খুঁজুন
রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

আমতলী-তালতলীতে দাদনের গ্যাঁড়াকলে জেলেরা

আমতলী প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
আমতলী-তালতলীতে দাদনের গ্যাঁড়াকলে জেলেরা

দাদনের ভয়াবহ গ্যাঁড়াকলে পড়ে আছে বরগুনার দুই উপজেলার ১৪ হাজার ৬৮৯ জন ইলিশ জেলের জীবন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম দারিদ্র্যের শেকলে বাঁধা তাঁরা। অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের দারিদ্র্যের কশাঘাতের সুযোগ নিচ্ছেন দাদন ব্যবসায়ীরা। দাদনের কারণে ইলিশের ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত তাঁরা। দাদন ব্যবসায়ীদের জিম্মি ও দাদনের ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পেতে সরকারিভাবে সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এসব জেলে।

জেলেদের দাবি, সরকারিভাবে তাঁদের জাল ও নৌকা বিতরণ করা হোক। মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক মনিটরিং পলিসিতে কৃষকদের জন্য কৃষিঋণ আছে কিন্তু জেলেদের জন্য কোনো ঋণ নেই। কৃষিঋণের আওতায় জেলেদের আনা হলে তারা দাদনের গ্যাঁড়াকল থেকে মুক্তি পেত। জেলেদের দাদন থেকে মুক্তি দিতে সরকারিভাবে ঋণের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।

জানা গেছে, উপকূলীয় অঞ্চল আমতলী ও তালতলী উপজেলায় ১৪ হাজার ৬৮৯ জন নিবন্ধনধারী জেলে রয়েছেন। এর মধ্যে আমতলীর ৬ হাজার ৭৮৯ এবং তালতলীর জেলে ৭ হাজার ৯০০ জন। এরা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করেন। বংশপরম্পরায় তাঁরা এ পেশা ধরে রেখেছেন। সারা বছর মাছ শিকার করেই চলে তাঁদের সংসারজীবন।

জেলেরা বলছেন, নদী ও সাগরে মাছ ধরা পড়লে ভালো চলে তাঁদের জীবনকাল। আর মাছ ধরা না পড়লে উনুনে পাতিল ওঠে না। জেলে পরিবারগুলোর মধ্যে তেমন শিক্ষা নেই। ফলে দাদন ব্যবসায়ীদের হাতে অতি সহজে তাঁরা জিম্মি হয়ে যান। উপকূলীয় অঞ্চলের গভীর সাগরে, সাগরের কিনারে এবং সাগরের শাখা-প্রশাখা নদীতে তিন শ্রেণির জেলে মাছ শিকার করেন। জেলেদের নদী ও সাগরে মাছ শিকার করতে প্রয়োজন জাল, নৌকা, ট্রলার ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। কিন্তু জাল, নৌকা ও ট্রলার তৈরিতে প্রয়োজনীয় টাকা অধিকাংশ জেলের হাতে থাকে না। তখনই তাঁরা দাদন ব্যবসায়ীদের দ্বারস্থ হন। দাদন ব্যবসায়ীদের দ্বারস্থ হলেই তাঁদের হাতে জেলেরা জিম্মি হয়ে পড়েন। জেলেদের সংসার চলুক আর নাই চলুক আসল টাকা রেখে ব্যবসার টাকা তুলে নেন দাদন ব্যবসায়ীরা।

দাদন ব্যবসায়ীদের মর্জির ওপর চলে জেলেদের সংসারজীবন—এমন অভিযোগ জেলে ইসমাইল ও মাসুম তালুকদারের। জেলে ছত্তার, লাল মিয়া ও মোস্তফা হাওলাদার বলেন, ইলিশের ভরা মৌসুম আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র ও আশ্বিন মাস। এই চার মাসে চলে দাদন ব্যবসায়ীদের রমরমা বাণিজ্য। দাদনের কারণে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন জেলেরা। কেজিপ্রতি ইলিশের মূল্য ৫০-১৫০ টাকা কমিয়ে দেওয়া হয় জেলেদের। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলেই দাদনের টাকা ফেরত দিতে চাপ দেয় দাদন ব্যবসায়ীরা।

তালতলী উপজেলার গাবতলী এলাকার জেলে ছত্তার বলেন, ‘গত বছর দুই ফার (৯০০ হাত) জাল ও নৌকা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় তৈরি করেছি। ওই টাকা দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে থেকে এনে পরিশোধ করতে হয়েছে। দাদনের টাকা আনা মানেই দাদন ব্যবসায়ীর কাছে জিম্মি। তাঁরা যেমন ইলিশের দাম নির্ধারণ করে দেন, তেমনই নিতে হয়। এতে আমরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। সরকারিভাবে জেলেদের জাল ও নৌকা বিতরণ করা হলে জেলেরা দাদন ব্যবসায়ীদের জিম্মি থেকে মুক্তি পেত।’

লাল মিয়া বলেন, ‘৮০ হাজার টাকা দাদন নিয়ে এক ফার জাল-নৌকা তৈরি করেছি। গত পাঁচ বছরেও এ টাকা পরিশোধ করতে পারিনি।’ আমতলী গুলিশাখালী ইউনিয়নের নাইয়াপাড়া গ্রামের শামিম, আমানুল ও নাশির মাদবর বলেন, দাদন ছাড়া জেলেদের জীবন চলে না। প্রত্যেক জেলেরই কিছু না কিছু দাদন থাকে।

