খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩

পরিচালন ব্যয় বাড়ল ৮ হাজার কোটি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
পরিচালন ব্যয় বাড়ল ৮ হাজার কোটি

কঠোর ব্যয় সংকোচনের ঘোষণা থাকলেও আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পরিচালন ব্যয়ের লাগাম টানা সম্ভব হচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় শেষ মুহূর্তে অনুৎপাদনশীল এ খাতে আরও ৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে পরিচালন ব্যয় লাফিয়ে বেড়ে ৬ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াচ্ছে, যা ৩ লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) দ্বিগুণেরও বেশি। বিশাল এই পরিচালন ব্যয় মেটাতে গিয়ে উন্নয়ন খাত যেমন সংকুচিত হচ্ছে, তেমনই অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির নতুন চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, বরং কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে রাজস্ব আয় এবং সরকারি সেবার মান বাড়াতে না পারলে বিশাল ঘাটতির এই বাজেট বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

 

এর আগে মে মাসে বাজেটের প্রাথমিক রূপরেখা তৈরির সময় পরিচালন ব্যয়ের জন্য ৬ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব ছিল। একই সঙ্গে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে ৩ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত সামনে আসার পর হিসাবনিকাশ বদলে যায়। নতুন পে-স্কেলের প্রথম ধাপ কার্যকর করতে বাজেটে অতিরিক্ত ৩৭ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। তাই শেষ পর্যন্ত পরিচালন ব্যয়ে আরও ৮ হাজার কোটি টাকা যুক্ত করা হয়। এর ফলে সামগ্রিক বাজেটের আকার বেড়ে হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। এতে বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কিছু ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে উৎপাদন না বাড়িয়ে ভোগ ব্যয় বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সাবেক অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, বহু বছর ধরে বেতন কাঠামোয় বড় ধরনের সমন্বয় হয়নি। মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় বেতন বাড়ানো প্রয়োজন ছিল। তবে এই ব্যয়ের বিপরীতে প্রশাসনিক দক্ষতা ও সেবার মানও বাড়তে হবে। শুধু বেতন বৃদ্ধি করলে রাষ্ট্রের ব্যয় বাড়বে; কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি। যদি রাজস্ব আহরণ উল্লেখযোগ্যভাবে না বাড়ে, তাহলে বাড়তি ব্যয় মেটাতে সরকারকে ঋণের ওপর আরও বেশি নির্ভর করতে হবে। এতে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এদিকে পরিচালন ব্যয়ের এই লাগামহীন বৃদ্ধির কারণে ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে পড়ছে উন্নয়ন খাতের পরিধি। ফলে থমকে যাচ্ছে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ এবং সরকারি বিনিয়োগের গতি। একটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য পরিচালন ব্যয় ও উন্নয়ন ব্যয়ের মধ্যে একটি সুস্থ ভারসাম্য থাকা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হলে কঠোর ব্যয় সংকোচন নীতি, সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ, বিলাসবহুল গাড়ি কেনা এবং অনুৎপাদনশীল খাতের খরচ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অন্যদিকে, রাজস্ব আয় বাড়ানো, ভর্তুকি ব্যবস্থার সংস্কার, এডিপি বাস্তবায়নে দক্ষতা বৃদ্ধি, অবকাঠামো খাত উন্নয়নে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ যুগান্তরকে বলেন, সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা এবং রাজস্ব খাতের কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে যে কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় পরিচালন ব্যয় বা অপচয় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শুধু বরাদ্দের আকার না বাড়িয়ে ব্যয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং বেসরকারি খাতের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ধরে রাখতে সরকারকে কৃচ্ছ্রসাধন নীতি অনুসরণ করতে হবে।

 

 

বেতাগীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
বেতাগীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন

বেতাগী প্রতিনিধি
‘উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগান ধারণ করে বরগুনার বেতাগীতে পালিত হয়েছে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬। উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে র‌্যালী, আলোচনা সভা, ঋণ ও বৃক্ষ বিতরণের মধ্য সোমবার (৬ জুলাই) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে দিবসটি পালিত হয়।

বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহ. সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জলিলুর রহমান খান নান্না, বিবিচিনি স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক একেএম ওয়াদুদ মিয়া, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম লাভলু, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন প্রমূখ।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হাসান আল বাসার। অনুষ্ঠানে অর্ধশত উপকারভোগীর মাঝে গাছের চারা ও ঋণ বিতরণ করা হয়।

বরিশালের নতুন ডিসি মামুন খন্দকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বরিশালের নতুন ডিসি মামুন খন্দকার

বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মামুন খন্দকার।  এর আগে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার (১ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি/পদায়ন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

জুলাই মাসে ভোক্তাপর্যায়ে দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়বে কিনা জানা যাবে বৃহস্পতিবার। এদিন জুলাই মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, সৌদি আরামকো কর্তৃক ঘোষিত সৌদি সিপি অনুযায়ী জুলাই মাসে ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের আদেশ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে।

আরও বলা হয়, ওই দিন বিকাল ৩টায় রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) শহিদ প্রকৌশলী ভবনের (ষষ্ঠ তলা) কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন এই দর ঘোষণা করা হবে।

এ ছাড়া এলপিজির নতুন দর ঘোষণা-সংক্রান্ত আদেশ কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.berc.org.bd) পাওয়া যাবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে সবশেষ গত ২ জুন ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

সেই সঙ্গে ওই দিন যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমিয়ে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।