খুঁজুন
শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

৫০০ কারখানায় কাঠের গন্ধ, খালে নৌকার সুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
৫০০ কারখানায় কাঠের গন্ধ, খালে নৌকার সুর

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির বলদিয়া ইউনিয়নের ডুবি গ্রাম। গ্রামে ঢুকতেই মনে হয় যেন এক বিশাল খোলা কর্মযজ্ঞ। বাতাসে ভাসছে তাজা কাঠের গন্ধ, খালে ভাসছে নতুন নৌকা। খালের ধার ঘেঁষে সারি সারি কারখানা—কোথাও কাঠ কেটে মাপ নেওয়া হচ্ছে, কোথাও বসানো হচ্ছে নৌকার পাটাতন।

উঠানে নৌকা, বারান্দায় নৌকা, এমনকি রান্নাঘরেও নৌকা—এ যেন গ্রামজুড়ে নৌকার উৎসব। এই উৎসব চলে সারা বছর, তবে বৈশাখ থেকে কার্তিক পর্যন্ত থাকে সবচেয়ে বেশি জমজমাট। তখন স্কুলগামী শিশুরাও হাত লাগায় নৌকা তৈরির কাজে। বর্ষায় এখানকার কর্মচাঞ্চল্য যেন দ্বিগুণ হয়।

খাল-বিলের গ্রামগুলোতে যাতায়াতের প্রধান ভরসা নৌকা। আর নৌকা তৈরির সবচেয়ে বড় কেন্দ্র এই ডুবি গ্রাম। স্থানীয়দের দাবি, গ্রামজুড়ে রয়েছে প্রায় পাঁচ শ ছোট-বড় নৌকা কারখানা, যেখানে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে ডিঙ্গি নৌকা। পেয়ারা সংগ্রহ থেকে বাজারজাতকরণ—সবই হয় এই নৌকায় করে।

আটঘর-কুড়িয়ানার পেয়ারা চাষিরা এই নৌকা ব্যবহার করেন, আর আশপাশের বিল অঞ্চলের মানুষ বছরের দুই-তৃতীয়াংশ সময় যাতায়াত করে এগুলোয় ভরসা করে।

প্রায় এক শতাব্দী আগে খালকেন্দ্রিক জীবনযাপন টিকিয়ে রাখতে এখানকার মানুষ শুরু করেছিল নৌকা বানানো। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সেই ধারা আজও চলছে। শুধু নৌকা তৈরিই নয়, গড়ে উঠেছে শতবর্ষী নৌকার হাটও। প্রতি শুক্রবার সেখানে শত শত নৌকা বিক্রি হয়।

স্থানীয়দের মতে, বছরে কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয় এই হাটে।
নৌকা তৈরির প্রধান উপকরণ কাঠ, আর সেই কাঠের সবচেয়ে বড় বাজার স্বরূপকাঠির ইন্দুরহাটে। সন্ধ্যা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে এই কাঠের হাট।

ডুবি গ্রামের প্রবীণ কারিগর আব্দুল বারেক বলেন, ‘আমার দাদা আশ্বেদ আলীর হাত ধরে এই গ্রামে নৌকা বানানো শুরু হয়। তখন সুন্দরবনের শাল, সেগুন আর সুন্দরী কাঠ দিয়ে একটি নৌকা বানাতে দুই সপ্তাহ লেগে যেত। পরিবারের সবাই মিলে কাজ করতাম। বাবা আতাহার আলীও ছিলেন নৌকার কারিগর। বাবার কাছ থেকেই পাঁচ ভাই এই পেশায় হাতেখড়ি নিয়েছি। এখন যন্ত্রপাতি বদলেছে, কাঠ বদলেছে, কিন্তু হাতের কাজের টান আগের মতোই আছে। এখন দুজন মিলে এক দিনে একটি নৌকা তৈরি হয়ে যায়।’

কারিগর কবির হোসেন জানান, বর্ষাকালে বরিশালের আগৈলঝাড়া, উজিরপুর, পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি, নাজিরপুর এবং গোপালগঞ্জের বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে নৌকা ছাড়া চলাচল প্রায় অসম্ভব। মৌসুম এলেই চাহিদা এত বেড়ে যায় যে অর্ডারের তালিকা দীর্ঘ হতে থাকে। বিশেষ করে স্বরূপকাঠি, বানারীপাড়া ও ঝালকাঠির পেয়ারা চাষিরা নৌকায় করে বাগান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করেন এবং অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছে দেন।

ডুবি গ্রামের অন্তত ২০ জন কারিগরের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি কারখানায় ৩-৫ জন মিস্ত্রি নিয়মিত কাজ করেন। রেইন্ট্রি, চাম্বল ও কড়াই কাঠ দিয়েই তৈরি হয় নৌকার গা। ১৮ ফুট লম্বা ছোট নৌকা বানাতে দুজনের লাগে এক দিন, মাঝারি নৌকা শেষ হতে লাগে দুই দিন। নকশা করা নৌকা তৈরি করতেও কেউ কেউ পারদর্শী। বায়না ছাড়া সাধারণত নৌকা বানানো হয় না; অর্ডারের নৌকা তৈরিতে সময় লাগে প্রায় এক সপ্তাহ।

