খুঁজুন
বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭ মাঘ, ১৪৩২

পটুয়াখালীর বাউফল: ফাঁকা মাঠেও বিএনপিতে ৪ ভাগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
পটুয়াখালীর বাউফল: ফাঁকা মাঠেও বিএনপিতে ৪ ভাগ

পটুয়াখালীর চারটি আসনের মধ্যে বাউফল (পটুয়াখালী-২) আসনটি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনে ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ। একবারই (২০০১ সালে) বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুল আলম তালুকদার। কিন্তু দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন আর বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপি বারবার হোঁচট খেয়েছে।

চারজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে তিনজনই কেন্দ্রীয় নেতা। ইতিমধ্যে তাঁরা মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। এ ছাড়া চার ভাগে বিভক্ত হয়ে সভা, সমাবেশও করছেন। একে অপরের বিরুদ্ধে চলছে কাদা ছোড়াছুড়ি। তবে মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বলছেন, এবার ভিন্ন কিছু চাই। তাঁদের ভাষায়, ভবিষ্যতের রাজনীতি অতীতের মতো নয়, নতুন ধারার রাজনীতি হবে। আওয়ামী লীগের আধিপত্যের আসনে জিততে হলে বিএনপিকে অবশ্যই একজন ক্লিন ইমেজের প্রার্থী দিতে হবে।

মনোনয়নপ্রত্যাশী চারজন হলেন সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মু. মুনির হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম ফারুক আহমেদ তালুকদার এবং কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটু।

জানা গেছে, বাউফলে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। ১৯৭৯ সালে দলীয় প্রার্থী অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে যান নিজেদের নেতাদের বিরোধিতার কারণে। ১৯৯১ সালেও একই ঘটনা ঘটে। ১৯৯৬ সালে দলীয় নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হলে হেরে যান বিএনপির প্রার্থী। শুধু ২০০১ সালের নির্বাচনে শহিদুল আলম তালুকদার ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হলে উপজেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামে এবং আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে প্রথমবারের মতো বিএনপি বিজয়ী হয়। কিন্তু এরপর আবার শুরু হয় বিভাজন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে শহিদুল নির্বাচন করতে না পেরে বিএনপির প্রার্থী ফারুক তালুকদারের বিরোধিতা করেন। এতে নৌকা মার্কার প্রার্থী সহজেই জয়ী হন।

স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদার একসময় জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়ে জিতলেও তাঁর কর্মকাণ্ডে দলের ভেতরে-বাইরে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। সাংবাদিক ও পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর, নারী কেলেঙ্কারি, দলীয় নেতা-কর্মীদের হেনস্তাসহ নানা অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে। ওয়ান-ইলেভেনের সময়ে অস্ত্র ও ত্রাণ লুটপাটের মামলায় দণ্ডিত হন তিনি। এর ফলে ২০০৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। বয়সের ভারে এখন ন্যুব্জ হলেও আবার মনোনয়নের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

জানতে চাইলে শহিদুল আলম তালুকদার বলেন, ‘আমি বরাবরই চেষ্টা করেছি বিএনপিকে ভালো কিছু দেওয়ার জন্য।’ মনোনয়নের সিগন্যাল পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান সাহেব আমাকে ডেকেছিলেন। এবং আমাকে কাজ করতে বলেছেন। আর তো কাউকে ডাকেননি, অবশ্যই আমাকে মনোনয়ন দেবেন, তাই হয়তো ডেকেছেন।’

এদিকে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম ফারুক আহমেদ তালুকদার। তিনি প্রায় ৫৮ হাজার ভোট পেলেও সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুলের বিরোধিতার কারণে হেরে যান। পরে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন এবং কিছু সময় পর্যন্ত নেতৃত্বও দেন। তবে আওয়ামী লীগের দমন-পীড়ন এবং ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণে তিনি ঢাকায় সরে যান। তিনিও মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

