খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

সর্বাধিক মাদক ব্যবহারকারী ঢাকা বিভাগে, কম বরিশালে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
সর্বাধিক মাদক ব্যবহারকারী ঢাকা বিভাগে, কম বরিশালে

বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহারকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা, ধরণ ও সংশ্লিষ্ট কারণসমূহ নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত জাতীয় পর্যায়ের গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশে বর্তমানে আনুমানিক ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনো ধরণের মাদক ব্যবহার করছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। 

 

মাদক ব্যবহারকারীদের ৫৯ শতাংশ তরুণ, যারা ১৮-২৫ বছর বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করে। এছাড়া মাদক ব্যবহারের ধরণ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক গাঁজা (ক্যানাবিস)।  যার ব্যবহারকারী আনুমানিক সংখ্যা ৬০ লাখ ৭৯ হাজার ৯১৪ জন।  গবেষণায় সিগারেট সেবনকে মাদক ব্যবহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স হলের ৫০৪ নম্বর রুমে প্রকাশিত গবেষণায় এ তথ্য উঠে আসে।

বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্টস লিমিটেড (আরএমসিএল) যৌথভাবে গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করে।  গবেষণায় নেটওয়ার্ক স্কেল-আপ ম্যাথড (এনএসইউএম) ব্যবহার করে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে দেশের আটটি বিভাগের ১৩টি জেলা ও ২৬টি উপজেলায় তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, বিভাগভেদে মাদক ব্যবহারের হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।  ময়মনসিংহ (৬.০২ শতাংশ), রংপুর (৬.০০ শতাংশ) ও চট্টগ্রাম (৫.৫০ শতাংশ) বিভাগে মাদক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি।  অন্যদিকে রাজশাহী (২.৭২ শতাংশ) ও খুলনা (৪.০৮ শতাংশ) বিভাগে তুলনামূলকভাবে কম হার লক্ষ্য করা গেছে।

 

সংখ্যার বিচারে সর্বাধিক মাদক ব্যবহারকারী বসবাস করছে ঢাকা বিভাগে (প্রায় ২২.৯ লাখ), এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম (১৮.৮ লাখ) ও রংপুর বিভাগ (প্রায় ১০.৮ লাখ)।  বিভাগভিত্তিক মাদক ব্যবহারকারীর আনুমানিক সংখ্যা বরিশাল বিভাগে ৪ লাখ চার হাজার ১১৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৮ লাখ ৭৯ হাজার ৫০৩ জন, ঢাকা বিভাগে ২২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৭০ জন, খুলনা বিভাগে ৭ লাখ ২৬ হাজার ২১০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮১২ জন, রাজশাহী বিভাগে ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৫০৯ জন, রংপুর বিভাগে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৮ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ লাখ ৮৮ হাজার ১৪১ জন।  সমগ্র দেশ (যেকোনো ধরণের মাদক ব্যবহারকারী) ৮১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ জন।

বেকারত্ব, বন্ধুমহলের প্রভাব, আর্থিক অনিশ্চয়তা, পারিবারিক অস্থিরতা, মানসিক চাপ ও অনানুষ্ঠানিক পেশায় যুক্ত থাকা মাদক ব্যবহারের প্রধান ঝুঁকিপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত হযেছে।  আশঙ্কাজনকভাবে, প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী মাদক সহজলভ্য বলে জানিয়েছে।