বাজার থেকে কাঠ কিনে স্ব-মিলে চেরাই করিয়ে কারখানায় আনা পর্যন্ত সব কাজ নিজেরাই করেন কারিগররা। কাঠের ধরন অনুযায়ী দামের তারতম্য হয়—ছোট নৌকা বিক্রি হয় ২,৮০০ টাকায়, মাঝারি নৌকা ৩,৫০০ থেকে ৪,০০০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা এগুলো কিনে আটঘর-কুড়িয়ানার হাটে নিয়ে যান, যেখানে দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৩,৫০০ থেকে ৪,৫০০ টাকা। বর্ষায় চাহিদা বেশি থাকায় দাম আরো বেড়ে যায়। প্রতিটি নৌকা বিক্রিতে খরচ বাদ দিয়ে কারিগররা গড়ে ৫০০ টাকা লাভ পান।

ডুবি গ্রামের শত শত পরিবার প্রজন্ম ধরে এই পেশায় জড়িত। বর্ষাকালে গ্রামটির অর্থনীতিতে কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয়। তবু সরকারি নিবন্ধন না থাকায় তারা সুবিধাবঞ্চিত, এমনকি সরকারি আর্থিক সহায়তাও পান না।

৩০ বছর ধরে নৌকা বানানো মাসুম মিস্ত্রি জানান, বৈশাখ থেকে কার্তিক পর্যন্ত মাসে গড়ে ২০ হাজার টাকা আয় হয়। একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে তিনি ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন, যা সুদসহ ৪৬ কিস্তিতে পরিশোধ করতে গিয়ে এখন আর্থিক চাপে আছেন। সরকারি সহজ শর্তের ঋণ সুবিধা থাকলেও বিসিকে গিয়ে দেখেছেন, সেখানে একজন সরকারি কর্মচারীর সুপারিশ ছাড়া ঋণ পাওয়া যায় না। সেই জামিনদার জোগাড় না করতে পারায় তিনি সরকারি সহায়তা পাননি।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) পিরোজপুর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপব্যবস্থাপক এইচ এম ফাইজুর রহমান জানান, ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প চালু আছে, তবে ঋণ পেতে সরকারি একজন কর্মচারীর জামিনদার থাকতে হয়। এ কারণে ডুবি গ্রামের কারিগরেরা ৬ শতাংশ সুদে এক থেকে পাঁচ লাখ টাকার ঋণ সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, অন্তত ৫০০ পরিবারের দুই হাজারের বেশি মানুষ সরাসরি এই পেশায় জড়িত। কালের কণ্ঠ

 

৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

ডিসেম্বর মাসের প্রথম আট দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। এ জন্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে মূলত প্রবাসী ও রপ্তানি আয়ের ধারাকে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এই ডলার কেনা হয়।

এ সময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা পর্যন্ত। কাট-অফ রেট ১২২ টাকা ২৯ পয়সা, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫১ কোটি ৪০ লাখ (২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার) ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মাসের ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ১০০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ৮ ডিসেম্বর এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

পাশাপাশি গত জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন সমাবেশ, আন্দোলন করা থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।

এ বিষয়ে সতর্ক করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়- এটিই বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল লক্ষ্য। একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য যা যা করণীয় সরকার সেই দিকেই মনোনিবেশ করছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদনহীন সভা–সমাবেশ ও আন্দোলন নিয়ে সতর্ক করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অনেকেরই নায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে। গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ সংঘটিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আন্দোলনকারীরা দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছেন। সরকার নায্য দাবিতে সব সময়ই সাড়া দিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে।

‘কিন্তু আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। এ কারণে সকলের যা কিছু দাবি-দাওয়া আছে তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমরা আশা করব, এ সময়ের মধ্যে কেউ দাবি-দাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন করবেন না।’

চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

ত্রয়োদশ ‎জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কখন ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সপ্তাহে তফসিল হয়ে যাবে।’

দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। সাক্ষাৎ শেষে প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে এলে তাঁকে স্বাগত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওনার (প্রধান বিচারপতি) সাথে কথা হয়েছে। উনি অবসরে চলে যাচ্ছেন। একটা ফেয়ারওয়েল কল (বিদায়ী সাক্ষাৎ) করতে এসেছি ওনার সাথে।…উনি এ মাসে অবসরে যাবেন। আমরা একসাথে কাজ করেছি। সে জন্য ওনার সাথে একটা ফেয়ারওয়েল কলের মতো, সৌজন্য সাক্ষাৎ আছে না একটা, ফেয়ারওয়েল কল করতে এসেছিলাম ওনার সঙ্গে। অন্য কোনো বিষয় নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’ (নির্বাচনী তদন্ত কমিটি) যাতে ওনারা ডিপ্লয় করবেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে। এই কাজটা যাতে উনি ত্বরান্বিত করেন, সে বিষয়ে ওনাকে অনুরোধ জানিয়েছি।’

প্রধান বিচারপতি কী আশ্বাস দিয়েছেন—এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘উনি (প্রধান বিচারপতি) জাস্ট, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির যে লোকজন দেওয়ার কথা আছে, ডেপ্লয়মেন্ট আছে, সে ব্যাপারে ওনারা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং নেবেন, কোনো অসুবিধা হবে না বলে অ্যাসিউর (আশ্বস্ত) করেছেন।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, মামলা নিয়ে কোনো কথা হয়নি।