খুঁজুন
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫ আশ্বিন, ১৪৩৩

বরিশালের ফুটপাত রাস্তা ও পার্ক থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণে নগর ভবনের নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বরিশালের ফুটপাত রাস্তা ও পার্ক থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণে নগর ভবনের নোটিশ

 বরিশাল মহানগরীর অনেক রাস্তা ও ফুটপাত সহ পার্ক এবং শ্রান্তি বিনোদনের স্থানগুলো ক্রমশ অবৈধ দখলে চলে যাবার মধ্যে নবনিযুক্ত প্রশাসক তা উদ্ধারে তৎপড় হলেও কতটা সফলকাম হতে পারবেন সে বিষয়ে নগরবাসী সময়ের অপেক্ষা করছেন। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে নগরীর ফুটপাত, রাস্তা এবং বিভিন্ন পার্ক সহ শ্রান্তি বিনোদণের স্থানগুলো থেকে সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ সম্বলিত মাইকিং চলছে নগর ভবনের পক্ষ থেকে। তবে ৮ এপ্রিল সন্ধ্যা পর্যন্ত কোন অবৈধ দখলদার সরকারি জায়গা ছেড়ে দেয়নি।

অপরদিকে নগরীর বেলপার্ক সহ বিভিন্ন পার্ক ও শ্রান্তি বিনোদনের স্থানগুলোতে বিদায়ি নগর প্রশাসক রায়হান কাওসারের সময় থেকে দৈনিক ভাড়ার ভিত্তিতে যে-সব দোকানপাট ও ভাসমান খাবারের দোকানসমুহ স্থাপন করে গন দুর্ভোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে, তাদের বিষয়ে নগর প্রশাসক কি করবেন, তাও দেখার অপেক্ষায় নগরবাসী।

নানা সমস্যা আর অনিয়মের বেড়াজালে বন্দী বরিশাল মহানগরীর প্রশাসক হিসেবে গত ১৬ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণ করে এ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন নগর ভবনের দুর্নীতি দুর সহ একটি সুশৃঙ্খল নগরী উপহার দেয়ার কথা বলছেন। ইতোমধ্যে তিনি দিনরাত নগরীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন। বিভিন্ন সমস্যা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করা সহ তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তও দিচ্ছেন। প্রেসক্লাবে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মত বিনিময় সহ নগর ভবনেও সর্বস্তরের মানুষের সাথে কথা বলে সবার মতামত গ্রহণ করেছেন। সমস্যা চিঞ্হিত করে সেভাবে এগুনোর চেষ্টাও করছেন নতুন প্রশাসক। এসব সভাগুলোতে নগর প্রশাসক নগরীর জনদুর্ভোগ সম্পর্কে ধারণা সহ নগরবাসীর চাহিদার বিষয়েও অবগত হয়েছেন।

কিন্তু পাহাড় পরিমাণ দুর্ভোগ, দুর্নীতি আর জঞ্জালের এ নগরীকে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থায় নিয়ে আসার দায়িত্ব যে নগর ভবনের, সেখানের প্রশাসকের পাশে কতজন আন্তরিক ও নিরলশ কর্মী তিনি পাবেন তা নিয়ে সন্দিহান সাধারণ নগরবাসীও।

এ নগরীতে ফুটপাত সহ সাধারণের চলাচলের রাস্তা দখলের মহোৎসব চলছে গত কয়েক বছর ধরে। এমনকি খোদ নগর ভবনের সামনে চকবাজার সড়ক ও ফজলুল হক এভেনিউ’র ফুটপাত পেরিয়ে মূল সড়ক পর্যন্ত দখল হয়ে গেছে। নবগ্রাম রোড-চৌমহনী লেকের পাড় পেরিয়ে বরিশালÑফরিদপুর-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কটিও বেদখল আর উদ্ধারের নানা খেলা প্রত্যক্ষ করছেন নগরবাসী।

