খুঁজুন
সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

প্রাইভেট-কোচিং বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ছেন সরকারি-বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা

ফাহিম ফিরোজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
প্রাইভেট-কোচিং বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ছেন সরকারি-বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা

বরিশালে দিন দিন প্রাইভেট বা কোচিং বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ছেন সরকারি-বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা। স্কুলগুলোর অধিকাংশ শিক্ষকরা প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করছেন শিক্ষার্থীদের। আর স্কুল কর্তৃপক্ষ নিচ্ছে না তেমন কোন পদক্ষেপ। ফলে শিক্ষার গুনগতমান থেকে পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে অভিভাবকদের।

জানা গেছে, বরিশাল সরকারি জিলা স্কুল, সরকারি সদর গালস্ স্কুল, সরকারি হালিমা খাতুন স্কুল, সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ, রুপাতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাউনিয়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকরা প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্যে জড়িত।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা সাধারণত প্রাইভেট পড়াতে পারেন না এবং এই বিষয়ে সরকারি নীতি রয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, স্কুল চলাকালীন বা নির্দিষ্ট সময়ের বাইরেও, শিক্ষকরা নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতে পারেন না এবং কোনো বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারের সাথে যুক্ত হতে পারেন না।

বরিশাল সরকারি জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সুনামের সাথে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভালো ফলাফল করছে শতবর্ষী এ প্রতিষ্ঠানটি। তবে কিছু অসাধু শিক্ষকদের কারণে দিন দিন সুনাম নষ্ট হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ শিক্ষকরা প্রাইভেট বা কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত। ক্লাসে ঠিকমত পাঠদান করাচ্ছেন না তারা। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রাইভেট পড়তে শিক্ষার্থীদের চাপ প্রয়োগ করছেন। এমনকি তারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।

জিলা স্কুলের বেশ কয়েকজন শিক্ষক আছেন, যারা ১০০ থেকে ১৫০ শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ান। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতি মাসে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা। এসব শিক্ষকরা অঢেল সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। কেউ কেউ বরিশাল নগরীতে আলিসান বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

একইভাবে সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ অধিকাংশ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারি নীতি অমান্য করে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার অনেক শিক্ষক স্কুলের ভবনে পড়ান প্রাইভেট।

জিলা স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থী নাম প্রাকাশ না করার শর্তে বলেন, শিক্ষকরা ক্লাসে ঠিকমত পড়াচ্ছেন না। বাংলা-ইংরেজী-গণিত-ব্যবসা শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা হয়। প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় নম্বর কম দেয়ার হুমকি দেয়।

অভিভাবকরা বলছেন, টাকা পয়সা খরচ করে সরকারি জিলা স্কুলে ভর্তি করেছি। এখানে শিক্ষকরা ক্লাসে ঠিকমত পাঠদান করান না। সন্তানদের প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন। ফলে সন্তানদের লেখাপড়ায় অতিরিক্ত টাকা খরচ হয়। আর স্কুলে যাওয়ার চেয়ে প্রাইভেট বা কোচিং যাওয়ার আগ্রহ বেশি সন্তাদের। তারা বিষয়টি দেখার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষন করেছেন।

প্রাইভেট বাণিজ্যের সাথে জড়িত জিলা স্কুলের সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, তিনি স্কুলে অতিরিক্ত ক্লাস নিচ্ছেন। প্রাইভেট পড়াচ্ছেন না। তাছাড়া তিনি কোন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেননি। জিলা স্কুলের অপর এক সিনিয়র শিক্ষক মোঃ সফিকুল ইসলাম (ব্যবসায় শিক্ষা) বলেন, শিক্ষকরা প্রাইভেট পড়াবেন, এখানে ক্ষতির কি আছে। পাস-ফেলের কথা বলে কোন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা হচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছায় প্রাইভেট পড়তে আসেন।

এ ব্যাপারে বরিশাল জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) অনিতা রানী হালদার বলেন, আমি স্কুলে প্রাইভেট পড়াতে নিষেধ করেছি। কিন্তু তারা মানছেন না। আর বাসায় প্রাইভেট পড়াচ্ছেন কিনা তা তিনি জানেন না। বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসকসহ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

এদিকে কয়েকটি স্কুলের শিক্ষকরা দুই তিনটি করে প্রাইভেট ব্যাচ পড়ান। সেক্ষেত্রে একেক ব্যাচে ৩০-৪০ জন করে শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়েন। যা কোচিং বাণিজ্যের চেয়েও ভয়াবহ। অপরদিকে এসব ব্যাচ থেকে ১৫ দিনে জন প্রতি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন অসাধু শিক্ষকরা।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা কোচিং এর সাথে জড়িত থাকলে অবশ্যই অভিযোগ সাপেক্ষে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।