খুঁজুন
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০ মাঘ, ১৪৩২

ভোলায় স্পিডবোটে বাড়তি ভাড়া আদায়, বিআইডব্লিউটিএর অভিযান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
ভোলায় স্পিডবোটে বাড়তি ভাড়া আদায়, বিআইডব্লিউটিএর অভিযান

ভোলা প্রতিনিধি : বরিশাল থেকে লঞ্চে করে ভোলায় নিয়মিত যাওয়া আসা করেন মো. তাওহীদ ও সুলতান আহম্মেদ। তাদের অভিযোগ, নৌপথে অসাধু স্পিডবোট মালিকরা যাত্রীদের জিম্মি করে দীর্ঘবছর ধরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেন। একই অভিযোগ যাত্রী আবুল কালাম ও ডা.মাহবুব আলমের।

তারা বলেন, অসাধু স্পিডবোট মালিকচক্র ও ইজারাদাররা সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে ভোলা-বরিশাল ও ভোলা-লাহার হাট নৌরুটে অস্বাভাবিক ভাড়া আদায় করছে।

যাত্রীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভোলায় এসব স্পিডবোট মালিক ও লঞ্চঘাটে ইজারাদারের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

জানা গেছে, ভোলা-বরিশাল ও ভোলা-লাহার হাট নৌপথে অসাধু স্পিডবোট মালিকরা যাত্রীদের জিম্মি করে দীর্ঘবছর ধরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতো। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ক্ষমতাকালে মনগড়া এসব ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে পারতেন না। এমনকি সরকারিভাবেও প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কিন্তু এসব চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এবার মাঠে নেমেছে সরকারি সংস্থাটি।

সরেজমিনে কথা হয় ভোলার ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে। তারা জানান, বিগত আওয়ামী স্বৈরশাসনামলে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকীবের কব্জায় ছিল সেখানকার লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটগুলো।

নকীবের একক আধিপত্য আর নির্দেশনায় ভোলা-বরিশাল, ভোলা-লাহারহাট নৌরুটে স্পিডবোটগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতো। তখন জোড়ের মুল্লুকে প্রতিবাদের কেউ ছিল না। কিন্তু পুরোনো সেই নৈরাজ্য আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এখন নতুন মোড়কে শুরু করেছে দুর্বৃত্তচক্র।

এমন পরিস্থিতিতে যাত্রী হয়রানি, অধিক ভাড়া আদায় এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিআইডব্লিউটিএ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করায় ভেদুরিয়া ঘাটের দুর্বৃত্তরা নড়েচড়ে বসেছে।

সম্প্রতি ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে অভিযান চালিয়ে নৌবাহিনী ইজারাদারের নিয়োজিত দুই চাঁদাবাজকে আটক করেছে বলেও জানান তারা। বিআইডব্লিউটিএর এমন উদ্যোগে তারা সন্তষ্টি প্রকাশ করেছেন।

ভোলার বিআইডব্লিউটিএ’র বন্দর কর্মকর্তা রিয়াদ হোসেন বাসসকে জানান, গত ২৮ এপ্রিল থেকে ভেদুরিয়া-বরিশাল নৌপথে সরকার নির্ধারিত স্পিডবোট ভাড়া জনপ্রতি ৩শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভেদুরিয়া-লাহারহাট নৌপথে একই গেজেট মূল্যে ১৫০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

আগে ইজারাদাররা (ভেদুরিয়া ঘাট) বার্নিং চার্জ সরকারি ৭৫ টাকার স্থলে ১৩ শ টাকা গ্রহণ করতো। কিন্তু সরকারের নির্ধারিত ভাড়া ঢালু হওয়ায় ৬শ টাকা গ্রহণ করছে তারা। এ পরিস্থিতিতে তারা তাদের ঘনিষ্ঠ স্পিডবোট মালিকদের ১/২ জন অতিরিক্ত যাত্রী বহনে উৎসাহিত করে। ফলে ৩ থেকে ৬ শ টাকা অতিরিক্ত অর্জিত হয়।

কিন্তু সার্ভে সনদে ৪০ হর্স পাওয়ার ইঞ্জিনের বোটে ৮ জন যাত্রী এবং ৫৫ হর্স পাওয়ার ইঞ্জিনের বোটে ১০ জন যাত্রী ধারণ ক্ষমতা থাকে। ইজারাদাররা ৪০ হর্স পাওয়ার ইঞ্জিনের বোটে ৯/১০জন যাত্রী নিয়ে যাতায়াত চালু করেন। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার শুরু করে।

