খুঁজুন
রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১ মাঘ, ১৪৩২

পটুয়াখালীতে এলজিইডির শতকোটি টাকার উন্নয়ন কাজ বন্ধ রেখে ঠিকাদার লাপাত্তা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:১০ অপরাহ্ণ
পটুয়াখালীতে এলজিইডির শতকোটি টাকার উন্নয়ন কাজ বন্ধ রেখে ঠিকাদার লাপাত্তা

উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় উন্নয়ন প্রকল্পের নেওয়া অনেক সড়ক এখন জনগণের কাছে চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, পটুয়াখালীর সদর উপজেলার করমজাতলা সড়ক থেকে বহালগাছিয়ার ড্রেনেজ-সবখানেই অর্ধসমাপ্ত কাজের চিহ্ন। প্রত্যন্ত অঞ্চল গলাচিপার ছোনখোলা, উপকূলীয় উপজেলা কলাপাড়ার বালিয়াতলী কিংবা মির্জাগঞ্জের চরখালী-সবখানে একই চিত্র। সম্পূর্ণ কাজ কোথাও শেষ হয়নি।

কাজ বন্ধ থাকা সড়কে এখন ধুলোর ঝড়, কাদা মেখে হাঁটছে মানুষ। তবে সড়ক, ড্রেন, সেতু-কাগজে-কলমে প্রকল্পগুলো জমজমাট। তবে কোথাও ভাঙ্গা সেতুর পাশে নৌকা পারাপার, কোথাও আবার অসমাপ্ত খোয়া বিছানো রাস্তায় থেমে আছে জীবনের গতি।

এলজিইডির অফিস সূত্রে জানা গেছে, এলজিইডির আওতায় পটুয়াখালীতে নেওয়া ২২টি প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে এ সব কাজ। যাঁর প্রতিষ্ঠানের নামে প্রকল্পের কাজ বরাদ্দ হয়েছিল, সেই ঠিকাদারের নাম মিরাজুল ইসলাম।

ঠিকাদার মিরাজুল ইসলাম পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মহারাজের ভাই। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর মিরাজুল আত্মগোপনে আছেন বলে জানা গেছে।

এর পর থেকে জেলায় নেওয়া মিরাজুল ইসলামের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজগুলো বন্ধ রয়েছে। প্রভাবশালী এই ঠিকাদারের শতকোটি টাকার প্রকল্প এখন এলজিইডির জন্য মহা জটিলতায় পরিণত হয়েছে। আর দুর্ভোগে হাবুডুবু খাচ্ছেন সংশ্লিস্ট এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের ভাষায়, এলজিইডির কাজ মানেই ‘মিরাজুল-মহারাজ সিন্ডিকেট’। মিরাজুল ইসলাম ও তাদের পরিবারের ঠিকাদারী লাইসেন্সে পিরোজপুর, পটুয়াখালীসহ আশপাশের জেলায় কার্যত একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ করছিলেন ওই সিন্ডিকেট।

এলজিইডি সূত্রে আরও জানা যায়, ২০২১ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত তিন অর্থবছরে মিরাজুলের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল-এর নামে ২২টি প্রকল্পের কাজ দেওয়া হয়। যার মধ্যে সদর উপজেলায় ১২টি, গলাচিপায় তিনটি, মির্জাগঞ্জে তিনটি, কলাপাড়ায় দুটি, দুমকিতে একটি এবং রাঙ্গাবালীতে একটি প্রকল্প রয়েছে।

এই ২২ টি প্রকল্পের মধ্যে ৭টি প্রকল্পের বিপরীতে ‘দেশের দক্ষিণাঞ্চলের আয়রন ব্রিজ পুনর্র্নিমাণ বা পুনর্বাসন প্রকল্প’ এর আওতায় ২২টি আয়রন ব্রীজ পুনর্র্নিমাণের কথা রয়েছে। কাজের মোট প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এ সকল প্রকল্পের অগ্রগতি গড়ে ৫০ শতাংশের বেশি হয়নি। তবে দুইটি প্রকল্প শেষ হলেও বাকিগুলো মাঝপথে থেমে গেছে।