মাদক ব্যবহারের ধরণ অনুযায়ী মাদক ব্যবহারকারীর আনুমানিক সংখ্যা হলো গাঁজা (ক্যানাবিস) ৬০ লাখ ৭৯ হাজার ৯১৪ জন, মেথামফেটামিন (ইয়াবা) ২২ লাখ ৯২ হাজার ৭০৫ জন, অ্যালকোহল ২০ লাখ ২০ হাজার ৯৭৭ জন, কোডিন ফসফেট (কফ সিরাপ) ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬০ জন, হেরোইন ৩ লাখ ২২ হাজার ৬৭৭ জন, ঘুমের ওষুধ ৩০ লাখ ৫ হাজার ৬৯৪ জন, ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৪৭ ইনহেল্যান্ট (যেমন: আঠা, পেইন্ট থিনার) এবং ৩৯ হাজার ৬১ ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ করে। এছাড়া ১১ হাজার ৮৮৮ ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ৫ হাজার ৯৫ এলএসডি এবং ১৩ লাখ ৫ হাজার ৮৬৪ অন্যান্য মাদক ব্যবহার করে।  এই ধরণের মাদক গ্রহণকারীদের এইচআইভি, হেপাটাইটিস ও অন্যান্য সংক্রামক রোগের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।  গবেষণায় জানানো হয়, একজন মাদক সেবনকারী মাসে কমবেশি ছয় হাজার টাকা ব্যয় করেন।

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে যে, মাদক ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই তরুণ বয়সের।  প্রায় ৩৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ৮-১৭ বছর বয়সে বা শিশু বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করেছে।  ৫৯ শতাংশ ব্যবহারকারী ১৮-২৫ বছর বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করেছে।

 

বাংলাদেশে মাদক ব্যবহারকারী চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ খুবই সীমিত।  গবেষণায় দেখা যায়, মাত্র ১৩ শতাংশ মাদক ব্যবহারকারী কখনো চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা গ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছেন।  যদিও অর্ধেকের বেশি ব্যবহারকারী মাদক ছাড়ার চেষ্টা করেছেন, পর্যাপ্ত মাদক নির্ভরতার চিকিৎসাসেবা, কাউন্সেলিং, সামাজিক ও আর্থিক সহাযতার অভাবে অধিকাংশই সফল হতে পারেনি।  মাদক ব্যবহারকারীরা চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা (৬৯ শতাংশ), কাউন্সেলিং (৬২ শতাংশ) এবং কর্মসংস্থান সহায়তাকে (৪১.২ শতাংশ) সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন হিসেবে উল্লেখ করেছে।  ৬৮ শতাংশ মাদক ব্যবহারকারী সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষেত্রে অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

বিএমইউ এর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম তার বক্তব্যে মাদক প্রতিরোধে পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট এবং আরো গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এটা ভাবার কারণ নাই যে কিছু সংখ্যক খারাপ মানুষ মাদকাসক্ত এবং আমরা বা আমাদের সন্তানেরা মাদক থেকে দূরে রয়েছে।  প্রকৃতপক্ষে আমরা বা আমাদের সন্তানেরা মাদাকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছি। সবাইকে সচেতন হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবেই এই ঝুঁকিকে মোকাবিলা করতে হবে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিপ্তরের মহাপরিচালক জনাব মো. হাসান মারুফ বলেন, বর্তমান সময় ও বাস্তবতা হলো দেশের মানুষ মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সামাজিক আন্দোলন, একটি সামাজিক যুদ্ধের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে মাদক এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। মাদক নির্মূলে পরিবার থেকেই হোক প্রতিরোধ তা নিশ্চিত করতে হবে। মাদকাসক্তদের চিকিৎসাসেবা বিস্তারের লক্ষ্যে ঢাকা বাদে আরও ৭টি বিভাগে ২০০ শয্যা করে ৭টি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র চালুর প্রকল্প বর্তমান সরকার পাশ করেছে।

বিএমইউর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার তার বক্তব্যে মাদক সরবরাহের উৎস ও চাহিদা কমানোর ওপর গুরত্বারোপ করে বলেন, শিশুরা-তরুণরা যারা জীবনটাকে বুঝতে পারার আগেই মাদকাসক্ত হচ্ছে। অবশ্যই আমাদের সবাইকে মিলে এই শিশু ও তরুণ সমাজকে মাদক সেবনের ভয়াবহ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতেই হবে।

সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই গবেষণার ফলাফল স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে মাদক সমস্যা কেবল আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়; এটি একটি জটিল জনস্বাস্থ্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা। শুধুমাত্র দমনমূলক বা শাস্তিমূলক পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে প্রতিরোধ, চিকিৎসা, পুনর্বাসন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক পুনঃএকত্রীকরণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত জনস্বাস্থ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করাই এখন সময়ের দাবি। গবেষণার এই তথ্যভিত্তিক প্রমাণ ভবিষ্যতে জাতীয় নীতি প্রণয়ন, কর্মসূচি পরিকল্পনা এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জনাব মোহাম্মদ গোলাম আজম, কো-ইনভেসটিগেটর অধ্যাপক ড. মো. তাজুল ইসলাম, কো-ইনভেসটিগেটর ফোরকান হোসেন, বিএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান, অতিরিক্ত পরিচালক (সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল) ডা. মো. শাহিদুল হাসান বাবুল প্রমুখ।

বরিশালে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
বরিশালে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে বরিশালের এক আদালত।

বুধবার বিকেলে এ রায়ে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু শামীম আজাদ আসামিকে একই সাথে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে আরো দুই বছরের কারাদণ্ড দেন বলে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান।

দণ্ডপ্রাপ্ত আনিচ সরদার গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের কাণ্ডপাশা গ্রামের কাশেম সরদারের ছেলে।

মামলার বিবরণ দিতে গিয়ে ওই আদালতের বিশেষ পিপি ফয়জুল হক ফয়েজ জানান, ২০০৭ সালের ১০ মে কাণ্ডপাশা গ্রামের এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী যুবক আনিচ সরদার।

“এ ঘটনায় ১৩ মে গৌরনদী থানায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার তরুনীর মা। ওই বছরের ২৭ অগাস্ট আনিচের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সরিকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মাহবুবে আলম।”

এ মামলার ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

রায় ঘোষণার সময় ওই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বরিশালে আগুনে পুড়ল ৩ বসতঘর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
বরিশালে আগুনে পুড়ল ৩ বসতঘর

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামে হাওলাদার বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি।

বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আরিফ জানান, ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর সড়ক সরু হওয়ায় অগ্নিনির্বাপক গাড়ি বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি। পুকুরের পানি ব্যবহার করে আগুন নেভানোর কারণে কিছুটা দেরি হয়। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, প্রথমে ওই বাড়ির মজিবুর হাওলাদারের ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতার কারণে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই আগুনে তিনটি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ প্রয়োজনীয় সব মালামাল আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুন লাগার পর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।ঘটনার পর বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো পরিদর্শন করেন এবং সরকারি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

অবহেলিত হিজলা আর অবহেলিত থাকবে না-রাজিব আহসান

হিজলা প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
অবহেলিত হিজলা আর অবহেলিত থাকবে না-রাজিব আহসান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বরিশাল-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত (ধানের শীষ) প্রতীকের প্রার্থী রাজিব আহসান এর সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান  তার বক্তব্যে বলেন, আমি এমপি হলে অবহেলিত হিজলা আর অবহেলিত থাকবে না।

নানা প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে একটি পৌরসভা, উপজেলা অডিটরিয়াম, উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন, নদী ভাঙ্গন রোধে বাঁধ নির্মাণসহ নানা প্রতিশ্রুতি। এছাড়াও সাধারন নাগরিকের সুবিধার নিশ্চিত এর লক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসনের হয়রানি থেকে মুক্ত করা হবে।

 

তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।এসময় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন,বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক দেওয়ান মোঃ শহীদুল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অলিউদ্দিন সুমন, সহ বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ,অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এ্যাডভোকেট দেওয়ান মোঃ মনির হোসেন  সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাপ হোসেন খোকন। বিকাল তিনটা থেকেই উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন থেকে আলাদা আলাদা মিছিল এসে জনসভায় অংশগ্রহণ করেন নেতাকর্মীরা।