খুঁজুন
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১ শ্রাবণ, ১৪৩৩

তজুমদ্দিনে ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে ৫০ শয্যার চিকিৎসা কার্যক্রম

ভোলা প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
তজুমদ্দিনে ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে ৫০ শয্যার চিকিৎসা কার্যক্রম

চিকিৎসকসহ জনবল সংকটে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। অনেকটা নার্সনির্ভর হয়ে পড়েছে হাসপাতালটির চিকিৎসা কার্যক্রম।

৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে দ্রুত জনবল নিয়োগ করে সংকট দূর করার দাবি স্থানীয়দের। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন দুই শর বেশি রোগী হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোরে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।

১৯৭৪ সালে ৩১ শয্যা নিয়ে শুরু হয় তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম। উপজেলার দেড় লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ২০১৬ সালে হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। তবে ভবন ও সরঞ্জাম থাকলেও পদ সৃষ্টি না হওয়ায় কার্যক্রম চলছে ৩১ শয্যা অনুযায়ী।

সূত্র জানায়, হাসপাতালটিতে ১৫ জন চিকিৎসকের বিপরীতে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও মনপুরা হাসপাতাল থেকে ডেপুটেশনে আসা একজন চিকিৎসা কর্মকর্তা কর্মরত রয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়।
এদিকে চরম চিকিৎসক সংকটের মধ্যেও এ হাসপাতালের দুইজন চিকিৎসক তাদের সুবিধামতো ঢাকা ও বোরহানউদ্দিনে ডেপুটেশনে চলে যান। এ ছাড়া শূন্য রয়েছে নার্সিং সুপারভাইজার, সিনিয়র স্টাফ নার্স, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৭১টি পদ। লোকবলের অভাবে অপারেশন থিয়েটার, এক্স-রে, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রামসহ সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।

দ্রুত এ অচলবস্থা নিরসন করে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি রোগীদের।
পেট ব্যথাসহ শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া উপজেলার কেয়ামুল্যা গ্রামের বাসিন্দা জান্নাত বেগম জানান, তিনি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তিন দিন পর একজন চিকিৎসক তাকে দেখতে এসেছেন। এর আগের তিন দিন কেটেছে নার্সের তত্ত্বাবধানে। ওই হাপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সব রোগীরই একই অবস্থা।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা কয়েকজন রোগী জানান, অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালটিতে ভর্তি হলেও কোনো চিকিৎসা মিলছে না। দু-তিন দিনেও চিকিৎসকদের দেখা পাওয়া যায় না। এমনকি কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষাও হয় না হাসপাতালটিতে। তার পরও বাধ্য হয়েই এখানে আসতে হয় তাদের।

হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ডা. খালিদ হাসান তানিম জানান, চিকিৎসক সংকটের কারণে বেশির ভাগ সময় একজনকেই পুরো হাসপাতালের চিকিৎসা দিতে হয়। একা চিকিৎসা দিতে গিয়ে দেখা যায়, যদি ইনডোরে কোনো রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিতে যাই, তখন জরুরি বিভাগে কোনো রোগী এলে আবার সেখান থেকে জরুরি বিভাগে আসতে হয়। আবার জরুরি বিভাগে কোনো রোগীর সেবা দেওয়ার সময় ইনডোরে কোনো রোগীর সমস্য হলে সেখানে যেতে হয়। এ অবস্থায় এক প্রকার হিমশিম খেতে হয়। তার পরও একজনের পক্ষে যতটুকু সম্ভব চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাহাত হোসেন বলেন, চিকিৎসক ও জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানোর পর সম্প্রতি একজন ডেন্টাল সার্জন ও দুইজন চিকিৎসা কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়েছে। তারা ইতিমধ্যে যোগ দিয়েছেন। এক সপ্তাহের মধ্যে আরো চিকিৎসক পদায়ন করা হবে। এ ছাড়া ১৫ জন নার্স পদায়ন করা হয়েছে। তারাও যোগদান করবেন। আশা করি, খুব দ্রুত হাসপাতালটির চিকিৎসকসহ জনবল সংকট দূর হবে।

 

 

