খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২ ভাদ্র, ১৪৩৩

পানের বাজার ধস, হতাশ চাষিরা

ফাহিম ফিরোজ :
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
পানের বাজার ধস, হতাশ চাষিরা

এক সময় দেশের অন্যতম লাভজনক অর্থকরী ফসল ছিল পান। কিন্তু হঠাৎ করে রপ্তানি কমে যাওয়ায় পানের দাম পানির দরে নেমে এসেছে। আর বাজার ধসের কারণে বর্তমানে সেই পানই চাষিদের জন্য পরিণত হয়েছে দুঃস্বপ্নে। ব্যয়বহুল এই চাষে ঋণের টাকায় ভর করে চাষ করা পান এখন বিক্রি না হওয়ায় নদীতে ফেলে দিতে বাধ্য হচ্ছেন হতাশ কৃষকরা।

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পানচাষি আব্দুল হান্নান অভিযোগ করে বলেন, “২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে প্রতি কেজি পানের রপ্তানি মূল্য ১ ডলার থেকে হঠাৎ করে ৫ ডলার নির্ধারণ করায় বিদেশি ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। বাজার ভেঙে পড়েছে, হাজারো চাষি আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত।”

বরিশাল জেলা থেকে বিপুল পরিমাণ পান রপ্তানি হতো মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। কিন্তু রপ্তানিতে বাধা ও ব্যাকটেরিয়া শনাক্তের কারণে এখন সেই বাজার কার্যত বন্ধ। এতে অভ্যন্তরীণ বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ সৃষ্টি হয়েছে, ফলে দাম কমে গেছে অস্বাভাবিকভাবে।

পোর্ট রোড বাজারের ব্যবসায়ী মো. সোহেল বলেন, “গত ১৩ বছরে এমন পরিস্থিতি দেখিনি। গত বছর যে পান ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এ বছর সেই পান ৫০ টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে না। খরচ পুষিয়ে ওঠানোই এখন দায়।”

চরমোনাই এলাকার পান ব্যবসায়ী সুজন নাথ বলেন, “২৫ বছর ধরে এই পানের ব্যবসার সঙ্গে আছি। এমন বিপর্যয় আগে হয়নি। দেড়শ টাকার পানের চল্লি এখন ৩০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে না।”

বরিশাল জেলা পান চাষি সমিতির সভাপতি মো. মামুন বলেন, “এক বিড়া পানে ৫০ টাকা খরচ হয়, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। কখনো কখনো ৫ টাকায়ও বিক্রি করতে হয়। আবার অনেক সময় বাজার না থাকায় পান ফেলে দিতেও বাধ্য হই।”

সমিতির সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী বলেন, “প্রতি বিড়া পানে গড়ে ৩০ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। পানের দাম না পেলে চাষিরা টিকতে পারবে না। আমরা চাই আগের মতো রপ্তানি শুরু হোক।”

বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১০ উপজেলায় ২ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট উৎপাদন হয়েছে ২১ হাজার ৪০৯ মেট্রিক টন। এই খাতে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার মানুষ।

বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোসাম্মাৎ মরিয়ম বলেন, “গত বছরের তুলনায় এ বছর উৎপাদন বেড়েছে। ফলে দাম কিছুটা কমেছে। পাশাপাশি আগের মতো রপ্তানি হচ্ছে না কারণ পানে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত হওয়ায় রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।”

পানের রপ্তানি বৃদ্ধি ও সব ধরনের বাধা অপসারণ। বিপন্ন চাষিদের ঋণের কিস্তি আদায় সাময়িক বন্ধ। গরিব চাষিদের সরকারি ত্রাণ ও রেশন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তি। উৎপাদক চাষিদের প্রণোদনা প্রদান। খৈল, সার, কীটনাশকসহ উপকরণের দাম কমানো। পান গবেষণা কেন্দ্র ও সংরক্ষণাগার স্থাপন। আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ প্রদান। জমিতে অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ। পান চাষিদের জন্য বীমা চালু। জাতীয় পান বোর্ড গঠন। পানের দাম বাড়লে ভারত থেকে পান আমদানি বন্ধ।

পান শুধু একটি কৃষিপণ্য নয়, গ্রামীণ অর্থনীতির একটি বড় অংশ। এই খাত ভেঙে পড়লে ক্ষতিগ্রস্ত হবে লাখো মানুষের জীবিকা। কৃষকরা আশাবাদী, সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিলে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারে পানের বাজার।

চাষিদের দাবি—রপ্তানি পুনরায় চালু, বাজার নিয়ন্ত্রণ ও প্রণোদনা ছাড়া এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। সরকার যদি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তবে চাষিরা পান চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবেন—যা জাতীয় অর্থনীতিতেও ফেলবে নেতিবাচক প্রভাব।

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।