খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১ পৌষ, ১৪৩২

পিরোজপুরে ঝুঁকিতে কচা নদীর বাঁধ, দেড় কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন

পিরোজপুর প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে ঝুঁকিতে কচা নদীর বাঁধ, দেড় কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন

ডুবচর জাগা শান্ত কচা বর্ষায় ফিরেছে তার চিরচেনা আগ্রাসী রূপে। এতে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন পিরোজপুরের কচাপাড়ের বাসিন্দারা। তবে এবার যেন আতঙ্ক বেড়েছে কয়েকগুণ। ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসে বিলীন হওয়া প্রায় দেড় কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

বাঁধটি এখন পুরোপুরি ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে কিছু কিছু জায়গায় ভাঙন দেখাও দিয়েছে। আর বাঁধটি ভেঙে গেলে কচায় বিলীন হবে ইন্দুরকানীর কয়েকটি গ্রাম। ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, গত বছর ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে বিলীন হয় বাঁধটি। স্থানীয় লোকজনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কিছু অংশ নির্মাণ করে কর্তৃপক্ষ। ২০২৪ সালের ২৬ ও ২৭ মে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ইন্দুরকানীর কচা নদীতে প্রবল জলোচ্ছ্বাস হয়। এতে নদীর তীরবর্তী ১০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধে ধস দেখা দিয়েছিল।

সে সময় আশপাশের এলাকা প্লাবিত হওয়ায় হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। দুই হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো সহায়তা করা হয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। ঘূর্ণিঝড়ের পর কচা নদীর তীরবর্তী বিলীন হওয়া বেড়িবাঁধ এলাকা নৌপথে ঘুরে পরিদর্শন করেন জনপ্রতিনিধিরা। এ সময় দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানালে তা পূরণের আশ্বাস দেন তারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে কচা নদীর শুধু টগড়া প্রান্তে আংশিক বাঁধ নির্মাণের বরাদ্দ দেওয়া হয়।

কাজটি শেষ হয় চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শেষ দিকে। কিন্তু জুন-জুলাইতে নতুন নির্মাণ করা সেই বাধে দেখা দিছে ভাঙন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাঁধের কাছাকাছি জায়গা থেকে মাটি কেটে নির্মাণ করায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। বাঁধটি টেকসই না করায় পানির চাপে বিভিন্ন স্থান ধসে গেছে। যেকোনো সময় এটি নদীতে বিলীন হতে পারে।

সরেজমিন কচা নদী তীরবর্তী টগড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসে বিলীন হওয়া প্রায় দেড় কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। পাউবো সূত্রে জানা যায়, দেড় কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ বাজেট ছিল ২৫ লক্ষ টাকা।

জানা গেছে, ইন্দুরকানী, কালাইয়া, সাঈদখালী, বালিপাড়া, চরবলেশ্বর, চন্ডিপুর, খোলপেটুয়া ও কলারণের বেড়িবাঁধের ভেঙে যাওয়া বাঁধ নির্মাণে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এখন ভাঙা স্থান দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে বাড়ি-ঘর ও ফসলি জমি প্লাবিত হচ্ছে।

গত বছর ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে জলোচ্ছবাসে বিলীন হওয়া টগরা বেড়িবাধ এলাকার মহারাজ হাওলাদার বলেন, ‘পানির স্রোতে আর তীব্র বাতাসে তার ঘরটি ভেঙে ভেসে যায়। এখন ছয় সদস্যের পরিবার ছোট একটি ঘরে থাকি। শক্ত বেড়িবাঁধ থাকলে এমন হত না। এ বছর বাঁধ বানানোর পর নতুন করে নদীর সেই ভাঙন দেখা দেওয়ার আতঙ্কে দিন কাটছে তার পরিবারের।’

বেড়িবাঁধ এলাকার বাসিন্দা আজগর বলেন, ‘নদী একেবারে আমার ঘরের কাছে চলে এসেছে। গতবার এ বাঁধের অনেক কিছু নিয়ে ভেঙে গেছে। এবার যে ভাবে বাঁধ ভাঙা শুরু করেছে তাতে মনে হয় যদি আবার ঝড় আসে আমরা প্রাণে মারা যাব। সরকার একটি মজবুত বাঁধ নির্মাণ করে দিতো তাহলে মনে হয় আমরা বাড়ি-ঘর রক্ষা করতে পারতাম।’