এ নগরীর ঐতিহ্যবাহী বেলপার্ক সহ শ্রান্তি বিনোদনের যে সীমিত সুযোগ ছিল, তাও কেড়ে নিয়েছে অবৈধ দখলদারগন। এমনকি এসব পার্ক ও শ্রান্তি বিনোদণের স্থানগুলো বহু আগেই তার মূল চরিত্র হারিয়ে নগরবাসীর দুর্ভোগের স্থানে পরিণত হয়েছে। উপরন্তু মাস কয়েক আগে সাবেক নগর প্রশাসক রায়হান কাওসার ২৪ ঘণ্টার নোটিশ দিয়ে বেলপার্ক সহ কয়েকটি এলাকা থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার অল্প কয়েকদিনের মাথাই তারা প্রায় বৈধতা নিয়েই ফিরে এসেছে। এখন পুরো পার্কটি যুড়ে অবৈধ দখলদারদের রাজত্ব। এসব অবৈধ দোকানীগন এখন নগর ভবনের টোল কালেক্টরদের প্রতিদিন ২০ টাকা খাজনা (?) দিয়ে বৈধতা লাভ করেছে বলে দাবি করছে।

অনুরূপভাবে পুরো নগরীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখলদারদের রাজত্ব চলছে। এমনকি গত ২ এপ্রিল সিটি প্রশাসক নগরীর নবগ্রাম রোড-চৌমহনী লেকের অভ্যন্তরে ‘মিউজিক্যল ফোয়ারা’ স্থাপনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেও সে ভিত্তি ফলকের পাশে রাজকুমার ঘোষ রোডটির দক্ষিণ কোন সহ লেকটির দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব পাড়েও অবৈধ দোকানের অত্যাচারে পুরো লেকটি তার চরিত্র হারিয়েছে অনেক আগেই।

আর এরইমধ্যে আগামী ১০ এপ্রিল অবৈধ দখলদারদের স্বেচ্ছায় সরে যাবার ডেট লাইন নির্ধঅরিত আচে। সব অবৈধ স্থাপনা অপাসারনে গত সপ্তাহখানেক ধরে এ নগরীতে প্রচারণা চালাচ্ছে নগরভবন। কিন্তু নগরভবনের এ প্রচারণা ও উদ্যোগ কি লোক দেখানো, না দায়সারা ভাবে দায়িত্ব এড়ানো, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন নগরবাসী।

তবে বিষয়টি নিয়ে সিটি প্রশাসক বার বারই তার দৃঢ়তার কথা বলছেন। অপরদিকে প্রশাসক যে-সব সভাগুলো করেছেন সমাজের বিভিন্নস্তরের মানুষের সাথে, সবখানেই একটি কথা উঠে এসেছে, ‘এনগরীতে যারা করা দেয়, তাদের নানা নাগরিক সুবিধা সহ সুস্থ সমাজ ব্যবস্থাকে কার্যত অকার্যকর করে দিচ্ছে যারা কর দেয়না তারা’। এমনকি ‘এনগরীতে করদাতারই ক্রমশ অবাঞ্ছিত হয়ে যাচ্ছে’ বলেও অভিযোগ উঠেছে।

পাশাপাশি এসব অবৈধ স্থাপনার ৯০ ভাগই পথ খাবারের দোকান। আর ঐসব অস্বাস্থ্যকর পথ খাবারের দোকানের কারণে এনগরীর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাও ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর বরিশাল অঞ্চলের শুধু সরকারি হাসপাতালেই ৭৯ হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু ডায়রিয়া সহ নানা ধরনের পেটের পীড়া নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। যারমধ্যে বরিশাল মহানগরীরও প্রায় ১০ হাজার মানুষ রয়েছে।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়েছিল দুই নবজাতকের লাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়েছিল দুই নবজাতকের লাশ

বরিশাল নগরের ময়লার স্তূপ থেকে দুই নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তাদের একজন ছেলে ও অন্যজন মেয়ে। 

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে নগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বগুড়া রোডের গফুর সড়কের বিপরীতে নতুন বাজার ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন ময়লার স্তূপ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী জাকির হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো ময়লা পরিষ্কার করছিলাম। হঠাৎ দুটি প্লাস্টিকের বাটি চোখে পড়ে। কাছে গিয়ে দেখি, ভেতরে দুটি নবজাতক শিশু রয়েছে। তখন স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানাই। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নতুন বাজার ও এর আশপাশে একাধিক বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের ধারণা, কোনো একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা-আবর্জনার সঙ্গে নবজাতক দুটির লাশ ওই স্থানে এসে থাকতে পারে।

কোতোয়ালী থানার ওসি আল মামুন ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সময় পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় টহলে ছিল। থানা থেকে বিষয়টি জানানোর পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতি দেখে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে খবর দেওয়া হয়। পরে নবজাতক দুটির লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।

নবজাতক দুটির পরিচয় এবং কীভাবে তাদের লাশ ময়লার স্তূপে এলো- তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।