেই বললেই চলে। ক্ষয়ে যাওয়া বিমের ওপর সেতুর স্ল্যাবগুলো ঠিক রাখার জন্য স্থানীয়রা খেজুরগাছ দিয়ে খুঁটি বানিয়ে কোনোরকমে চলাচলের উপযোগী করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মেরামত ও সংস্কারের অভাবে বরগুনা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অন্তত ৩৫৭টি সেতু চলাচলের অনুপযোগী। এগুলোর মধ্যে ধসে পড়েছে ১৮টি। ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ এসব সেতু দিয়ে প্রতিদিন পার হচ্ছে লাখ লাখ মানুষ ও যানবাহন। ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় হালকা যান চলাচল (কম খরচে) প্রকল্পের অধীনে এসব সেতু নির্মাণ করা হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত এক বছরে ১৮টি সেতু ধসে প্রাণ হারিয়েছে ৯ জন। বিকল্প পথ না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে এসব সেতু পার হতে হচ্ছে। একের পর এক সেতু ধসে দুর্ঘটনা ঘটলেও টনক নড়ছে না কর্তৃপক্ষের।

এলজিইডির কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আমতলীতে ৯৮, তালতলীতে ৩১, বরগুনা সদরে ৮১, বামনায় ৪৪, বেতাগীতে ৬৪ এবং পাথরঘাটায় ৩৯টি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু। এগুলো নতুন করে নির্মাণে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া জরুরি ভিত্তিতে নির্মাণের জন্য ১৪২টি সেতু চিহ্নিত করা হয়েছে; যার সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫০ কোটি টাকা।

বরগুনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান জানান, ৩৫৭ সেতুর সব কটিই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ১৪২টি জরুরি ভিত্তিতে নির্মাণের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নতুন কোনো প্রকল্প না এলে এসব সেতু নির্মাণ বা মেরামত করা সম্ভব নয়।

কাঠ দিয়ে স্ল্যাব বানিয়ে যাতায়াত;
সদর উপজেলার গৌরীচন্না বাজারের পশ্চিম পাশে খালে রয়েছে একটি আন্ত-উপজেলা সংযোগ লোহার সেতু। ওই সেতু দিয়ে বেতাগী উপজেলার সরিসামুড়ি ইউনিয়নের জনগণ জেলা সদরে যাতায়াত করে। এ ছাড়া গৌরিচন্নায় অবস্থিত একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শত শত শিক্ষার্থী ওই সেতু দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে। কয়েক বছর আগে সেতুটির মাঝখান দিয়ে ভেঙে যাওয়ায় বর্তমানে কাঠ দিয়ে স্ল্যাব বানিয়ে যাতায়াত করছে স্থানীয়রা।

মাসুম বিল্লাহ নামের এক বাসিন্দা বলেন, ‘প্রায় ৬ বছর আগে সেতুটির মাঝখানের লোহার পিলার ভেঙে প্রায় ২০ ফুট জায়গায় সিমেন্টের ঢালাই ধসে পড়ে। স্থানীয়রা চলাচলের জন্য কাঠ দিয়ে স্লিপার তৈরি করে। সেটা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। যেকোনো সময় সেতু ধসে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

বরগুনা জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সভাপতি মনির হোসেন কামাল বলেন, ‘বরগুনার ছয়টি উপজেলার ৩৫৭টি লোহার সেতু এখন গলার কাঁটা। এসব সেতু পারাপারের সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা।’ নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, ‘নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে সেতু নির্মাণের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হলে বরগুনাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্ট ও দুর্ভোগ কেটে যাবে।’

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।