সরাসরি তদারকির দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রী, হচ্ছে তদন্তও
গ্যাস সংকটে দিশেহারা মানুষ। গ্যাস নেই গাড়িতে ও বাড়িতে। শিল্পে উৎপাদন তলানিতে। দীর্ঘ প্রায় এক মাস ধরে চলা গ্যাস সংকটে রপ্তানি বাণিজ্য তথা সামগ্রিক অর্থনীতিতে ধস নামার উপক্রম হয়েছে। হঠাৎ পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি গ্যাস সংকটের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুনের ঘটনা এবং সরাসরি ক্রয় নীতির আওতায় এলএনজি কার্গো ক্রয় এবং সময়মতো সরবরাহ না দেওয়ার বিষয়টিতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারার ব্যর্থতার দায় এসে পড়েছে জ্বালানি বিভাগের ওপর। এমন অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদকে এলএনজি ক্রয়সহ জ্বালানি বিভাগের কার্যক্রম নিয়মিত জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। উপদেষ্টা রেহান আসিফ বুধবার যুগান্তরকে বলেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।
এদিকে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে ২১ জুলাই আগুন লাগার কারণ উদ্ঘাটনে সরকারি তদন্ত দলকে সহযোগিতা না করার বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আগুন লাগার পর টার্মিনালটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় গ্যাস সরবরাহ করতে না পারায় সংকটের যাত্রা শুরু হয়। জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব ফজলুল হকের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটিকে কোনো সহযোগিতাই করেনি এক্সিলারেট। কমিটির সদস্যরা মাতারবাড়ি পৌঁছার পরও তাদের টার্মিনালে উঠতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীও ওই টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে ব্যর্থ হন। প্রতিমন্ত্রীকে সেখানে যাওয়ার অনুমতিই দেওয়া হয়নি। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এদিকে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী এলএনজি কার্গোর অভাবে বুধবার বেলা ৩টায় এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল বন্ধ হয়ে গেছে। এখন শুধু সামিটের টার্মিনাল থেকে দিনে ৫৬ থেকে ৫৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লাগে ২১ জুলাই। আংশিকভাবে সেটি ৬ আগস্ট ঠিক হলেও এখনো সারা দেশে তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। এজন্য জ্বালানি বিভাগের দায়িত্বে অবহেলা এবং অদূরদর্শিতাকে দায়ী করা হচ্ছে। অগ্নিদুর্ঘটনার পর থেকে এক্সিলারেটের জন্য এখনো এলএনজি কার্গো সংগ্রহ করতে পারেনি জ্বালানি বিভাগ। ২৩ আগস্ট বিপি সিঙ্গাপুর থেকে একটি কার্গো আসার কথা। যদি আসে তখন গ্যাস সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হবে। তবে সামগ্রিকভাবে বিব্রত সরকার। গ্যাসের কারণে শত শত কারখানা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বেকার হয়ে পড়ছেন হাজারো শ্রমিক-কর্মচারী। এমন অবস্থায় পুরো বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নিজে তদারকির দায়িত্ব নিয়েছেন। তদন্তের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারীদের শাস্তির আওতায় আনার উদ্যোগও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এদিকে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে ২১ জুলাই আগুন লাগার কারণ উদ্ঘাটনে সরকারি তদন্ত দলকে সহযোগিতা না করার বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আগুন লাগার পর টার্মিনালটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় গ্যাস সরবরাহ করতে না পারায় সংকটের যাত্রা শুরু হয়। জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব ফজলুল হকের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটিকে কোনো সহযোগিতাই করেনি এক্সিলারেট। কমিটির সদস্যরা মাতারবাড়ি পৌঁছার পরও তাদের টার্মিনালে উঠতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীও ওই টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে ব্যর্থ হন। প্রতিমন্ত্রীকে সেখানে যাওয়ার অনুমতিই দেওয়া হয়নি। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এদিকে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী এলএনজি কার্গোর অভাবে বুধবার বেলা ৩টায় এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল বন্ধ হয়ে গেছে। এখন শুধু সামিটের টার্মিনাল থেকে দিনে ৫৬ থেকে ৫৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লাগে ২১ জুলাই। আংশিকভাবে সেটি ৬ আগস্ট ঠিক হলেও এখনো সারা দেশে তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। এজন্য জ্বালানি বিভাগের দায়িত্বে অবহেলা এবং অদূরদর্শিতাকে দায়ী করা হচ্ছে। অগ্নিদুর্ঘটনার পর থেকে এক্সিলারেটের জন্য এখনো এলএনজি কার্গো সংগ্রহ করতে পারেনি জ্বালানি বিভাগ। ২৩ আগস্ট বিপি সিঙ্গাপুর থেকে একটি কার্গো আসার কথা। যদি আসে তখন গ্যাস সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হবে। তবে সামগ্রিকভাবে বিব্রত সরকার। গ্যাসের কারণে শত শত কারখানা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বেকার হয়ে পড়ছেন হাজারো শ্রমিক-কর্মচারী। এমন অবস্থায় পুরো বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নিজে তদারকির দায়িত্ব নিয়েছেন। তদন্তের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারীদের শাস্তির আওতায় আনার উদ্যোগও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন
Array