খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

ইতিহাস, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পর্যটনের এক অনন্য মিলনস্থল দুর্গাসাগর দীঘি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
ইতিহাস, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পর্যটনের এক অনন্য মিলনস্থল দুর্গাসাগর দীঘি

দুর্গাসাগর দিঘি

এইচ এম সোহেল ॥ ঐতিহাসিক দুর্গা সাগর দীঘি যা স্থানীয়ভাবে মাধবপাশা দিঘি নামেও পরিচিত। দীঘিটির মোট আয়তন প্রায় ৬২ একর যে কারনে এটি দক্ষিণ বাংলার বৃহত্তম হ্রদ। বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশায় অবস্থিত দুর্গাসাগর দীঘি একটি অনন্য পর্যটন স্থান হিসেবে পর্যটকদের কাছে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। বরিশাল জেলা শহর থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার দূরে এই বিশাল দিঘি ১৭৮০ সালে খনন করা হয়। রাজা জয়নারায়ণের মা দুর্গাদেবীর নামানুসারে দুর্গাসাগর দিঘির নামকরণ করা হয়। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন কর্তৃক চিহ্নিত বাংলাদেশের দর্শনীয় পর্যটন স্পটগুলোর তালিকায় সগৌরবে স্থান পেয়েছে এই দুর্গাসাগর দিঘি ।

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (সরকারি পর্যটন সংস্থা) ২০১৮-২০২৫ অর্থবছরে ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় দিঘির পাড়ে রেস্ট হাউস, পিকনিক স্পট, গেট, দু’টি সেলফি কর্নার, একটি গোল চত্ত্বর সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের সাথে দুর্গাপসাগর দিঘিকে সম্পূর্ণ নতুন সীমানা প্রাচীর এর ভিতর নেওয়া এবং ১.৬ কিলোমিটার হাটার রাস্তা টাইলস করা হয়েছে। এছাড়াও শিশু-কিশোরদের খেলার জন্য একটি মিনি শিশু পার্ক ও দর্শনার্থীদের উপভোগের জন্য ছয়টি প্যাডেল বোট চালু করা হয়েছে। যার কাজ ২০২৫ সালে সম্পূর্ন হয়েছে।

দুর্গাসাগর দীঘির নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন আজকের বার্তাকে বলেন, দুর্গাসাগর দীঘিতে আমাদের ১৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ১৬টি স্টোর বরাদ্দ ও গেস্ট হাউস চালুর কাজ চলছে। আশা করছি, এগুলো চালু হলে দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। এরপর আমরা নতুন প্রকল্প নিয়ে এগোবো।

প্রতিদিন শত শত স্থানীয় এবং আঞ্চলিক পর্যটকরা অনন্য সবুজ, নির্মলতা উপভোগ করতে এবং সেখানে গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে বেড়াতে যান। পাখির কিচিরমিচিরের ধ্বনি দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্লান্ত পর্যটকদের শান্ত করে। যদিও পর্যটকদের জন্য শীত, বসন্ত এবং হেমন্ত এই স্থানটি দেখার উপযুক্ত সময়। তবুও দিঘির পাড়ের নির্জন পরিবেশ বছরের অন্যান্য মৌসুমেও পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। বিশেষ করে শীতের মৌসুমে দিঘিতে সোনাজঙ্গ, খুরুলে, কুনচুষী, বাতারণ, শাবাজ, জলপিপি, ল্যাঞ্জা, হরিয়াল, দুর্গা, এবং বিভিন্ন ধরনের হাঁস জাতীয় পাখির দেখা মিলে। এই পাখিগুলো মূলত সাইবেরিয়া, উত্তর ইউরোপ, মঙ্গোলিয়া এবং সুমেরুর মতো ঠান্ডা অঞ্চল থেকে আসে, যেখানে শীতকালে জীবনধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বছরের শুরুতে সারাদেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার দশর্নার্থী আসেন দুর্গা সাগর দীঘিতে।

সরেজমিনে জানা যায়, এই দিঘি খননের পেছনে একটি কল্পকাহিনী রয়েছে যে, রাজা জয়নারায়ণের মা দুর্গাদেবীর নামানুসারে দুর্গা সাগর দিঘির নামকরণ করা হয়। দুর্গাদেবী তার প্রজাদের প্রতি অত্যন্ত সদয় ছিলেন। তিনি তার প্রজাদের সুপেয় পানির অভাব থেকে মুক্তি দিতে এই দিঘি খননের নির্দেশনা দেন। দুর্গাদেবী যতদূর হেঁটে হেঁটে যেতে পারেন, পুকুরটিও ততদূর খনন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর দিঘির মাঝখানে একটি ছোট দ্বীপ তৈরি করা হয়। বর্তমানে দ্বীপটির সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য রোপন করা হয়েছে বাহারি রঙের ফুল গাছ।

দুর্গা সাগর দীঘিতে সময় কাটাতে আসা দশর্নার্থী এবং স্থানীয়দের মতে, বরিশাল জেলায় এরকম দর্শনীয় স্থানের সংখ্যা খুবই কম। তাই যথাযথ রক্ষনাবেক্ষন এবং সৌন্দর্য বর্ধন জায়গাটিকে আরও আকর্ষনীয় করবে।

দুর্গাসাগর দীঘির নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন আজকের বার্তাকে বলেন, দুর্গাসাগর দীঘিতে আমাদের ১৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ১৬টি স্টোর বরাদ্দ ও গেস্ট হাউস চালুর কাজ চলছে। আশা করছি, এগুলো চালু হলে দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। এরপর আমরা নতুন প্রকল্প নিয়ে এগোবো।

 

৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

ডিসেম্বর মাসের প্রথম আট দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। এ জন্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে মূলত প্রবাসী ও রপ্তানি আয়ের ধারাকে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এই ডলার কেনা হয়।

এ সময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা পর্যন্ত। কাট-অফ রেট ১২২ টাকা ২৯ পয়সা, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫১ কোটি ৪০ লাখ (২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার) ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মাসের ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ১০০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ৮ ডিসেম্বর এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

পাশাপাশি গত জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন সমাবেশ, আন্দোলন করা থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।

এ বিষয়ে সতর্ক করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়- এটিই বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল লক্ষ্য। একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য যা যা করণীয় সরকার সেই দিকেই মনোনিবেশ করছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদনহীন সভা–সমাবেশ ও আন্দোলন নিয়ে সতর্ক করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অনেকেরই নায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে। গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ সংঘটিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আন্দোলনকারীরা দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছেন। সরকার নায্য দাবিতে সব সময়ই সাড়া দিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে।

‘কিন্তু আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। এ কারণে সকলের যা কিছু দাবি-দাওয়া আছে তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমরা আশা করব, এ সময়ের মধ্যে কেউ দাবি-দাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন করবেন না।’

চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

ত্রয়োদশ ‎জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কখন ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সপ্তাহে তফসিল হয়ে যাবে।’

দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। সাক্ষাৎ শেষে প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে এলে তাঁকে স্বাগত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওনার (প্রধান বিচারপতি) সাথে কথা হয়েছে। উনি অবসরে চলে যাচ্ছেন। একটা ফেয়ারওয়েল কল (বিদায়ী সাক্ষাৎ) করতে এসেছি ওনার সাথে।…উনি এ মাসে অবসরে যাবেন। আমরা একসাথে কাজ করেছি। সে জন্য ওনার সাথে একটা ফেয়ারওয়েল কলের মতো, সৌজন্য সাক্ষাৎ আছে না একটা, ফেয়ারওয়েল কল করতে এসেছিলাম ওনার সঙ্গে। অন্য কোনো বিষয় নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’ (নির্বাচনী তদন্ত কমিটি) যাতে ওনারা ডিপ্লয় করবেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে। এই কাজটা যাতে উনি ত্বরান্বিত করেন, সে বিষয়ে ওনাকে অনুরোধ জানিয়েছি।’

প্রধান বিচারপতি কী আশ্বাস দিয়েছেন—এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘উনি (প্রধান বিচারপতি) জাস্ট, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির যে লোকজন দেওয়ার কথা আছে, ডেপ্লয়মেন্ট আছে, সে ব্যাপারে ওনারা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং নেবেন, কোনো অসুবিধা হবে না বলে অ্যাসিউর (আশ্বস্ত) করেছেন।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, মামলা নিয়ে কোনো কথা হয়নি।