খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পাল্টা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শেবাচিমের চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারীদের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫, ৬:২২ অপরাহ্ণ
পাল্টা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শেবাচিমের চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারীদের

স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা। তাদের সমর্থন দিয়ে পাল্টা আন্দোলনে যুক্ত হতে দেখা গেছে ওষুধ বিপণনকর্মীদের। এর আগে অনশনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান নার্স-কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এসব কর্মকাণ্ডে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে হাসপাতালটিতে। নিরাপত্তায় প্রধান গেট বন্ধ করতে দেখা গেছে। কাউকে শিক্ষার্থী সন্দেহ হলেই মারধর করছেন হাসপাতালের কর্মচারীরা। হাসপাতালের সামনে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ি অবস্থান করছে।

হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা বেশ কয়েক দফা দাবি উত্থাপন করে বিক্ষোভ করেছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অ্যাডমিশন এবং পোস্ট অ্যাডমিশন ওয়ার্ডে আনসার সদস্যদের দ্বারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হাসপাতালে দর্শনার্থী প্রবেশ দর্শনার্থী কার্ডের মাধ্যমে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, জরুরি ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগকে কার্যকর করা, হাসপাতালের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা, হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা এবং হাসপাতালের বেড সংখ্যার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি নেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে বেড সংখ্যা বাড়াতে হবে।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সাখাওয়াত হোসেন জানান, স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের যৌক্তিক আন্দোলনে আমাদেরও পূর্ণ সমর্থন ছিল। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরিশালে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবি মেনে নেন। এরপরও যারা আন্দোলন চালিয়ে চিকিৎসাসেবায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে তাদের কারণে আমরা কর্মপরিবেশ পাচ্ছি না। আন্দোলনকারীরা সারাক্ষণ হাসপাতালে রোগীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন। একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন। তারা সারাক্ষণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করে চিকিৎসক ও নার্সসহ হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে মানহানিকর শব্দচয়ন করছে। তারপরও আন্দোলনে যৌক্তিকতা থাকায় আমরা চুপ ছিলাম। কিন্তু মহাপরিচালকের আশ্বাসের পর এ আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই।

তিনি বলেন, শুক্রবারের মধ্যে আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে আমরা লাগাতার কর্মবিরতিতে যাব। সে ক্ষেত্রে আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে দেশের অন্য হাসপাতালও থাকবে।

তবে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার আন্দোলনের একাংশের মুখপাত্র নাভিদ নাসিফ বলেন, আমাদের কর্মসূচি ছিল অহিংস। কিন্তু হাসপাতালের লোকজন পরিকল্পনা করে আমাদের ছাত্র ভাইদের মারধর করেছে। আমাদের হাসপাতাল থেকে বেড় করে দিয়েছে। বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা এখনো বলছি যতই হামলা করা হোক আন্দোলন থেকে পিছু হটবো না। স্বাস্থ্যখাতের সংস্কার করতেই হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানিয়েছেন, নার্স, কর্মচারী ও ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা মিলে হাসপাতালে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। তারা ছাত্রদের দুইজনকে গণমারধর করেছে। রোগী ও রোগীর একজন স্বজনকেও মারধর করা হয়েছে।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডাঃ মনিরুজ্জামান শাহীন বলেন, অনশনরতদের ওপর হামলার ঘটনা সর্ম্পকে জানা নেই। দ্রুতই খো*জ নিযে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ. কে. এম. মশিউল মুনীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। তবে তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার (১৩ আগস্ট) বরিশাল সফরে আসেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন। এছাড়া হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলন করে জনভোগান্তি করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। এ ঘোষণার একদিন পরেই আন্দোলনকারীদের ওপর হাসপাতালের কর্মচারীরা হামলা চালালেন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, হাসপাতালের নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ওই এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত।

এদিকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের সঙ্গে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কথা বলেন এবং দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এরপর আন্দোলনকারীদের একটি অংশ এক মাসের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন। মহিউদ্দিন রনির নেতৃত্বাধীন আন্দোলনকারীরা আন্দোলন চালিয়ে যান।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়েছিল দুই নবজাতকের লাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়েছিল দুই নবজাতকের লাশ

বরিশাল নগরের ময়লার স্তূপ থেকে দুই নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তাদের একজন ছেলে ও অন্যজন মেয়ে। 

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে নগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বগুড়া রোডের গফুর সড়কের বিপরীতে নতুন বাজার ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন ময়লার স্তূপ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী জাকির হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো ময়লা পরিষ্কার করছিলাম। হঠাৎ দুটি প্লাস্টিকের বাটি চোখে পড়ে। কাছে গিয়ে দেখি, ভেতরে দুটি নবজাতক শিশু রয়েছে। তখন স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানাই। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নতুন বাজার ও এর আশপাশে একাধিক বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের ধারণা, কোনো একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা-আবর্জনার সঙ্গে নবজাতক দুটির লাশ ওই স্থানে এসে থাকতে পারে।

কোতোয়ালী থানার ওসি আল মামুন ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সময় পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় টহলে ছিল। থানা থেকে বিষয়টি জানানোর পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতি দেখে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে খবর দেওয়া হয়। পরে নবজাতক দুটির লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।

নবজাতক দুটির পরিচয় এবং কীভাবে তাদের লাশ ময়লার স্তূপে এলো- তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।