ডাকসুর সাবেক মিলনায়তন সম্পাদক ও বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মু. মুনির হোসেনকে এখন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা নতুন ভরসা হিসেবে দেখছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বাউফলে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। জানতে চাইলে মু. মুনির হোসেন বলেন, ‘বাউফল বিএনপির দুর্গ। বিএনপির নেতা-কর্মীরা মূলধারার সঙ্গে রয়েছে। দল যাকে মনোনয়ন দেবে, সবাই ধানের শীষের জন্য কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে সবাই ঐক্যবদ্ধ। মনোনয়ন যে কেউ চাইতে পারে, তার মানে বিভক্তি বা বিরোধ না। ইনশা আল্লাহ আগামী নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ আসন আমরা বিএনপিকে উপহার দিব।’

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটু পটুয়াখালী কৃষি কলেজের সাবেক ভিপি। বর্তমানে কৃষক দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে গণসংযোগ করছেন। তবে স্থানীয় পর্যায়ে তিনি তুলনামূলক নতুন মুখ। লিটু বলেন, ‘এ আসন আওয়ামী লীগের না, এ আসন বিএনপির। প্রতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীকে ষড়যন্ত্র করে হারিয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে এ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হবে বিএনপি। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে এখন কেন্দ্রীয় রাজনীতি করছি। দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের পাশে যেভাবে ছিলাম, এখনো আছি, সামনেও থাকব।’

সার্বিক বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল জব্বার মৃধা বলেন, বাউফল বিএনপির ঘাঁটি। তবে আওয়ামী লীগ এ আসনে ফ্যাসিবাদী রাজত্ব করে গেছে। নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে প্রার্থীকে সব দিক থেকে যোগ্য হতে হয়। নয়তো শুরুতেই হারতে হয়।

 

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা ও জজ আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। রোজিনা বেগম নামে আরেকজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

অন্য আসামিদের মধ্যে আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা, ও মুনসুর মোল্লার আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে আবু আকনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবদুর জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, সোমবার পিরোজপুর বিজ্ঞ দায়রা ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান সেসন ৭/২০২০ মোকাদ্দমায় ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অন্য ৩ আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলাটি ছিল জমিজমা ও সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে। এই মামলার ভিকটিম আবু আকন (৪২) মারাত্বক জখম প্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সোমবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা সবাই অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, এলাকায় পাতি নেতা ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোরভাবে এসব অপতৎপরতা দমন করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবলে ভাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর যৌথবাহিনী ও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অপারেশনে যেতে দ্বিধায় রয়েছে। এর ফলে অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা মামলার নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না- এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় নিশ্চয়তা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি। তা না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না।

সবশেষে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবি পার্টির এই প্রার্থী।

ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিষদে যোগ দিতে না চাওয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ক্ষেপেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ম্যাক্রোর আন্তর্জাতিক প্রভাব প্রায় শেষের পথে এবং খুব শিগগিরই তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। খবর সিএনবিসি’র

ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউই তাকে (ম্যাক্রো) চায় না, কারণ তিনি খুব শিগগিরই অফিস ছাড়ছেন। যদি তারা শত্রুতামূলক আচরণ করে, তাহলে আমি তার দেশের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরপর বলেন, শুল্ক বসালে তখন নিজেই বোর্ডে (বোর্ড অব পিস) যোগ দেবে। না যোগ দিলেও সমস্যা নেই।

ফ্রান্সের আইন অনুয়ায়ী এমনিতেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’ বলে আসলে কি বুঝিয়েছেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত বোর্ড অব পিস গত বছরের নভেম্বরে গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশ।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইউরোপের। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতারা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবে। কারণ এটি ‘বিশ্ব নিরাপত্তার’ জন্য প্রয়োজন।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানান। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপের দেশগুলো।

ট্রাম্পের এসব কড়া হুমকির জবাবে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। তবে ট্রাম্পের করা ক্ষমতাচ্যুতর কথায় জবাব দেননি ম্যাক্রো।