খুঁজুন
শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২

মেঘনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-স্কুল-মসজিদ, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি

ভোলা প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
মেঘনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-স্কুল-মসজিদ, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি

ষাটোর্ধ্ব শামসুন নাহার ও জাহানারা বেগম। দুই প্রতিবেশী। প্রায় তিন দশক ধরে সুখে-দুঃখে আছেন একে অপরের পাশে। কখনো ভাবেননি নদীতীরে একজনের শূন্য ভিটায় এভাবে পাশাপাশি বসতে হবে। মেঘনা নদীর ভয়াল ভাঙন কেড়ে নিয়েছে তাদের বসতভিটা, ঘর, আশ্রয় সবকিছু। এখন তারা পরিবারসহ খোলা আকাশের নিচে টং ঘরে মানবেতর জীবন পার করছেন। তারা কেউ জানেন না, এখন তাদের গন্তব্য কোথায়।

মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতবিক্ষত ভোলার সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝেরচর গ্রামের দৃশ্য এটি। এক সময়ের শস্যভাণ্ডারখ্যাত এই গ্রামটির চার-পঞ্চমাংশ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাকি অংশও রয়েছে হুমকির মুখে। ভয়াবহ ভাঙন অব্যাহত থাকায় যেকোনো সময় পুরো গ্রামটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে।

৯০ দশকে মেঘনার বুক চিরে জেগে ওঠা কাচিয়া ইউনিয়নের রামদেবপুর, মধুপুর ও টবগী গ্রামে আট মাস আগেও প্রায় ১০ হাজার মানুষের স্থায়ী বাস ছিল। এখন পর্যন্ত সেখানকার ৬টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের মধ্যে ৫টি মেঘনার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, হুমকির মুখে আছে রামদেবপুর-৪ নামের অবশিষ্ট প্রকল্পটি। নদীতে হারিয়ে গেছে একটি মাটির কিল্লা, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি মাদরাসা, তিনটি মসজিদ, একটি কমিউনিটি ক্লিনিক, শত শত বসতভিটা, বাজার, রাস্তাঘাট ও কয়েক কিলোমিটার এলাকার ফসলি জমি।

ভিটেমাটি হারিয়ে কেউ আশ্রয় নিচ্ছেন নদীতীরের টং ঘরে, কেউ গরুর ঘরের পাশে একচালা ঘরে কাটাচ্ছেন দিন। নদী ভাঙনে স্কুল ভবন হারিয়ে ১৭৯ নং উত্তর-পশ্চিম কাচিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস চলছে একটি পরিত্যক্ত সাইক্লোন শেল্টারে। কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে বসতবাড়ির ভেতরে গড়ে ওঠা অবশিষ্ট মাটির কিল্লায়। ভোলার মূল ভূখণ্ডের একটি অংশের নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার এক নির্মম বাস্তবতা এটি।

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, মাঝেরচরে আগে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার ভোটার ছিলেন। প্রতিটি সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ছিল ১১০-১৩০টি করে ঘর। প্রকল্পগুলো হলো বারইপুরা-১, রামদেবপুর-২, রামদেবপুর-৩, রামদেবপুর-৫ এবং নতুন রামদেবপুর-৩। সবই এখন স্মৃতি। চর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় এখন সবকিছু হারিয়ে যাচ্ছে নদীর জলে।

নদীতে ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে জীবনযাপন করছেন জেলে মো. কালু ও মেহের নিগার দম্পতি। ৩ ছেলে ও ২ মেয়েকে নিয়ে তারা বসবাস করতেন রামদেবপুর-২ নম্বর আশ্রয়ণ প্রকল্পে। মেহের নিগার বলেন, এক রাইতের মইধ্যে নদী ঘরবাড়ি সব ভাইঙ্গা লইয়া গেছে, কিছুই হরাইতে পারি নাই। আচ্ছুক্কা ঠুস ঠুস কইররা ঘর ভিটার মাটি চাকা ধইররা নদীতে পড়ছে। নদী আমাগো সব লইয়া গেছে।

আবার অন্যের ভিটায় আশ্রয় নেওয়া জেলে আবু তাহেরের স্ত্রী জাহানারা বেগম বলেন, স্যার, এই মেঘনা নদী আমাগো সব লইয়া গেছে। এহন খোলা আকাশের নিচে আছি। ঘর-দুয়ার হরাইতে পারি নাই। রাইতকা নদী ঝাঁপায় ঝাঁপায় সব ভাইঙ্গা লইয়া গেছে। টাকা পয়সা নাই, ঘরদুয়ার করতে পারি না।

জেলে মো. সেলিম বলেন, ঘরটা লইয়া ছিলাম, নদী ঘরের লগে আসার পর ভাইঙ্গা সরায়ে আনছি। এখন এইখানে টং পাইততা আছি। এদিকে-ঐদিকে কোনো ঢালকুল নাই, জায়গা জমি নাই, অনেক বিপদে আছি।

বারইপুর গ্রামের অবশিষ্ট সরকারি মাটির কিল্লার আশপাশে দেখা গেল অর্ধশতাধিক পরিবার টিনের টং ঘরে বসবাস করছে। এই আশ্রয় কেন্দ্রের দূরত্ব নদী থেকে মাত্র ১০০-১১০ মিটার। যেকোনো সময় বিলীন হতে পারে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সরকারি স্থাপনাও।

