খুঁজুন
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩

বদলে যাচ্ছে ডিসি-ইউএনও পদের নাম, আরও যেসব পরিবর্তন আসছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
বদলে যাচ্ছে ডিসি-ইউএনও পদের নাম, আরও যেসব পরিবর্তন আসছে

জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদের নাম পরিবর্তনসহ সংস্কার কমিশনের ১০টি সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নে গত জুলাইয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে চিঠি দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। সেই নির্দেশ অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। এসব সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে আমূল বদলে যাবে জনপ্রশাসনের প্রশাসনিক কাঠামো। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী গঠন করা হচ্ছে সুপিরিয়র এক্সিকিউটিভ সার্ভিস (এসইএস)। বিভিন্ন ক্যাডার থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে এই সার্ভিসে যোগ দেওয়া যাবে। এসইএসের অধীনে থাকবে উপ-সচিব থেকে সচিবের সব পদ।

বিষয়টি নিয়ে নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দফতরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ডিসির পদবি পরিবর্তন করে ‘জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা কমিশনার’ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পদবি পরিবর্তন করে ‘উপজেলা কমিশনার’ করার পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটিকে (নিকার) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই এসব বাস্তবায়ন করা হবে।

জানা গেছে, সব সার্ভিস থেকে অধিকতর মেধাবী ও দক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে উপ-সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পর্যন্ত পদগুলোর জন্য সুপিরিয়র এক্সিকিউটিভ সার্ভিস (এসইএস) গঠনের সুপারিশ করেছে সংস্কার কমিশন। সব সার্ভিস থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে এসইএসে নিয়োগ দেওয়া হবে। এতে মেধার প্রাধান্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আন্তঃসার্ভিস অসমতা দূর হবে বলে মত সংস্কার কমিশনের। অন্তত ১০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতাসম্পন্ন যেকোনো সার্ভিসের সিনিয়র স্কেলপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এসইএসের উপসচিব পদের জন্য আবেদন করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

পাবলিক সার্ভিস কমিশন এই পরীক্ষা নিয়ে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠাবে। উপসচিব, যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদের জন্য প্রতিবছর একবার করে আলাদাভাবে এই পরীক্ষা হবে। এই পরীক্ষায় কেউ একবার উত্তীর্ণ হতে না পারলে পরের ব্যাচে আরেকবার পরীক্ষা দিতে পারবেন। কোনো কর্মকর্তা এসইএসে প্রবেশের পরীক্ষায় পর পর দুইবার অকৃতকার্য হলে তিনি আর পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন না। এসইএসে প্রবেশের পর কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে সম্মিলিত পরীক্ষার মেধাক্রম অনুসারে। কোনো বিশেষায়িত সার্ভিসের কোনো কর্মকর্তা একবার এসইএসে প্রবেশের পর তিনি আর তার আগের সার্ভিসে ফেরত যেতে পারবেন না। এসইএস পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সব সার্ভিসের সদস্যদের নিয়ে সম্মিলিত মেধা তালিকা তৈরি করা হবে।

বর্তমানে উপসচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদে থাকা কর্মকর্তাদের সবাই এসইএস গঠনের পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এতে অন্তর্ভুক্ত হবেন। সচিব, মুখ্যসচিব ও মন্ত্রিপরিষদসচিবও স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসইএসের সদস্য হবেন। আর একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি অতিরিক্ত সচিবদের মধ্য থেকে বাছাই করে সচিব এবং সচিবদের মধ্য থেকে মুখ্য সচিব পদে পদোন্নতির জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠাবে।

এসইএস গঠন হলে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা সহকারী কমিশনার, সিনিয়র সহকারী কমিশনার বা উপজেলা কমিশনার, জেলা কমিশনার (বর্তমানে জেলা প্রশাসক), অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ও বিভাগীয় কমিশনার পদে পদায়িত হবেন। জেলা কমিশনার পদটি এসইএসের জন্য বরাদ্দ থাকলেও সেখানেও প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদায়নের সুপারিশ করেছে সংস্কার কমিশন। এ ক্ষেত্রে একই পদে তিনি এসইএস কর্মকর্তার সমমান পাবেন না। এ ছাড়া ‘অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)’ পদবি পরিবর্তন করে ‘অতিরিক্ত জেলা কমিশনার (ভূমি ব্যবস্থাপনা) করার প্রস্তাব করা হয়েছে। দক্ষ, জনমুখী, শিক্ষার্থীবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে জনপ্রশাসনের নানা ক্ষেত্রে দুই শতাধিক সংস্কার প্রস্তাবের সুপারিশ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

বর্তমানে উপসচিব থেকে সচিব পর্যন্ত পদগুলোকে সরকারের পদ বলা হয়। প্রশাসন ক্যাডারের ৭৫ শতাংশ এবং অন্য সব ক্যাডারের ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা উপসচিব পদে পদোন্নতি পান। যদিও প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা উপসচিব থেকে সচিব পর্যন্ত শতভাগ পদে পদোন্নতির দাবি জানিয়ে আসছেন। আর প্রশাসন ক্যাডার বাদে অন্য সব ক্যাডারের কর্মকর্তারা পরীক্ষা নিয়ে উপসচিবের শতভাগ পদে পদোন্নতির দাবি জানিয়েছেন।

 

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে এই সম্মেলন শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী যোগদান করেছেন। সম্মেলনে আসা বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তিনি কথা বলছেন।’

এই ফোরামে অংশ নেওয়া চীনা বিনিয়োগকারী ও শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ, নীতিগত সুবিধা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত ও প্রত্যক্ষ ধারণা লাভ করবেন।

এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ বা ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন তারেক রহমান। এর আগে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলোইস জভিংগি।

 

চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা দেওয়া হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জবাবে আলোইস জভিংগি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ বৈশ্বিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী সংস্থাগুলোর আগ্রহ বাড়াবে ।

তিনি বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

বরিশালে আ.লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতে মাঠে বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
বরিশালে আ.লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতে মাঠে বিএনপি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ঘিরে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ ঠেকাতে বরিশাল নগরীতে মিছিল-শোডাউন করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। 

 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঘিরে অপতৎপরতা ঠেকাতে পুলিশও চিরুনি অভিযানসহ বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট বসিয়েছে। গত ১৫ দিনে আওয়ামী লীগের দেড় শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে নগর পুলিশ।

আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও শোডাউন করেছে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার। এর আগে নগরীতে শোডাউন ও মিছিল করেছে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এছাড়াও ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকর্মীরা মিছিলসহ শোডাউন করেছে।

অন্যদিকে বরিশাল নগর পুলিশের চার থানায় গ্রেফতার করা হয়েছে আওয়ামী লীগের দেড় শতাধিক নেতাকর্মী।

বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, দিনটিকে ঘিরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতে মাঠে রয়েছে পুলিশ। সন্দেহভাজনদের তল্লাশিসহ আটক করা হচ্ছে। পুলিশ নগরী নির্বিঘ্ন রাখতে তৎপর রয়েছে।

 

ইরানের ১২০০ কোটি ডলার তহবিল ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
ইরানের ১২০০ কোটি ডলার তহবিল ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র

অন্তর্বর্তী চুক্তির শর্ত হিসাবে ইরানের ১২০০ কোটি ডলার জব্দ সম্পদ মুক্ত করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ অর্থ ৬০০ কোটি ডলার করে দুদফায় ছাড় দেওয়া হবে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এ তথ্য জানিয়েছেন। হরমুজ প্রণালি নিয়ে তিনি বলেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন থেকে তেহরান পরিচালনা করবে।

 

গালিবাফের উদ্ধৃতি দিয়ে মঙ্গলবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের জব্দ অর্থ ছাড় দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পদক্ষেপটি দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার তাৎক্ষণিক ফল। এ নিয়ে সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হয়েছে। গালিবাফ এ তহবিল মুক্তিকে সমঝোতা স্মারকের অধীনে তেহরানের অন্যতম প্রধান অর্জন বলে বর্ণনা করেন।

গালিবাফ আরও জানান, চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত অপরিশোধিত তেল রপ্তানি, পেট্রোকেমিক্যাল ও সংশ্লিষ্ট উপজাত পণ্যের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপ ব্যাংকিং, বিমা ও পরিবহণ খাত পর্যন্ত বিস্তৃত।

যুক্তরাষ্ট্রের এসব পদক্ষেপ হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজের চলাচল বাড়াতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং সাবেক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি এনশার বলেন, জাহাজ চলাচলের অগ্রগতি ইঙ্গিত দেয়-চুক্তিটির বাস্তবায়ন ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আলজাজিরাকে তিনি বলেন, ‘উভয়পক্ষই এটা দেখাতে খুব আগ্রহী যে, কোনোভাবে তারা সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন, অথবা অন্তত তাদের দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া হচ্ছে না।’

এএফপি লিখেছে, ছাড়ের অর্থ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সোমবার বলেন-এ অর্থ দিয়ে ইরান সয়াবিনসহ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য কিনতে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ দাবি অস্বীকার করা হয়েছে। জেনেভায় জাতিসংঘের দূত আলি বাহরাইনি এ দাবি অস্বীকার করে বলেন, ইরান সিদ্ধান্ত নেবে, তারা তাদের অর্থ কিসে ব্যবহার করতে চায়। তিনি জানান, শিগগিরই এ অর্থ মুক্ত হতে যাচ্ছে।

পাকিস্তান সফরে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে দেশটিতে গেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তার সঙ্গে আছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও। মঙ্গলবার পেজেশকিয়ান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে দ্য ডন অনলাইন এ খবর জানিয়েছে। পাকিস্তানের সেনেট চেয়ারম্যান ইউসুফ রাজা গিলানি, জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিক এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দারও ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এটি পেজেশকিয়ানের দ্বিতীয় পাকিস্তান সফর।

সাক্ষাৎকালে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ‘ভালো এবং খারাপ সময়ে’ ইরানের পাশে থাকার কথা বলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি সমর্থন জানান। এক বিবৃতিতে পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই দেশের প্রেসিডেন্ট দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক-বিশেষ করে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা, যোগাযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছেন।

আলী খামেনির দাফনের সময়সূচি ঘোষণা : ইরান সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দাফনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের প্রথম হামলায় তিনি নিহত হন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম অনুসারে, অনুষ্ঠানগুলো ৪ জুলাই তেহরানে শুরু হয়ে ৬ জুলাই পর্যন্ত চলবে। ৭ জুলাই শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কোমে স্থানান্তর করা হবে। ৯ জুলাই খামেনিকে তার জন্মস্থান, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।

অংশগ্রহণ সহজ করার জন্য কর্তৃপক্ষ দাফনের প্রধান অনুষ্ঠানগুলোর সময় তেহরানে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। কর্মকর্তারা আশা করছেন, তেহরানের অনুষ্ঠানগুলোতে প্রায় ২ কোটি মানুষ অংশ নেবেন। দাফন কার্যক্রম মূলত মার্চে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধের কারণে তা স্থগিত করা হয়।