বন্দর কর্মকর্তা তাদের রুট পারমিটে কোনো ধরনের খরচা নেই মর্মে বার বার বিয়ষটি নিশ্চিত করলেও তারা তাদের অপকর্ম থেকে বিরত থাকছে না। ফলে বিআইডব্লিউটিএ এসব অন্যায় তৎপরতার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান ভোলা নৌ-বন্দরের এ কর্মকর্তা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভেদুরিয়া ঘাট ইজারাদার আব্দুর রহমান গংরা বার্নিং চার্জ ৭৫ টাকার স্থলে ৬শ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা গ্রহণ করে থাকে। আইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী এ বিষয়ে সোচ্চার হলে তারা ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বিষয়টি পুনরায় বন্দর কর্মকর্তার ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে।

এছাড়া ইজারাদার ঘাটে প্রবেশে সরকারি মূল্য ৫ টাকার স্থলে ১০ টাকা গ্রহণসহ হাতে বহনযোগ্য মালামাল থেকে যাত্রীপ্রতি ৫শ’ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত জোড়পূর্বক আদায় করে থাকেন।

সূত্র মতে, এই ইজারাদারের কাছ থেকে গত ২৭ জুলাই সরকার নির্ধারিত গাড়ী পার্কিং ইয়ার্ড ও অতিরিক্ত চার্জ গ্রহণ করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

বর্তমানে ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট ঘাটে ইজারাদার ও স্পিডবোট মালিকপক্ষ তাদের দাবি দাওয়া আদায়ে ভোলা-বরিশাল নৌরুটে গত ৪/৫ দিন ধরে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রেখেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ঘাট ইজারাদার আব্দুর রহমান ও সংশ্লিষ্ট স্পিডবোট মালিকরা জানিয়েছে, আমাদের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ মিথ্যা ও অবান্তর।

 

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা ও জজ আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। রোজিনা বেগম নামে আরেকজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

অন্য আসামিদের মধ্যে আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা, ও মুনসুর মোল্লার আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে আবু আকনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবদুর জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, সোমবার পিরোজপুর বিজ্ঞ দায়রা ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান সেসন ৭/২০২০ মোকাদ্দমায় ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অন্য ৩ আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলাটি ছিল জমিজমা ও সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে। এই মামলার ভিকটিম আবু আকন (৪২) মারাত্বক জখম প্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সোমবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা সবাই অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, এলাকায় পাতি নেতা ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোরভাবে এসব অপতৎপরতা দমন করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবলে ভাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর যৌথবাহিনী ও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অপারেশনে যেতে দ্বিধায় রয়েছে। এর ফলে অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা মামলার নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না- এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় নিশ্চয়তা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি। তা না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না।

সবশেষে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবি পার্টির এই প্রার্থী।

ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিষদে যোগ দিতে না চাওয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ক্ষেপেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ম্যাক্রোর আন্তর্জাতিক প্রভাব প্রায় শেষের পথে এবং খুব শিগগিরই তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। খবর সিএনবিসি’র

ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউই তাকে (ম্যাক্রো) চায় না, কারণ তিনি খুব শিগগিরই অফিস ছাড়ছেন। যদি তারা শত্রুতামূলক আচরণ করে, তাহলে আমি তার দেশের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরপর বলেন, শুল্ক বসালে তখন নিজেই বোর্ডে (বোর্ড অব পিস) যোগ দেবে। না যোগ দিলেও সমস্যা নেই।

ফ্রান্সের আইন অনুয়ায়ী এমনিতেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’ বলে আসলে কি বুঝিয়েছেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত বোর্ড অব পিস গত বছরের নভেম্বরে গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশ।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইউরোপের। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতারা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবে। কারণ এটি ‘বিশ্ব নিরাপত্তার’ জন্য প্রয়োজন।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানান। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপের দেশগুলো।

ট্রাম্পের এসব কড়া হুমকির জবাবে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। তবে ট্রাম্পের করা ক্ষমতাচ্যুতর কথায় জবাব দেননি ম্যাক্রো।