খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

পিরোজপুরে ভাসমান নৌকার হাটে মৌসুমে বেচাকেনা ১৫-১৬ কোটি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে ভাসমান নৌকার হাটে মৌসুমে বেচাকেনা ১৫-১৬ কোটি

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পানিতে ভাসমান সারি সারি নৌকা। আকার ও রঙে রয়েছে ভিন্নতা। হরেকরকমের এসব নৌকা বেচাকেনা চলছে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। প্রথম দেখায় এমন দৃশ্য মুগ্ধ করবে যে কাউকে।

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর কুড়িয়ানায় শত বছরের ঐতিহ্য ভাসমান নৌকার হাট। বেচাকেনা হয় হরেকরকমের নৌকা। প্রতি মৌসুমে ১৫-১৬ কোটি টাকার নৌকা বিক্রি হয় এই হাটে।

বছরে একবার ব্যবহার উপযোগী নৌকা কিনতে ভাসমান এই হাটে ভিড় জমান ক্রেতারা। ঘাস কাটা, মাছ ধরা, পেয়ারা, আমড়া পাড়ার প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার উপযোগী নৌকা কিনতে আসেন বরিশাল, বাকেরগঞ্জ, ঝালকাঠি, নলছিটি, বানারীপাড়া, নাজিরপুর, গোপালগঞ্জ, বৈরাকাটা, কাঠালিয়া, রাজাপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ।

বছরের আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র—এই তিন মাস জমে ওঠে ভাসমান নৌকার হাট। সপ্তাহের সোম ও শুক্রবার ভাসমান এই নৌকার হাটের দেখা মেলে। তবে সপ্তাহের শুক্রবারে পুরোপুরি জমে ওঠে ভাসমান নৌকার হাট। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকের ভিড় লক্ষ্য করার পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকেরও আগমন ঘটে এই হাটে।

‘ভাসমান নৌকার হাট শত বছরের পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী। প্রতিহাটে ২০০-২৫০ নৌকা বিক্রি হয়। আর প্রতি মৌসুমে বিক্রি হয় ১৫-১৬ কোটি টাকার নৌকা।’

নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর কুরিয়ানায় ভাসমান নৌকার হাটে সরেজমিনে দেখা যায়, সকালে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শাপলা ফুলের মতো ফুটে আছে সারি সারি নৌকা। আটঘর খাল থেকে ট্রলার কিংবা ইঞ্জিনচালিত কোনো নৌকা ভাসমান হাটের গা ঘেঁষে যাওয়ার পরে সূর্যমুখী ফুলের মতো দুলতে থাকে নৌকাগুলো। কখনো বৃষ্টিতে ভিজে আবার কখনো রোদে পুড়ে বেচাকেনা হয় নৌকা।

শত বছরের পুরোনো ভাসমান নৌকার হাট দেখতে আসা শফিক আহমেদ বলেন, ‌‘প্রতিবছর এই সময়টাতে ঘুরতে আসি। দূর-দূরান্ত থেকে অনেক দর্শনার্থী ভিড় করেন। দেখতে ভালো লাগে।’

কথা হয় বিক্রেতাদের একজন হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে। তিনিবলেন, প্রতি হাটে ২০০-৩০০ নৌকা বিক্রি হয়। বরিশাল, ঝালকাঠির রাজাপুর, উজিরপুরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে নৌকা কিনতে আসেন ক্রেতারা। এখানে বসার জায়গা নেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যদি বসার কোনো ব্যবস্থা করে দিতে তাহলে বিক্রেতাদের বৃষ্টিতে ভিজতে হতো না।

নারায়ণপুর থেকে নৌকা কিনতে এসেছেন ওয়াহেজ উদ্দিন হাওলাদার। তিনি বলেন, ‘এই নৌকা আমাদের সংসারের কাজে ব্যবহার করা হবে। তিন হাজার ২০০ টাকায় নৌকা কিনেছি। খাজনা দিয়েছি ৩২০ টাকা।’

