খুঁজুন
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩

মির্জাগঞ্জে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে কৃষকরা লাভবান

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
মির্জাগঞ্জে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে কৃষকরা লাভবান

রসালো ও সুষম পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ তরমুজের মৌসুম এখন নয়, তারপরও পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার তিনজন আদর্শ কৃষকের মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করার সুবাদে মাচাঁয় গাছে গাছে ঝুলছে অফসিজনের রসালো তরমুজ। স্থানীয় কৃষকরা ব্ল্যাক বেরী, ব্যাংক কুইন ও এলটি সুইট বয় তরমুজ চাষে সাফল্য পেয়েছেন। পানির ওপর ভাসমান বেডে কিংবা উচুঁ স্থানের জমিতে বিষমুক্ত তরমুজ চাষে সফলতায় কৃষকদেরও উদ্বুদ্ধ করছেন উপজেলা কৃষি বিভাগ। এবারে উপজেলার ৩ জন আদর্শবান কৃষক উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগীতায় তরমুজ চাষ করেছেন।

উপজেলার দেউলী গ্রামের আদর্শ কৃষক মো. জালালের ক্ষেতের মাচাঁয় ঝুলছে অফসিজনের তরমুজ। তিনি এবারে ৫০ শতক জমিতে অফসিজনের তরমুজ চাষ করছেন। কৃষক জালাল ছাড়াও এবারে উপজেলার ৩ জন আদর্শবান কৃষক উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগীতায় তরমুজ চাষ করেছেন।

তিনি আরও জানান, কৃষি বিভাগের সহযোগীতায় ৫০ শতক জমিতে প্রায় ৪৫০ টি তরমুজ গাছের চারা রোপন করেছি। অতিবৃষ্টির কারনে আমার ক্ষেতের ১৫০টি তরমুজ গাছের চারা মরে যায়। এতে আমার খরচ হয়েছে ২-৩ হাজার টাকা। বাকী খরচ উপজেলা কৃষি বিভাগ দিয়েছে। একটি গাছে চার থেকে পাঁচটি তরমুজ ধরেছে। দুই একটি ছোটগুলো ফেলে দিলে অন্য তরমুজগুলো আকারে বড় হয়। ভালো ফলন হওয়ায় এখন মাচায় অসংখ্য তরমুজ ঝুলছে। মৌসুমে তরমুজ চাষ মাটিতে হলেও অসময়ের ওই তরমুজ মাঁচায় চাষ হচ্ছে। আমার এখানে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসেও সুস্বাদু তরমুজ পাওয়া যাবে। এখন পর্যন্ত ১৫-২০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি। তবে ক্ষেতে যে পরিমানে তরমুজ রয়েছে তাতে অর্ধলক্ষ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারবো।

কৃষক জালাল বলেন, আমার তরমুজের ক্ষেতটি সড়কের পাশে হওয়াতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ও স্থানীয় কৃষকরা এসে দেখছেন কেউ আবার ছবি তুলে নিয়ে যাচ্ছেন। কৃষকরা অসময়ের তরমুজ চাষ দেখে আগামীতে তারাও পতিত জমিতে কিংবা বাড়ির পাশে উচুঁ স্থানের জমিতে অসময়ের তরমুজ চাষ করার আগ্রহী হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির পাশের জমিতে কৃষক জালালে ক্ষেতে মাচায় ঝুলছে অফসিজনের তরমুজ। যেখানে তরমুজ গাছের লতাগুলোকে বেড়ে ওঠার জন্য বাঁশ ও জাল দিয়ে মাঁচা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। আর সেই মাচাতেই ঝুলছে সবুজ-ডোরাকাটা রসালো তরমুজ। অনেকেই আসছেন তরমুজ দেখার জন্য। প্রথমে কেউ দেখলে বিশ্বাস করবে না এভাবে তরমুজ চাষ হচ্ছে। স্বল্প জমিতে অধিক ফসল ও লাভজনক চাষ হচ্ছে তরমুজ চাষ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট (এসএসসিপি) প্রকল্পের আওতায় উচ্চ মূল্যের ফসল(তরমুজ) উৎপাদন প্রদর্শনীতে উপজেলার ৩টি এলাকায় অফসিজনের তরমুজের চাষ করা হয়েছে। এরমধ্যে বেশি ফলন হয়েছে দেউলী গ্রামের আদর্শ কৃষক জালালের ক্ষেতে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, মৌসুম ছাড়া অসময়ের এই তরমুজ চাষের উদ্ভাবনে এটা কৃষি বিভাগের সফলতা। বীজ বপনের আড়াই থেকে ৩ মাসের মধ্যেই এই তরমুজ বিক্রয় উপযোগী হয়ে উঠে। আর এই তরমুজ চাষে রাসয়নিক কোনো সার প্রয়োগ করতে হয় না। এই তরমুজ বিষমুক্ত হওয়ার পাশাপাশি সুষম পুষ্টিগুণও রয়েছে। কম পরিশ্রমে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায়।

এ পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে রোগ বালাই যেমন কম, তেমনি পোকার উপদ্রবও কম। তিনি আরো বলেন,অফসিজনের তরমুজ চাষ করতে বেলে-দোআঁশ মাটিতে ভালো ফলন হয়। এবারে একটানা অতি বৃষ্টির কারনে কৃষকের রোপনকৃত তরমুজের কিছু চারা নষ্ট হয়ে গেছে। অসময়ে পানির ওপর ভাসমান বেডে কিংবা উচুঁ স্থানের জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ এ অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

 

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।