বয়স্ক আছিয়া বেগম বলেন, ‘আমাদের এ বাঁধ অনেক আগে তৈরি করা হয়েছে। গত বছর কাজ করেছে কিন্তু মাসখানেকের ভেতরে আবার নতুন করে ভাঙা শুরু করেছে। আমরা কি সারাজীবন ভয়ে কাটাব? আমরা আমাদের জমিজমা বাড়িঘর বাঁচাতে চাই। সরকার যেন তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নেয়।’

স্থানীয় বাসিন্দা মো. নেসার উদ্দিন বলেন, ‘কয়েক মাস আগে নির্মাণকাজ শেষ করলেও পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙে গেছে। বাঁধ সংস্কার করা না হলে এলাকার মানুষ ঝুঁকিতে থাকবে।’

টেকসই বাঁধ ও স্লুইস গেট সচল থাকলে পানির চাপ থেকে মানুষ বাঁচতে পারবে। নদী তীরবর্তী মানুষকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী নুসাইব হোসেন বলেন, ‘কচা নদীর নির্মাণ করা বেড়িবাঁধের যে স্থানে ধস দেখা গেছে সেই সব স্থানে নতুন করে নির্মাণ কাজ শুরু করেছি।’

৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

ডিসেম্বর মাসের প্রথম আট দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। এ জন্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে মূলত প্রবাসী ও রপ্তানি আয়ের ধারাকে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এই ডলার কেনা হয়।

এ সময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা পর্যন্ত। কাট-অফ রেট ১২২ টাকা ২৯ পয়সা, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫১ কোটি ৪০ লাখ (২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার) ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মাসের ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ১০০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ৮ ডিসেম্বর এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

পাশাপাশি গত জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন সমাবেশ, আন্দোলন করা থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।

এ বিষয়ে সতর্ক করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়- এটিই বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল লক্ষ্য। একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য যা যা করণীয় সরকার সেই দিকেই মনোনিবেশ করছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদনহীন সভা–সমাবেশ ও আন্দোলন নিয়ে সতর্ক করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অনেকেরই নায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে। গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ সংঘটিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আন্দোলনকারীরা দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছেন। সরকার নায্য দাবিতে সব সময়ই সাড়া দিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে।

‘কিন্তু আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। এ কারণে সকলের যা কিছু দাবি-দাওয়া আছে তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমরা আশা করব, এ সময়ের মধ্যে কেউ দাবি-দাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন করবেন না।’

চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

ত্রয়োদশ ‎জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কখন ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সপ্তাহে তফসিল হয়ে যাবে।’

দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। সাক্ষাৎ শেষে প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে এলে তাঁকে স্বাগত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওনার (প্রধান বিচারপতি) সাথে কথা হয়েছে। উনি অবসরে চলে যাচ্ছেন। একটা ফেয়ারওয়েল কল (বিদায়ী সাক্ষাৎ) করতে এসেছি ওনার সাথে।…উনি এ মাসে অবসরে যাবেন। আমরা একসাথে কাজ করেছি। সে জন্য ওনার সাথে একটা ফেয়ারওয়েল কলের মতো, সৌজন্য সাক্ষাৎ আছে না একটা, ফেয়ারওয়েল কল করতে এসেছিলাম ওনার সঙ্গে। অন্য কোনো বিষয় নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’ (নির্বাচনী তদন্ত কমিটি) যাতে ওনারা ডিপ্লয় করবেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে। এই কাজটা যাতে উনি ত্বরান্বিত করেন, সে বিষয়ে ওনাকে অনুরোধ জানিয়েছি।’

প্রধান বিচারপতি কী আশ্বাস দিয়েছেন—এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘উনি (প্রধান বিচারপতি) জাস্ট, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির যে লোকজন দেওয়ার কথা আছে, ডেপ্লয়মেন্ট আছে, সে ব্যাপারে ওনারা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং নেবেন, কোনো অসুবিধা হবে না বলে অ্যাসিউর (আশ্বস্ত) করেছেন।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, মামলা নিয়ে কোনো কথা হয়নি।