‘প্রতি হাটে ২০০-৩০০ নৌকা বিক্রি হয়। বরিশাল, ঝালকাঠির রাজাপুর, উজিরপুরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে নৌকা কিনতে আসেন ক্রেতারা। এখানে বসার জায়গা নেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যদি বসার কোনো ব্যবস্থা করে দিতে তাহলে বিক্রেতাদের বৃষ্টিতে ভিজতে হতো না।’

নৌকা বিক্রেতা আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘বিক্রির জন্য ২৫টি নৌকা নিয়ে এসেছি। আজ বেচাকেনা কম হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৯টি নৌকা বিক্রি করতে পেরেছি। তুলনামূলকভাবে এখন নৌকার দাম কম।’

তিনি জানান, দুই হাজার ৫০০ থেকে শুরু করে পাঁচ হাজার টাকায় নৌকা বিক্রি হয়। এই নৌকা মানুষ পেয়ারা পাড়া, মাছ ধরাসহ নানা কাজে ব্যবহার করে। বাকেরগঞ্জ থেকে আসা আশরাফ আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘নৌকা কিনতে এসেছি। পছন্দ ও দামে মিললে কিনবো। গরুর ঘাস কাটা, হাট-বাজারে যাওয়াসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করবো।’

বিক্রেতা রুস্তম আলী বলেন, ‘নৌকার হাটটি শত বছরের পুরোনো। অনেক বছর ধরে নৌকা বিক্রি করতে আসি। এই নৌকাগুলো তৈরি করা হয় নেছারাবাদ উপজেলার ডুবি ও চামী গ্রামে। প্রতিটি নৌকা পাইকারি ধরে কিনে আনি দুই হাজার থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে। কাঠভেদে নৌকার দাম নির্ধারণ হয়। নৌকাপ্রতি ৫০০ থেকে হাজার টাকা লাভ থাকে। কেনার ওপরে নির্ভর করে কত টাকা লাভ হবে।’

ভাসমান নৌকার হাটের ইজারাদার আবুল বাশার। তিনি বলেন, ভাসমান নৌকার হাট শত বছরের পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী। প্রতিহাটে ২০০-২৫০ নৌকা বিক্রি হয়। আর প্রতি মৌসুমে বিক্রি হয় ১৫-১৬ কোটি টাকার নৌকা।

সমস্যার কথা জানিয়ে আবুল বাশার বলেন, বসার কোনো জায়গা নেই। খাজনা আদায় করতে হয় বৃষ্টিতে ভিজে। এই মৌসুমে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়। তাই উপজেলা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, আমাদের একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক; যেখানে ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই বসতে পারবেন।

এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ভাসমান নৌকার হাটটি শত বছরের পুরোনো। নৌকা বেচাকেনার পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকরাও এখানে ঘুরতে আসেন। আমরা চাই এটি আরও সমৃদ্ধ হোক।

তিনি বলেন, যারা এখানে আসেন তাদের সুযোগ-সুবিধার কথা আমরা ভাবছি। কীভাবে তাদের জন্য আরও ভালো ব্যবস্থা করা যায়, অন্যান্য বিষয়গুলো কীভাবে আরও বেশি উন্নত করা যায়; সেসব চিন্তা আমাদের রয়েছে।

 

ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ
ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

রানি বাহিনী তাদের সীমান্ত থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ফাদাভি।

ইরানের প্রেস টিভির বরাত দিয়ে আল-জাজিরা বলেছে, টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফাদাভি বলেছেন, ‘মার্কিনরা পালিয়ে গেছে এবং আমাদের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে সরে গেছে। তারা নিজেদের ইচ্ছায় সরে যায়নি; ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও আইআরজিসির স্থলবাহিনীর ক্ষমতার কারণেই তারা এটি করতে বাধ্য হয়েছে।

ফাদাভি আরও দাবি করেন, এই প্রথম পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি, ওমান সাগর এমনকি উত্তর ভারত মহাসাগরেও কোনো মার্কিন জাহাজ নেই। তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো আইআরজিসির হামলার শিকার হওয়ার ‘১০০ শতাংশ ঝুঁকিতে রয়েছে’।

ফাদাভির এই দাবি এমন সময়ে এল, যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোয় কঠোর নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ‘কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে’ জুলাই থেকে তারা ১২৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।