খুঁজুন
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

পশ্চিম তীরের ইব্রাহিমি মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
পশ্চিম তীরের ইব্রাহিমি মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল

অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করা ইহুদিরা তাঁদের একটি ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপন করছেন। এ কারণে হেবরনের ওল্ড সিটিতে ফিলিস্তিনিদের জন্য কারফিউ জারি করেছে ইসরায়েল। এমনকি ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের সেখানকার ঐতিহ্যবাহী ইব্রাহিমি মসজিদে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় সমাজকর্মীরা গতকাল শনিবার এ তথ্য জানান।

ওল্ড সিটি অব হেবরনের বাসিন্দা আরেফ জাবের হেবরন ডিফেন্স কমিটির একজন সদস্য। তিনি তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলুকে বলেন, গত শুক্রবার সকাল থেকে ইসরায়েলি সেনারা হেবরনের ওল্ড সিটির বিভিন্ন এলাকায় কারফিউ জারি করে রেখেছেন।

আরেফ জাবের আরও বলেন, ইসরায়েলি বাহিনী ওল্ড সিটিতে যাওয়ার সব সামরিক তল্লাশিচৌকি বন্ধ করে দিয়েছে। সেখান থেকে কাউকে ঢুকতে বা বের হতে দিচ্ছে না। ফলে সেখানকার বাসিন্দা অনেক ফিলিস্তিনি নিজ বাড়িঘরে ফিরতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে হেবরনের অন্যান্য অংশে থাকা স্বজনদের বাড়িতে থাকছেন তাঁরা।

 

জাবের আরও বলেন, অবৈধভাবে বসতি স্থাপনকারী কয়েক শ ইহুদি শুক্রবার রাতে শোভাযাত্রা করে ওল্ড সিটিতে প্রবেশ করেন। গতকাল রাতে আবার তাঁরা একইভাবে শোভাযাত্রা নিয়ে ওল্ড সিটিতে যান। ইসরায়েলি বাহিনী এ শোভাযাত্রাকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিয়েছে। হেবরনের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় শোভাযাত্রা থেকে নানা উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়।

 

অবৈধভাবে বসতি স্থাপনকারী কয়েক শ ইহুদি শুক্রবার রাতে শোভাযাত্রা করে ওল্ড সিটিতে প্রবেশ করেন। শনিবার রাতে আবার তাঁরা শোভাযাত্রা নিয়ে ওল্ড সিটিতে যান। ইসরায়েলি বাহিনী ওই শোভাযাত্রাকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিয়েছে।

জাবেরের আশঙ্কা, ইসরায়েল কারফিউ জারি করে ইব্রাহিমি মসজিদের সম্পূর্ণটা দখল করে সেটিকে সিনাগগে রূপান্তর করতে চাইছে। এ চেষ্টার অংশ হিসেবে তারা কারফিউ জারি করে সেখানে মুসলিমদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না।

১৯৯৪ সালে ইসরায়েল মসজিদ কমপ্লেক্সটি ভাগ করে। এটির ৬৩ শতাংশ ইহুদিদের জন্য ও ৩৭ শতাংশ মুসলমানদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। সে সময় একজন ইহুদি বসতি স্থাপনকারী ২০ ফিলিস্তিনি মুসল্লিকে হত্যা করেছিলেন।

ইসরায়েল বছরে ১০ দিন মুসলিমদের জন্য ইব্রাহিমি মসজিদ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখে। এ সময়ে ইহুদিরা ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপন করেন।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়েছিল দুই নবজাতকের লাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়েছিল দুই নবজাতকের লাশ

বরিশাল নগরের ময়লার স্তূপ থেকে দুই নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তাদের একজন ছেলে ও অন্যজন মেয়ে। 

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে নগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বগুড়া রোডের গফুর সড়কের বিপরীতে নতুন বাজার ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন ময়লার স্তূপ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী জাকির হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো ময়লা পরিষ্কার করছিলাম। হঠাৎ দুটি প্লাস্টিকের বাটি চোখে পড়ে। কাছে গিয়ে দেখি, ভেতরে দুটি নবজাতক শিশু রয়েছে। তখন স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানাই। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নতুন বাজার ও এর আশপাশে একাধিক বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের ধারণা, কোনো একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা-আবর্জনার সঙ্গে নবজাতক দুটির লাশ ওই স্থানে এসে থাকতে পারে।

কোতোয়ালী থানার ওসি আল মামুন ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সময় পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় টহলে ছিল। থানা থেকে বিষয়টি জানানোর পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতি দেখে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে খবর দেওয়া হয়। পরে নবজাতক দুটির লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।

নবজাতক দুটির পরিচয় এবং কীভাবে তাদের লাশ ময়লার স্তূপে এলো- তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।