চরমোনাইয়ে ক্রয়কৃত জমি দখলের পায়তারা, বাধা দেয়ায় হামলা-ভাংচুর, গুরুতর আহত-১ 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
চরমোনাইয়ে ক্রয়কৃত জমি দখলের পায়তারা, বাধা দেয়ায় হামলা-ভাংচুর, গুরুতর আহত-১ 
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৬নং রাজারচর এলাকায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা-ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আমিনুল ইসলাম বিপ্লব নামের একজন গুরুতর আহত হয়ে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।  জানা  গেছে, আহত আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের পিতা মৃত: মকবুল হোসেন হাওলাদারের ৩০ বছর আগের ক্রয়কৃত সম্পদ দখলের চেষ্টা করে আসছে একই এলাকার ছত্তার মোল্লার ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম মোল্লা ও ওয়াহিদুল সহ আরও কয়েকজন। এ নিয়ে পূর্বে থেকেই একটি দ্বন্দ্ব চলে আসছে।
এর ধরাবাহিকতায় ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে একটি মামলা দায়ের করেন জমির মালিক আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। মামলা দায়ের করার কারণে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে প্রতিপক্ষ শহিদুল ইসলাম মোল্লা গং।  এ নিয়ে একাধিকবার শালিশ বৈঠকে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করা হলেও মিমাংসা হয়নি। গত ২১ জুলাই চরমোনাই বিশ্বাসের হাট বাজারে বিপ্লবের সাথে কথাকাটি হলে এক পর্যায়ে বিপ্লবের বাড়িতে গিয়ে হামলা ও তার মায়ের গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করে মোঃ শহিদুল ইসলাম মোল্লা ও ওয়াহিদুল সহ আরও কয়েকজন। খবর পেয়ে বাড়িতে গিয়ে এর প্রতিবাদ করলে বিপ্লবের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় বিপ্লবের উপর কিল ঘুষি ও তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঘরে নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে বিপ্লব গুরুত্বর আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
আহত বিপ্লব জানান, আমার বাড়ির কিছু লোকজন একত্রিত হয়ে আমার বাবার ক্রয়কৃত সম্পদ বহুদিন ধরে দখল করার চেষ্টা করে আসছে। এতে আমি বাধা দিলে বিভিন্ন সময় আমাকে গুরুতর জখম ও হত্যার হুমকি প্রদান করে। এ ঘটনায় আমি একটি মামলা দায়ের করি।  মামলার পরে আমাদের উপর পরবর্তীতে আবারও অতর্কিত হামলা চালিয়ে এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। তার সমস্ত প্রমাণ থানা এবং কোর্টে দেয়া আছে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে মীমাংসার জন্য গত ২১ জুলাই ধার্র্য করা হলে আসামী পক্ষ আমাদের নানাভাবে ভয় ভীতি দেখায় এবং হত্যার হুমকি প্রদান করে। এক পর্যায়ে বাজারে কথার কাটাকাটি হলে আসামিপক্ষ আমাদের বাড়িতে গিয়ে ঘর ভাঙচুর করার চেষ্টা করে এবং আমার মায়ের গায়ে হাত দেয়ার চেষ্টা করে।
খবর পেয়ে আমরা বাড়িতে গেলে তারা সকলে আমাদের উপর হামলা চালায় এবং আমার উপরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। বিপ্লব আরও জানায়, হামলাকারী শহীদুল ইসলাম মোল্লা ও ওয়াহিদুল ইসলাম মোল্লার নিক্ষেপ করা ইটে আমি আঘাতপ্রাপ্ত হই এবং বর্তমান চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে ভর্তি আছি। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি স্থানীয় প্রশাসন এবং স্থানীয় দায়িত্বশীলদের কাছে এ বিষয়ে সুষ্ঠু ও উপযুক্ত বিচারের জোর দাবি জানাই।

বেতাগীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
বেতাগীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন

বেতাগী প্রতিনিধি
‘উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগান ধারণ করে বরগুনার বেতাগীতে পালিত হয়েছে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬। উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে র‌্যালী, আলোচনা সভা, ঋণ ও বৃক্ষ বিতরণের মধ্য সোমবার (৬ জুলাই) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে দিবসটি পালিত হয়।

বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহ. সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জলিলুর রহমান খান নান্না, বিবিচিনি স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক একেএম ওয়াদুদ মিয়া, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম লাভলু, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন প্রমূখ।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হাসান আল বাসার। অনুষ্ঠানে অর্ধশত উপকারভোগীর মাঝে গাছের চারা ও ঋণ বিতরণ করা হয়।

বরিশালের নতুন ডিসি মামুন খন্দকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বরিশালের নতুন ডিসি মামুন খন্দকার

বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মামুন খন্দকার।  এর আগে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার (১ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি/পদায়ন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।