মাটির কিল্লার ভেতরে থাকা আকলিমা ও রাবেয়া বলেন, এইখানে ২০ পরিবার থাকার মতো জায়গাও নাই, তারপরও শ‘খানেক পরিবার আমরা এইখানে আছি। সন্তানদের নিয়ে থাকতে অনেক কষ্ট হয়। যাওয়ার কোনো জায়গা নাই।

কৃষক মো. স্বপন ও আবুল হাসেম বলেন, প্রতিবছর মাঝেরচরের জমিতে ক্যাপসিকামসহ নানা বিদেশি সবজির বাম্পার ফলন হতো। ভোলা ছাড়িয়ে বরিশাল ও ঢাকায় তা সরবরাহ করতেন। এখন চোখের সামনে সব ফসলি জমি নদীতে হারিয়ে গেছে। হাতে রয়েছে সামান্য জমি।

মো. বিল্লাল হোসেন ও মো. সালাউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, চর রক্ষায় কেউ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। মেঘনার পেটে গেছে ৫টি আশ্রয় প্রকল্প, একটি মাটির কিল্লা, ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি মাদরাসা, ৩টি মসজিদ, ১টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাজারো বসতঘর। পুরো চরই এখন বিলীনের পথে।

রামদেবপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মো. মাকসুদুর রহমান জিলাদার বলেন, এইখানের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসা ছিল আমাদের ক্লিনিক। দুঃখের সাথে বলতে হয়, নদী ভাঙনে ক্লিনিকটি বিলীন হয়ে গেছে। পরে অন্য একটি ঘরে স্বাস্থ্যসেবা চালালে সেটিও হারিয়ে যায়। এখন মাটির কিল্লার ভেতরে বসে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

দিশেহারা চরবাসীর এখন একটাই দাবি, অবশিষ্ট অংশ রক্ষায় দ্রুত জিওব্যাগ বা সিসি ব্লক বসানো হোক এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে সরকারি সহযোগিতা দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভোলা পানি উন্নয়ন বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন আরিফ বলেন, এখন বর্ষা মৌসুম চলছে, নদীর প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা অবগত আছি। মাঝেরচর পরিদর্শন করেছি এবং প্রকল্প গ্রহণের জন্য অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ করছি। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভাঙন প্রতিরোধ করা হবে।

 

যুবদল নেতার ‘গরু চুরির’ কথা ফেসবুকে বলায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
যুবদল নেতার ‘গরু চুরির’ কথা ফেসবুকে বলায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা

মো. ইদ্রিস। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মো. ইদ্রিস (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তির লাশ থানায় নিয়ে আসে তার স্বজনরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের যুবদলের অফিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

মৃত ইদ্রিস দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।

অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় তরকারি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং কমেন্ট করেন। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন। বেশ কিছুদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে তাকে জহিরসহ তার সহযোগীরা ডেকে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসার পর বাসায় নেয়। পরে সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি তার কাছে মাফ চাইতে এসেছিল। তবে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি।

কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটি জাইকার মাধ্যমে মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। জাপানের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। জাপান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ট্রাফিক সেফটি নিয়ে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কয়েকটি উপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে তার নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব পালনের জন্য অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টটি গতবছর শেষ হয়েছে। আমরা পুলিশ ও ডিএমপি’র সঙ্গে আরও কাজ করতে আগ্রহী।

চলতি বছর হলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর পূর্তি হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীর নিকট বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, আমরা জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাপানি নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, জাপানের পক্ষ থেকে যে কোনো অনুরোধ আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব (পলিটিক্যাল) কমিনি কেন, প্রথম সচিব (ইকোনমিক) মজিদা উতারও প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ক্ষেপণাস্ত্রের একাংশ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলীয় শহর পেতাহ তিকভায় আঘাত হেনেছে।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে যে, ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে, যার ফলে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

 

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল ব্যাপক বিমান হামলা

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, ওই এলাকায় হিজবুল্লাহ নেতাদের এক বৈঠক লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই চালানো এই অভিযানে ভবনগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির ফুটেজে ওই এলাকা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে।

ইরানের চারটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে, দাবি জর্ডানের

ইরান থেকে ছোঁড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জর্ডান।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, জর্ডান এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেরুজালেম সংলগ্ন এলাকায় ইরানের চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ঠেকানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই প্রতিহত করা হয়। এসব ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ওমানের সালালাহ বন্দরের কাছে ড্রোন বিধ্বস্ত

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানের সালালাহ বন্দরের কাছে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে।

ওমানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দেশটির নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সালালাহ বন্দরের কাছে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। ধোফার গভর্নরেটে আরও দুটি ড্রোন আটকে দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

হামলার উদ্দেশে ইরান থেকে ওই ড্রোন পাঠানো হয়েছে কিনা, তা উল্লেখ করা হয়নি ওমানের ওই সংবাদমাধ্যমে।

গত শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে