খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক, ১৪৩৩

পটুয়াখালীর দশমিনায় তিন কোটি টাকার ব্রীজ নির্মিত হলেও নেই সংযোগ সড়ক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫, ১০:১১ অপরাহ্ণ
পটুয়াখালীর দশমিনায় তিন কোটি টাকার ব্রীজ নির্মিত হলেও নেই সংযোগ সড়ক

পটুয়াখালী//

পটুয়াখালীর বাউফল-দশমিনা উপজেলার সীমানায় বাঁশবাড়িয়া বগী বাজার খালের ওপর ব্রীজ নির্মানের প্রায় ৫ গত হলেও নির্মাণ করা হয়নি ব্রীজের সংযোগ সড়ক। এতে ভোগান্তিতে রয়েছেন দুই উপজেলার চলাচলরত অন্তত অর্ধলক্ষ মানুষ। এছাড়াও খালের উভয় দিকের চলাচলরত মানুষ ও আশপাশের স্কুল কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দূর্ভোগ চরমে। দ্রুতই সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মান করে মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীসহ ভুক্তভোগীরা।

পটুয়াখালী এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালীর দশমিনা-বাউফল উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা নিরবিচ্ছিন্ন করতে ২০১৯-২০২০ সালে দরপত্র আহ্বান করে সেতুটির কার্যাদেশ দেওয়া হয় মেসার্স আবুল কালাম আজাদ এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে। দরপত্রের চুক্তি অনুযায়ী ২০২১ সালে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। বাশবাড়িয়া ইউপির গছানি জিসি বগি বাজার সড়কে আরসিসি গার্ডার ব্রীজ যার দৈর্ঘ্য ২৪ মিটার ও প্রস্থ সাড়ে ৭ মিটার। ব্রীজটি নির্মানে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কেটি ৮২ লাখ ১০ হাজার ৫০৬ টাকা। বগী বাজার খালের দুই পাড়ে রয়েছে অন্তত ১১টি গ্রাম।

সরেজমিনে দেখা যায়, দশমিনা-বাউফল সীমান্তবর্তী বগী বাজার খালে ওপর সেতু নির্মানের কাজ প্রায় শেষ। বাকি আছে রং করন ও সংযোগ সড়কের কাজ। খালের গভীরতা এবং ট্রলার চলাচলের জন্য পুরানো রাস্তা থেকে নির্মানাধীন সেতুটি অনেক উঁচু। তাই সেখান থেকে রাস্তার সংযোগ স্থাপনের জন্য কিছু সিসি স্ল্যাব বসিয়ে কোন রকম পারাপার হচ্ছে চলাচলরত মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, এর আগে লোহার সেতু (আয়রন ব্রিজ) ছিল। লোহার কাঠামোর ওপর সিমেন্টের স্ল্যাব ছিল। ২০১৯-২০২০ সালে নতুন সেতু নির্মানের জন্য পুরনো সেতুটি ভেঙ্গে ফেলা হয়। চলাচলের জন্য বিকল্প কোন ব্যবস্থা করা হয়নি। এর পর থেকেই চলাচলরত মানুষের দূর্ভোগ চরমে পৌছেছে। কর্পূরকাঠী ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, আমরা কত যে কষ্টে আছি তা ভাষায় প্রকাশ করার মত না। ব্রিজ করে ফেলে রেখেছে, কিন্তু দুই পাশের সংযোগ সড়কটা করছেনা অনেক বছর। ব্রীজে উঠতে নামতে আমাদের খুব সমস্যা হয়। বর্ষা মৌসুম বৃষ্টিতে কাদা-মাটিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক তুষার কান্তি ঘোষ বলেন, ব্রীজের সংযোগ সড়ক না থাকায় আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। এছাড়াও এ ব্রীজ পারাপারে জনদুর্ভোগ চরমে পৌছেছে।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি অনতিবিলম্বে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মান করে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতি ঘটে। তিনি আরও বলেন, এর আগেও কর্তৃপক্ষসহ জনপ্রতিনিধিদের কাছে বহুবার ধর্ণা ধরেছি কিন্তু কোন কাজ হয়নি। চলতি বর্ষা মৌসুমে এ ব্রীজ থেকে যাতায়াত করা শিক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষের চরম দূর্ভোগ হচ্ছে। বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউয়িন পরিষদের সাবেক সদস্য ও ব্রিজের পশ্চিম পাশের বাসিন্দা মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বাদল জানান, প্রায় সময় এখানে দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা বয়স্ক ও রোগী এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাত ধরে পার করে দেই। দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্রীজের সংযোগ সড়ক নির্মান না করায় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আসা যাওয়া করেন। বিষয়টি নিয়ে বহুবার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেও কোন লাভ হয়নি।

পটুয়াখালী এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী মীর জানান, ভূমি অধিগ্রহনের মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারনে সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মান করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে মামলা সংক্রান্ত জটিলতা না থাকলেও সংযোগ সংড়ক নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয়দের দোকানপাট ক্ষতিগ্রহস্থ হবে। স্থানীয়দের দোকানপাট রক্ষার জন্য সংযোগ সড়কটি নতুন করে ডিজাইন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। ডিজাইনের কাজ চলছে। শেষ হওয়া স্বাপেক্ষে টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ শুরু করতে হবে।

ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ
ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসির

রানি বাহিনী তাদের সীমান্ত থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ফাদাভি।

ইরানের প্রেস টিভির বরাত দিয়ে আল-জাজিরা বলেছে, টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফাদাভি বলেছেন, ‘মার্কিনরা পালিয়ে গেছে এবং আমাদের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে সরে গেছে। তারা নিজেদের ইচ্ছায় সরে যায়নি; ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও আইআরজিসির স্থলবাহিনীর ক্ষমতার কারণেই তারা এটি করতে বাধ্য হয়েছে।

ফাদাভি আরও দাবি করেন, এই প্রথম পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি, ওমান সাগর এমনকি উত্তর ভারত মহাসাগরেও কোনো মার্কিন জাহাজ নেই। তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো আইআরজিসির হামলার শিকার হওয়ার ‘১০০ শতাংশ ঝুঁকিতে রয়েছে’।

ফাদাভির এই দাবি এমন সময়ে এল, যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোয় কঠোর নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ‘কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে’ জুলাই থেকে তারা ১২৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।

ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জর্ডানে পালটা আক্রমন তেহরানের

ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি আল-আজরাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে অন্তত দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবিও করেছে তেহরান।

এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আইআরজিসি গত দুই দিনে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে দু’বার লক্ষ্য করার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায়।

সেন্টকমের দাবি, এরপর মার্কিন বাহিনী ওমান উপসাগরে থাকা ইরানের চারটি তেলবাহী জাহাজ—‘কাভিজ’, ‘চারমিনার’, ‘হরাইজন-১’ ও রিয়েস্কো—এবং খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ‘দেরিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে হামলা চালায়।

 

হামলার আগে জাহাজগুলোর নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মার্কিন বাহিনী এমন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে ‘রিয়েস্কো’ নামের একটি জাহাজকে ওমান উপসাগরে ডুবে যেতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো বলে জানানো হয়েছে।

আইআরআইবি জানায়, ওই হামলায় জাহাজের নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে।

পরে আইআরজিসি জানায়, মোট পাঁচটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

এর জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ‘তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রাখার কয়েকটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ডিডিজ-১১৯’ ও ‘ডিডিজি-৫৩’ নামের দুটি ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ করার দাবিও করেছে ইরান।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, দেশে টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূবাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

প্রথম দিনের পূর্বাভাস (৯ সেপ্টেম্বর): ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাস (১০ সেপ্টেম্বর): রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগগুলোর কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের পূর্বাভাস (১১-১২ সেপ্টেম্বর): ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট ও ময়মনসিংহে বৃষ্টিপাত বেশি থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে এসে দেশের বিভিন্ন বিভাগের দু-এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে। এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে।

পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস (১৩ সেপ্টেম্বর): দেশের আটটি বিভাগেরই দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।