এদিকে এসব প্রকল্পের অসমাপ্ত সড়ক ও সেতুতে তৈরি হয়েছে চরম দুর্ভোগ। এলজিইডির একাধিক প্রকৌশলী পুরো পটুয়াখালী জেলাজুড়ে চষে বেড়িয়েছেন। তারা বলেছেন, মিরাজুলের নেওয়া প্রকল্পের কাজ পড়ে আছে অর্ধসমাপ্ত অবস্থায়। অথচ কোন কোন প্রকল্প থেকে অর্ধেকর কাজের বিপরীতে টাকাও বেশি তুলে নিয়েছে বলে জানা গেছে।

সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই রাস্তায় চলতে গেলে আমাদের নিজেরাই মাটি ফেলে নিতে হয়। এক বছর ধরে ঠিকাদারের দেখা নেই। খুব কষ্টে আছি আমরা।’

একই এলাকার গৃহিণী আসমা আক্তার, ‘খোয়ার মধ্যে হাঁটতে গিয়ে জুতা নষ্ট হয়। মাসে তিন জোড়া জুতা লাগে। গরিব মানুষ কই পাবে এত টাকা? আমাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই। দ্রুত এর সমাধান চাই।’

সশ্লিষ্ট প্রকল্প এলাকার বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঠিকাদার টাকা খাইয়া পলাইছে। রাস্তাগুলো ভাইঙ্গাচুইরা রইছে। নতুন কইরা কাজ করলে জনগণের উপকার হইতো। সরকার যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।’

এ বিষয়ে এলজিইডির পটুয়াখালী নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী মীর বলেন, মিরাজুল ইসলাম মালিকাধীন ইফতি ইটিসিএল-এর ২২টি প্রকল্পের গড়ে ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু ঠিকাদারকে না পাওয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। কাজ বন্ধ আছে।

তিনি আরো বলেন, আরেকটি সমস্যা হচ্ছে স্থানীয় ঠিকাদাররাও কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তিতে দ্রুত গতীতে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে।

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা ও জজ আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। রোজিনা বেগম নামে আরেকজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

অন্য আসামিদের মধ্যে আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা, ও মুনসুর মোল্লার আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে আবু আকনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবদুর জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, সোমবার পিরোজপুর বিজ্ঞ দায়রা ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান সেসন ৭/২০২০ মোকাদ্দমায় ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অন্য ৩ আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলাটি ছিল জমিজমা ও সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে। এই মামলার ভিকটিম আবু আকন (৪২) মারাত্বক জখম প্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সোমবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা সবাই অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, এলাকায় পাতি নেতা ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোরভাবে এসব অপতৎপরতা দমন করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবলে ভাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর যৌথবাহিনী ও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অপারেশনে যেতে দ্বিধায় রয়েছে। এর ফলে অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা মামলার নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না- এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় নিশ্চয়তা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি। তা না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না।

সবশেষে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবি পার্টির এই প্রার্থী।

ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিষদে যোগ দিতে না চাওয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ক্ষেপেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ম্যাক্রোর আন্তর্জাতিক প্রভাব প্রায় শেষের পথে এবং খুব শিগগিরই তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। খবর সিএনবিসি’র

ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউই তাকে (ম্যাক্রো) চায় না, কারণ তিনি খুব শিগগিরই অফিস ছাড়ছেন। যদি তারা শত্রুতামূলক আচরণ করে, তাহলে আমি তার দেশের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরপর বলেন, শুল্ক বসালে তখন নিজেই বোর্ডে (বোর্ড অব পিস) যোগ দেবে। না যোগ দিলেও সমস্যা নেই।

ফ্রান্সের আইন অনুয়ায়ী এমনিতেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’ বলে আসলে কি বুঝিয়েছেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত বোর্ড অব পিস গত বছরের নভেম্বরে গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশ।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইউরোপের। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতারা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবে। কারণ এটি ‘বিশ্ব নিরাপত্তার’ জন্য প্রয়োজন।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানান। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপের দেশগুলো।

ট্রাম্পের এসব কড়া হুমকির জবাবে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। তবে ট্রাম্পের করা ক্ষমতাচ্যুতর কথায় জবাব দেননি ম্যাক্রো।