একই এলাকার নাঈম বলেন, ‘১০ বচ্ছর ধইরা জাল-নৌকা দিয়া ইলিশ মাছ ধরছি। আইজ পর্যন্ত দাদনের টাহা শ্যাষ হরতে পারি নাই। কবে শ্যাষ হরমু হেইয়্যা কইতে পারি না।’

নাইয়াপাড়া গ্রামের বৃদ্ধ সৈয়দ আকন বলেন, ‘ইলিশ মাছ ধরতে ধরতে বুড়া অইয়্যা গ্যালাম কিন্তু দাদন শ্যাষ হরতে পারলাম না। শ্যাষ হরতে পারমু কিনা জানি না। সরহার যদি মোগো জাল-নৌকা বানাইয়্যা দিতো হ্যালে আর মহাজনদের ধারে যাইতে অইতো না। মোরা সরহারের কাছে জাল-নৌকার দাবি হরি।’

তালতলীর ফকিরহাট মৎস্য অবতরণকেন্দ্রের মৎস্য সমিতির সাধারণ সম্পাদক দাদন ব্যবসায়ী মজিবর ফরাজী জেলেদের জিম্মি রাখার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘লাখ লাখ টাকা খাটিয়ে সারা বছর জেলেদের পাশে থাকি। যখন মাছ ধরা পড়ে তখন কিছু কিছু কেটে রাখা হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘দাদন ছাড়া কোনো জেলে নদীতে মাছ শিকারে যেতে পারে না।’

ফকিরহাট মৎস্য সমিতির সহসভাপতি ইউপি সদস্য মো. ছালাম হাওলাদার বলেন, অধিকাংশ জেলেই দরিদ্র। দাদন ছাড়া জেলেরা চলতে পারে না। জাল-নৌকাসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরিতে যে পরিমাণ টাকার প্রয়োজন, ওই টাকা জেলেদের কাছে থাকে না। তাই বাধ্য হয়েই দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে যেতে হয়।

আমতলী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তন্ময় কুমার দাস বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক মনিটরিং পলিসিতে কৃষকদের জন্য কৃষিঋণ আছে কিন্তু জেলেদের জন্য কোনো ঋণ নেই। কৃষিঋণের আওতায় জেলেদের আনা হলে তারা দাদনের গ্যাঁড়াকল থেকে মুক্তি পেত। জেলেদের দাদন থেকে মুক্তি দিতে সরকারিভাবে ঋণের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।

 

৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

ডিসেম্বর মাসের প্রথম আট দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। এ জন্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে মূলত প্রবাসী ও রপ্তানি আয়ের ধারাকে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এই ডলার কেনা হয়।

এ সময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা পর্যন্ত। কাট-অফ রেট ১২২ টাকা ২৯ পয়সা, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫১ কোটি ৪০ লাখ (২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার) ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মাসের ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ১০০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ৮ ডিসেম্বর এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

পাশাপাশি গত জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন সমাবেশ, আন্দোলন করা থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।

এ বিষয়ে সতর্ক করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়- এটিই বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল লক্ষ্য। একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য যা যা করণীয় সরকার সেই দিকেই মনোনিবেশ করছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদনহীন সভা–সমাবেশ ও আন্দোলন নিয়ে সতর্ক করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অনেকেরই নায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে। গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ সংঘটিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আন্দোলনকারীরা দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছেন। সরকার নায্য দাবিতে সব সময়ই সাড়া দিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে।

‘কিন্তু আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। এ কারণে সকলের যা কিছু দাবি-দাওয়া আছে তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমরা আশা করব, এ সময়ের মধ্যে কেউ দাবি-দাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন করবেন না।’

চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

ত্রয়োদশ ‎জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কখন ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সপ্তাহে তফসিল হয়ে যাবে।’

দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। সাক্ষাৎ শেষে প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে এলে তাঁকে স্বাগত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওনার (প্রধান বিচারপতি) সাথে কথা হয়েছে। উনি অবসরে চলে যাচ্ছেন। একটা ফেয়ারওয়েল কল (বিদায়ী সাক্ষাৎ) করতে এসেছি ওনার সাথে।…উনি এ মাসে অবসরে যাবেন। আমরা একসাথে কাজ করেছি। সে জন্য ওনার সাথে একটা ফেয়ারওয়েল কলের মতো, সৌজন্য সাক্ষাৎ আছে না একটা, ফেয়ারওয়েল কল করতে এসেছিলাম ওনার সঙ্গে। অন্য কোনো বিষয় নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’ (নির্বাচনী তদন্ত কমিটি) যাতে ওনারা ডিপ্লয় করবেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে। এই কাজটা যাতে উনি ত্বরান্বিত করেন, সে বিষয়ে ওনাকে অনুরোধ জানিয়েছি।’

প্রধান বিচারপতি কী আশ্বাস দিয়েছেন—এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘উনি (প্রধান বিচারপতি) জাস্ট, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির যে লোকজন দেওয়ার কথা আছে, ডেপ্লয়মেন্ট আছে, সে ব্যাপারে ওনারা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং নেবেন, কোনো অসুবিধা হবে না বলে অ্যাসিউর (আশ্বস্ত) করেছেন।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, মামলা নিয়ে কোনো কথা হয়নি।